শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০১৫

মা আমার মা

পাখিদের কলরব হাজারো, মনে হয়  বাকি আছে কিছু আরো
ফুলের খুসবুতে এ যাহা ভরা ,মনে হয় ভালো হত যদি থাকত মা আমারো

বাগিচায় গোলাপের কমি নাই সামান্য
থাকত যদি মা , তো হত কতই অনন্য

নসিব আমার এত খারাপ মায়ের মমতা থেকে বঞ্চিত
মিলেনা মায়ের মমতা , আছে হাজারো দৌলত সঞ্চিত

রমজানে আর এক রং ছিল সেহরী আর ইফতারে
আছে রমজান, সেহরী ও ইফতার ,
মিলেনা সেই খুসবু যা দিত মা আমারে


তুমি পাশে থাকলে , এ কলম থাকত লিখতে আর লিখতে
আমি ঘুমিয়ে পড়তাম , মা , তুমি এসে দেখতে

তোমার ছেলের মনের কান্না কতই পাতায়  ভরা !
আজ আমি মা তোমার জন্য হয়ে আপন হারা

কাঁদি মা কতই কাঁদি ! শুধুই তোমার জন্য
ভাল লাগানো কোন কিছু মা ছারা আর ভিন্ন

দুনিয়া হায় আজ আছে নাই , এই দুনিয়াত রীতি
তাই তো আমার মা কে নিয়ে গেল কঠিন বীধী

দোয়া করি আজ দুহাত তুলে আয় খোদা দয়া ময়
আমার মায়ের নসিবে যেন বেহেস্ত নসীব হয়। আমীন।


ইমান আর ইবাদত

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম।  

লক্ষ  কোটি সালাম ও দরুদ সেই মহান রাসুলে আকরাম সাল্লেল্লাহু আলায়হে ওয়া সাল্লামের প্রতি যিনি আল্লাহর দীন এ ইসলাম কে পূর্ণাঙ্গ রূপে প্রকাশ করেছেন। আরো সালাম  খোলাফায়ে রাশেদিনদের প্রতি ও সকল আহলে বায়েতের প্রতি।  

সালাম এক লক্ষ চব্বিশ হাজার আম্বিয়া কেরামের গনের  প্রতি ও ১২ ইমামের প্রতি।  সালাম খাজা খাজেগানের প্রতি ও কাদেরিয়া ,চিস্তিয়া , নকশাবন্দী , মুজাদ্দেদিয়া  তরিকার ছাড়াও সকল তরিকার শায়েখ দের প্রতি ও যাদের মাধ্যমে আমরা আল্লাহর করুনা লাভ করেছি।  

আল্লাহ তাদের প্রত্তেকের ইজ্জাত বুলন্দ থেকে উচ্চতর বুলন্দ করুন  (আমিন) 


পর কথা এই যে আমরা সকলে মুসলমান (আলহামদুলিল্লাহ) 

আমরা সবাই এক কথায় সীকার করি আল্লাহ এক ও অদিতিয় ও নবী হজরত মোহাম্মদ সাল্লেললাহু আলায়হে ওয়া সাল্লাম আমাদের রাসুল ও আমাদের দ্বীন ইসলাম। ও আমরা এটা ও সীকার করি কিয়ামতের দিনে আমাদের কে হিসাব নিকাশের কাতারে দন্ডায়মান হতে হবে , আল্লাহ বেহতর জানেন কি মসিবত আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে সেই কঠিন দিনে।  


আমাদের ইমান যদি মজবুত হয় তা হলে আমরা সেই দিন আল্লাহর করুনা লাভ করতে সক্ষম হব।  অন্যথায় আমাদের জায়গা হবে সেই জাহান্নাম যে খানে অন্তহীন দুক্ষ কষ্ট ছাড়া কিছুই নাই।  

তাই আগে আমাদের ইমান কে মজবুত করা প্রয়োজন   .


কথা আজ ইমান নিয়ে।  নিজের ইমান কোন খাতে আছে তা একটু দেখে নিন  



ইমান হচ্ছে সেই আখরোট ফলের মত।  যার উপরে শক্ত একটা খোল।  সেটা  ভেদ করে ভিতরে গেলে থাকে সেই মগজ।  সেই মগজে যদি মেহনত করা যায় তা হলে সেখান থেকে তেল বের করা সম্ভব   অন্যথায় নয়   .

ঈমানের প্রকার ;- 

(১) অন্তরের মধ্যে কোন প্রকার প্রত্যয় সৃষ্টি করা বেতীত মুখে (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলা ) আজকের এই দিনে এরূপে উচ্চারণ করা মুসলিম কিন্তু কম নয়।  আর এরূপে উচ্চারণ করার মাঝে মোনাফেকরা বা বেদীন রা ও সামিল আছে।  হয়ত আপনি ও দেখেছেন কথার মাঝে কোন বেধর্মী ও কালেমা পরেছে।  আর যদি না দেখে থাকেন তো মনে করে দেখুন অনেক বেধর্মী আছে যারা যুদ্ধ ক্ষেত্রে মুসলিম মুজাহিদ বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মুখে কালেমা উচ্চারণ করে থাকে।  আর তখন সেই সকল বেধর্মী কে ও মুসলিম বাহিনী হেফাজাত করতে বাধ্য হয়ে যায় কালেমা উচ্চারণ করার কারণে।  

কিন্তু তাদের সেই বিপদে পরে কালেমা পাঠ করে মুসলিম বাহিনী থেকে ও নিরাপত্তা তো পায় , কিন্তু আল্লাহ পাকের কাছে কি তাদের সেই মোনাফেকাত গোপন থাকে ? নিশ্চয় থাকে না. /


তারা সেই দিন এই মোনাফেকাতের শাস্তি অবশ্যই পাবে।  

ঠিক এমনি অনেক মুসলিম ও আছেন যারা মুসলিম ঘরে জন্ম নিয়েছেন , মসজিদে যান নামাজ ও পড়েন রোজা ও রাখেন নিজেকে মুসলিম হিসেবে প্রকাশ  করার জন্য।  আর সেই কারণে তারা মুসলিম সমাজে মুসলিম হিসেবেই গণ্য হয়ে থাকে , আর মুসলিম হিসেবে সকল সুযোগ সুবিধা ও ভোগ করে থাকেন। 

কিন্তু তাদের বিশ্বাস দৃর থাকে না. শুদু নিজের ফায়দার কারণে এমন করে থাকেন। এমন ইমান আপনার হুয়তো দুনিয়ায়র জীবনে অনেক ফায়্দামন্দ হতে পারে।  কিন্তু আল্লাহর কাছে তা কোন কাজে আসবে না. 


গুনিয়াতুত তালেবিন কিতাবে হযরাত বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানি কাদ্সর্হুল আজিজ রাহমাতুল্লাহে আলায়হে লিখেছেন যে ;- কিয়ামতের দিন আল্লাহ আল্লাহ ৩ প্রকার লোক কে ডাকবেন  (১) আলেম (২) শহীদ (৩) দানী বেক্তিকে /


আর আল্লাহ বলবেন আলেমকে তুমি কি করেছ  দুনিয়ার বুকে ? 

আলেম বলবে যে ইয়া আল্লাহ আমি তো সারাজীবন মসজিদের  ইমামতি করেছি।  লোকদের কে ওয়াজ ও নসিহত করেছি।  ইসলামের শিক্ষা দিয়েছি।  


ফেরেস্তারা সাক্ষী দিবে ; ইয়া আল্লাহ এ মিথ্যা বলছে।  আল্লাহ পাক ও বলবেন তুমি মিথ্যা বলছ।  কারণ তুমি মসজিদে ইমামতি , লোকদের কে ওয়াজ নসিহত , ও শিক্ষা দিয়েছো এই কারণে যে যাতে তারা তোমাকে বড় আলেম ও ইবাদত গুজার লোক বলে।  আর সাধারণ লোকেরা তা বলেছে ও মেনেছে আর তুমি ও তাই পেয়েছ যা তুমি চেয়েছিলে।  তুমি আমার জন্য এসব কিছুই কর নাই./ তাই তোমার জন্য আমার কাছে কিছুই নাই। 


তখন তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।  


আজ আমাদের মাঝে এমন কোটি কোটি লোক আছে আর হাজারো আলেম। যারা মানুষ কে ডাকে নিজেকে বড় করার জন্য।  নিজের ইলম ও ইবাদত প্রকাশ করার জন্য।  মানুষের বাহবা কুড়ানোর জন্য।  আর তারা এই দুনিয়ায়র বুকে তা পেয়ে থাকে।  


আল্লাহ পাক বলেছেন তোমরা যার জন্য ইবাদত করবে তাই তোমাদের কে দেয়া হবে।  যে দুনিয়ার জন্য ইবাদত করে মানুষ কে দেখানোর জন্য আল্লাহ তাকে তাই দান করেন। আর আল্লাহর কাছে তার জন্য কিছুই  থাকে না. / 


তাই আমাদের উচিত এই রকম মুখে কথা বলে অন্তরে প্রত্যয় সৃষ্টি না করে ইবাদত করে ও লোকদের  মাঝে ওয়াজ নসিহত করে কোন লাভ হবে না।  কারণ আপনার নিজের ও ফায়দা  হবে না আর না আখেরাতের , আর আপনার কথা সুনে মানুষ তো বাহবা দিবে কিন্তু তারা হেদায়াত ও  প্রাপ্ত  হবে না।  


তাই এসব থেকে দুরে থাকায় উত্তম।  


চলবে 

মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০১৫

তাবলীগি দোর কে নবী পাকের সাথে তুলনা

ওহাবিদের মধ্য আক্কেল মন্দ কম আর বে-আক্কেল বেশি।  তাদের কিতাব পড়লে তাদের বিবেক বুদ্ধির পরিচয় পাওয়া যায়। আর ভিমের ঘোরে সপ্ন এদের দলিল ।

মানুষ যেমন ঘুম থেকে উঠে মাঝে মাঝে উল্টা পাল্টা কথা বলে ঠিক 
তেমনি একটা বিষয় ( মালফুজাত এ মাওলানা ইলিয়াছ) ৫৩ নং মালফুজাত এ বলেছেন যে :- তোমরা নবীদের মত মানুষের উপকার করার জন্য প্রেরিত হইয়াছ। 

এখন কথা হচ্ছে নবীদের মত কি কোন নবীর উমমত হতে পারে ? 
নিজেকে কি আপনি বলতে পারবেন আমি নবীর পাকের মত ? 
তবে হা  , আপনাদের আলেম কাশেম নানুতভী তো এ ও বলেছেন যে উমমত নিজ ইবাদতের দ্বারা কখনও কখনও নবীদের কে ও পিছনে ফেলে যায়(নাউযুবিললাহ ) 

যে বেক্তি বিশ্বাস করবে সে নবীর মত তার কি ইমান থাকবে ? 
নবী পাক বলেছেন ;- লাসতুকা আহাদিম মিনকুম ;- আমি তোমাদের কারো মতই না। 

তারা আর একটা কথা বলে আমরা তো ভাল কথা বলি।  সবাই কে নামাজের জন্য ডাকি।  
আর একটা আয়াত কে দলিল দেয় যো উপরে দেয়া আছে কিতাবের পাচায়। ;- তোমাদের মধ্য এমন এক দল হওয়া উচিত যারা ইসলাম বা কল্যানের দিকে ডাকবে , সৎ কাজের উপদেশ মন্দ কাজে নিষেধ করবে . তাঁরাই প্রকৃত সফলকাম ও কামিয়াব। (আল ইমরান আয়াত ১০৪) 

এই আয়াত কে দলিল দেয়। 
আর বলে আমরা সেই শ্রেষ্ট উমমত ।

 তারা ডাকে আমাদের(মুসলিম) কে মসজিদে ঘুমানোর জন্য মুসলিম হয়ে তাদের দলে যেতে।  কিন্তু হিন্দু খৃষ্টান কে কোন দিন কি ডেকেছে ? যদি ডেকে থাকে তো প্রমান দিন।  

আর আয়াত কাদের জন্য ? সবাই কে এই কাজ করতে পারে ? 
না।  বরং এই কাজ কে আল্লাহ এক দল কে উদ্দেশ্য করে বলেছেন। এটা সবার জন্য।  কিন্তু তারা বলে আমরাই সেই দল। 

তাদের দাবির কোন মুল্য নাই।  কারন এই কাজ শুধু আলেম সম্প্রদায় ও হক্কানী পীর মাশায়েখ গন করে আসছেন।
এমন কি হাদিসে এ ও আছে উমমতে মোহাম্মদি এর আলেম গন বনীইসরাইলের নবীগনের মত(কারো যদি চুলকানি হয় তো তাদের কিতাব থেকে প্রমান করব) ।  তাঁরাই হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান কে দীনের দাওয়াত দিয়ে মুসলমান করেছেন।  মুসলমান ডেকে ডেকে মসজিদ ভর্তি করে নাই।  পিকনিক স্পষ্ট বানায় নাই।     আর নির্ভরযোগ্য তাফসীর থেকে তা প্রমানিত।  কেউ প্রমান চাইলে দিতে রাজী আছি আমি।  


তো বল এখন কোথায় তোমাদের ইমান আর কোথায় থাকে তোমাদের তাবলীগ ? 
যা কোন কাজে আসবে না।  

নবী পাকের শরীর মোবারক যারা চুরি করতে গিয়েছিল তারা ও নামাজ পড়ত, নামাজ পড়ে আর আল্লাহ করে যদি জান্নাত পাওয়া যায় তা হলে কিন্তু তাদের কে ও জান্নাত দিতে হবে আল্লাহ পাক কে।  
তাই শুধু নামাজ কালাম না।  বরং আকিদা ও বিশুদ্ধ হতে হবে।  এমন আকিদা থাকা সমীচীন নয় যে আমরা নবীর মত।  আর নবী আমার মত।  
আর যদি থাকে তো জাহাননাম তোমার যায়গা তা মনে রাখ।  


সোহেল রানা 

সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০১৫

মুসলিম ২ প্রকার ভন্ড ইলিয়াছ

বেদাতি তাবলিগ জামাতের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা ইলিয়াছ মেওয়াতি এর (মালফুজাত এ মাওলানা ইলিয়াছ ) এত ৪২ নং মালফুজাত এ বলেছেন যে ;- মুসলমান হচ্ছে দুই প্রকার , তৃতীয় কোন প্রকার নাই।  (১) যারা আল্লাহর রাস্তায় (তাবলীগের) বাহির হইবে।  (২) যারা তাদের সহায়তা করবে।  মালফুজাত নং ৪২


এখন আমার কথা হচ্ছে যে মাওলানা ইলিয়াছ সাহেবের প্রতিষ্ঠিত তাবলিগ জামাত , তা সকলের জানা আছে।
কিন্তু মাওলানা ইলিয়াছ সাহেবের আব্বা ও অনার বড় ভাই যিনি রশিদ আহমাদ গান্গুহী এর অন্নতম শিস্য চিলেন ও রশিদ আহমাদ গান্গুহী , কাশেম নানুতাভি , খলিল আহমাদ আম্ভাত্ভি দের সময় মাওলানা ইলিয়াছের তৈরী তাবলিগ ছিল না।  এই সকল ওলামায়ে দেওবন্দ এর গত হওয়ার পর এই বেদাতি তাবলিগ জামাতের শুরু হয়।

এখন আমার কথা হচ্ছে যে মাওলানা ইলিয়াছ সাহেবের বাবা , বড় ভাই , গান্গুহী , খলিল আহমাদ আম্ভাত্ভি , নান্তাভি তারা তো মাওলানা ইলিয়াছের গঠিত তাবলিগ কে সহায়তা করতে পারেন নাই/

তো তারা কি মুসলিম ছিলেন না ? তারা কি মুশরিক ছিলেন ?
আমার এই প্রশ্নের কারণ হচ্ছে মাওলানা ইলিয়াচ সাহেব বলেছেন মুসিল্মান ২ প্রকার বেতীত ৩ প্রকার নাই।  ১) যারা আল্লাহর রাস্তায় (তাবলিগে) বের হয় (২) যারা তাদের সহায়তা করে।
এ ছাড়া অন্যকেউ আর মুসলিম নাই।

তো মাওলানা ইলিয়াছ সাহেবের বাবা তো আর তাবলিগ জামাত কে সহায়তা করতে পারেন নাই।  তো তিনি আর আর মুসলিম থাকলেন মাওলানা ইলিয়াছ সাহেবের কথা মত ?
সেই সকল ওলামায়ে দেওবন্দ যারা তাবলিগ জামাত সুতু করার আগে মারা গেছেন তারা কি আর মুসলিম থাকলেন  ? মাওলানা ইলিয়াছ সাহেবের কথা  মত ?

আপনারা বার বার আপনাদের নিজেদের কিতাব থেকে ও নিজেদের কথার কারণে আমাদের হাতে জুতা পেটা হন।
এখন যদি তাই ধরা হয় যে মাওলানা ইলিয়াছের বাবা মুসলিম ছিলেন না , এমন কি সেই সকল ওলমৌএ দেওবন্দ ও মুসলিম ছিলেন না।
মুসলিম দের জন্ম হয়েছে তাবলিগ জামাত শুরুর পর থেকে।  আর বাকিরা ছিল মুশরিক   .
আর যদি তাই হয় এমন কি মাওলানা ইলিয়াচের বাবা যদি মুসলিম না হন ? তো মাওলানা ইলিয়াছ কি হারামি নয় ?
সেও সমল ওলামায়ে দেওবন্দের সন্তান গণ এমন কি মাহমুদুল হাসান গান্গুহী কি হারামারি নয় ?

জবাব দেন আমার যদি কোন হালালের সন্তান থেকে থাকেন।
আর হালাল আর দেওবন্দী আসমান আর জমিনের দুরত্ব বজায় রাখে মধ্যখানে।

সোহেল রানা



রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০১৫

অবরোধ না অনশন চাই।

আমাদের দেশে অনেক রাজনীতবিদ আছেন তারা কথায় কথায় দেশে হরতালের ডাক দেয় অবরোধের ডাক দেয়।
আর আমাদের পাশের দেশ ভারত এ অনেক রাজনীতিবিদ আছেন তাদের রাজনীতি কিন্তু অনেক আলাদা।
তারা অবরোধ বা বন্ধ না করে , করে থাকে আমরণ অনশন। সরকারের প্রতি দাবি উক্খাপন তারা জনসমুক্ষে এই অনশন করে থাকে।
আর আমাদের দেশের জামাত শিবির ইসলামের নাম যা করছে তা কিন্তু সুধ রাজনীতির অনেক উল্টো।   জামাত শিবির বলব না বরং দেশের সরকার পক্ষীয় দল ও জড়িত আছে।  তারা ভালো করে দালাল দের টাকা দিয়ে পেট পুরে খায় , কিছু তা মেরে দেয় চুপ করে , আর নিজের পারিশ্রমিক তো আছে সাথে অর্ধেক টাকার পেট্রল কিনে কাচ এর বোতল করে বানায় পেট্রল বম্ব।  আসলে এরা করে থাকে হুকুমের পালন মাত্র। এদের কাছে কোনো দল বা দেশ মূল উদ্দেশ নয়।
আমাদের দেশের বিগত দিনের প্রধানমন্ত্রী লম্বা অবরোধের ডাক দিলে ১৯ দিনে না কি ৩৫ মানুষ মারা যায়। বার্ন ইউনিট তো ভরে গেছে। কত কি জলেছে আগুনে তা আমার জানার বিষয় না।
আর গত কাল যে বেগম খালেদা জিয়ার ছেলে মারা গেল তো কেমন লাগলো বেগম খালেদা জিয়া কে ? বলবেন কি ?
ঠিক একই রকম কষ্ট হয়েছে সেই সকল মা কে।

আপনারা সেই সকল লোক যারা দেশের জন্য দেশের সম্পদ জালান , তাদের কে বলছি , আপনারা আজ দেশের জন্য বেগম জিয়া কে নিয়ে আমরণ অনশন করুন।
আর দাবি দিন সরকারের তত্তাবধায়ক নীতি মালাতে ফিরিয়ে যেতে।
আন্না হাজারী গান্ধিবাধি যদি পারে http://archive.prothom-alo.com/detail/news/181094

তো আপনারা কেন পারভেন না ? আন্না হাজারী , তিনি একজন গান্ধীবাদী নেতা হয়ে একাই দিল্লি কে বাধ্য করেছেন ৩ টা বিল পাশ করতে।
কারণ তিনি চাইতেন দেশের উন্নতি।
আজ প্রমান করুন ;- যে আপনারা ও দেশের জন্য অনশন করছেন।  দেখবেন দেশের ১৮ কোটি লোক আপনার পাশে এসে দাড়াবে। সরকার যদি সোজা হয়ে না নাম তো দেখবেন আবার জন্ম নিবে আর এক (ফকরুদ্দিন আহমাদ ) সব সোজা হয়ে , তা কিছু সময়ের জন্য হলেও।
আর জানি আপনারা পারবেন না   কারণ আপনারা যা করতেছেন তা টাকার জন্য , আর জারা টাকা দিচ্ছে তারা ক্ষমতার জন্য , দেশপ্রেম সে তো একটা পুরাই ধোকা।

তাই বলব যদি দেশকে ভালো বেশে  দেখাতে না পারেন তা হলে কারো ক্ষতি করবেন না।  

বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০১৫

আল্লাহ মন্দ কাজ করতে পারেন ওহাবি রা বলে

ওহাবীদের আল্লাহ মানুষ যা করতে পারেন তাই করতে পারেন।
ওহাবী দেওবন্দী দের প্রখ্যাত আলেম মাহমুদুল হাসান গান্গুহী লিখেছেন ;-মন্দ কার্যাদি সম্পাদনে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সক্ষম (আল জাহ্দুল মুকিল  ) ১ খ  পৃষ্টা ৮৩

তো দেখে নিন ওহাবীদের খোদা মন্দ কাজ ও করতে পারেন  . যেমন আর ১০ জন মানুষ মন্দ কাজ করে যেমন মদ্য পান , গাজার কল্কিতে লম্বা টান , যেনা আর অপপহরণ, জুলুম আর নির্যাতন।
আমার মতে এদের খোদা ও আমাদের খোদা এক না যদিও নাম ও গুনে এক মনে  করা হয়।
আপনি নিজেই বলুন  খোদা ও কি মন্দ কাজ করতে পারেন ? আপনার খোদা কি এই সকল দোষ ও ত্রুটি থেকে মুক্ত নয় ? জবাব দিবেন আপনি। আমার কাজ আপনাদের কাছে প্রশ্ন রেখে উত্তর চাওয়া।



আবার এই মাহমুদুল হাসান গান্গুহী লিখেছেন ;- অন্যান্য মন্দ কার্যাদির মত মিথ্যা বলা ও সম্ভব বলে সত্য পন্থী এমাম গন গ্রহণ করেছেন ( আল জাহাদুল মুকিল ) ১ খ পৃষ্টা ৪৩/

আমি সকল দেওবন্দী দের কাছে জবাব দাবি করছি যদি কোন হালালের সন্তান থেকে থাকেন তো আমাকে প্রমান দেখান কোথায় আর কোন সেই সত্য পন্থী আলেম  এই মত গ্রহণ  করেছেন যে আল্লাহ মিথ্যা কথা ও মন্দ কাজ করতে পারেন তাদের নাম ও রেফারেন্স দিন।



এদের আলেম খলিল আহমাদ আম্ভাত্বি তার কিতাব (বারাহিনে কাতিয়া ) তে লিখেছেন যে ;- আল্লাহর পক্ষে মিথ্যা বলা সম্ভব এই মাসালা তো কেউ বের করেনি।  বরং এটা পূর্ববর্তী আলেমগণের বিরোধপূর্ণ মাসালা।  তা আল্লাহ তায়ালার পক্ষে থেকে শাস্তি ঘোষণার পর তা ক্ষমা করে দেওয়া জায়েজ কি না।  ( বারাহিনে কাতিয়া ) পৃষ্টা ২


এই খানে লক্ষ্য করুন মাহমুদুল হাসান  গান্গুহী লিখেছেন আল্লাহ তায়ালা মিথ্যা কথা বলতে পারেন ও সকল মন্দ কাজ করতে পারেন তা সত্য পন্থী আলেমগণ গ্রহণ করেছেন।

আর মাহমুদুল হাসান গান্গুহী এর এর আগের আলেম বরং সকল দেওবন্দ আলেমগণের মাথার তাজ খলিল আহমাদ আম্ভাত্ভি লিখেছেন যে ইটা একটা বিরুদ্পুর্ন মাসালা।



তাই আজ থেকে জেনে রাখুন দেওবন্দী ওহাবীদের আল্লাহ ও আমাদের আল্লাহ এক না   .

সোহেল রানা 

সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৫

খোদা তায়ালা মিথ্যা বলতে পারেন । দেওবন্দি দের আকিদা

খোদা তায়ালা মিথ্যা বলতে পারেন । 

এটা আমার কথা না।  এটা হচ্ছে আমাদের দেশের তেতুল সফির পুর্বসুরী দের। 
যেমন ইসমাইল দেহলোভি (দেওবনদি ও আহলে হাদীস দের ইমাম)  লিখেছেন ;- সুতরাং আমরা মানি না যে আল্লাহ তায়ালা সত্তাগত ভাবে মিথ্যা বলতে অক্ষম। অন্যথায় ( যদি মেনে নেই মিথ্যা বলতে পারে না) একথা অনিবার্য হয়ে যাবে যে মানুষের ক্ষমতা মহান রবের ক্ষমতা থেকে ওনেক বেশি (রেসালায়ে এক রোযাহ) ফার্সী। পাকিস্তান মুলতান থেকে মুদ্রিত। পৃষটা ১। 

এই কথা টা একটু খেল দেখি। মিথ্যা বলা কি ক্ষমতাবান দের কাজ ? যে আল্লাহ যদি মিথ্যা না বলেন আর বানদা মিথ্যা বলে আল্লাহ কে পিছনে ফেলে যাবেন !
বান্দা এমন ওনেক কিছু করে থাকেন যা মহান আল্লাহ পাকের করা তার নিজের শান এর খেলাপ। যেমন আমরা বিয়ে করি মিলন করি বাচ্চা পয়দা করি। আল্লাহ পাক কি এসব করেন ? (নাউযুবিললাহ ) আপনার কথা মতে কি ওল্লাহ এই সকল ক্ষেত্র বান্দার পিছনে পড়ে গেলেন না ? 
এই জন্য বলি ওহাবি দের মাথায় গোবর আর চোখে দেখে ইংরেজ দের ডলার। 
জবাব দিবেন যদি কোন মাতের লাল থেকে থাকেন। 

ওহাবি দের ইমাম সানাউল্লাহ অনৃতসরী লিখেছেন ;- আল্লাহ তায়ালা মিথ্যা বলতে পারেন বলে বিশ্বাস করা  অবিকল ইমানই (আখবার এ আহলে হাদীস ) পৃষ্ঠা ২ , ২৭ আগষ্ট ১৯১৫

আল্লাহ মিথ্যা বলতে পারেন বলে বিশ্বাস করা যদি পুর্নাংগ ইমান হয় তা হলে তো বানদা দের মিথ্যা বলার কারনে তারা জন্নাত পাবে। কারন আল্লাহ ও মিথ্যা বলেন (নাউযুবিললাহ ) তো আমরা মিথ্যা বললে সাজা পাব কেন ? এটা কি যুলম নয় বান্দার প্রতি ? তবে আপনাদের মতে আল্লাহ পাক ও যুলুম করেন।  পরে কোন দিন লিখব এই বিষয়। 


আর এক পন্ডিত লিখেছেন যে ;- আল্লাহ তায়ালা মিথ্যা বলতে পারেন বলে বিশ্বাস করা কুফর নয় (সাম এ তাওহিদ ) পৃশঠা ১ 
তোর আল্লাহ মিথ্যা বাদি।   তোর বিশ্বাস ঠিকই আছে তোর আল্লাহর বিষয়।  আমার মালিক এই সরল না পাক থেকে মুক্ত।  

দেওবন্দি দের ইমাম ও কুতুব রশিদ গাংগুহী লিখেছেন যে ;- ইমকান এ কাযেব (আল্লাহর পক্ষে মিথ্যা বলে সম্ভব) এ অর্থাৎ যে যা কিছুর আল্লাহ তায়ালা নির্দেশ দিয়েছেন তার বিরুধিতা করতে পারেন। কিন্তু তিনি তা সেচছায় করবেন না । এ আকিদা আমার( ফাতওয়ায়ে এ রাশিদিয়া (১ খ পৃষ্টা ৫৫

আচ্ছা আল্লাহ আমাদের কি কি কি করার নির্দেষ দিয়েছেন ? নামায,রোযা,হজ্জ ,যাকাত,কালেমা, সদা সত্য বল।  আল্লাহ যা দেখে ক্রোধান্বিত হন তা না করা।  শিরক না করা। এমন ওনেক আছে।  

আচ্ছা আল্লাহ আমাদের কে যা কিছু করার নির্দেশ দিলেন আবার সেই সকল কিছুর বিরুধিতা করবে কেন ? 
এটা কি আল্লাহ পাক কে মিথ্যাবাদি ও ধোঁকাবাজ বলা হল না ? আবার বলেছেন যে তবে তিনি সেচছায় করবেন না।  আচ্ছা আল্লাহ কে মিথ্যা বলতে ও ধোকা দিতে বাধ্য করতে পারে এমন কে এমন কে আছে ? 
তার মানে হচ্ছে আল্লাহ কে একই সাথে , মিথ্যাবাদি ,ধোঁকাবাজ, ও আল্লাহ কে আল্লাহ বেতীত অন্য কেউ বাধ্য করতে ও পারে। 
আল্লাহ কে যে বাধ্য করবে নিশ্চিত সে আওলাক চেয়ে ক্ষমতাবান হবে।  আর এ ক্ষেত্রে কি গাংগুহির ইমান এখন ও আছে ? 

মোহাম্মদ ওবাইদুল হক।   জবাব দিবেন আমার কথা গুলোর যদি এক বাপের সন্তান হন। 

তবে কথা হচ্ছে আপনাদের মাঝে এক বাপের সন্তান খুব কম।  কারন উনচিললা দিতে গিয়ে তো বাড়ি খালি হয় আর থাক।  বললাম না।