রবিবার, ২৮ জুন, ২০১৫

আহলে মুহাব্ব্ত ও সুফীদের ইমান তত্ত্ব


বিঃদ্র ;- ইমান ওয়ালাদের  দেখলে আমার শরম করে তাই সকলে নিরদিধায় শেয়ার করুন ও দেখিয়ে দেন যে সুফীদের ইমান নামায পড়ে কপালে দাগ ফেলার নাম নয় । (আহলে মুহাব্বত) কাকে বলে দেখে নাও । 


ইমাম গাজালী (রহ) যদিও তিনি সুফী তবুই ওনার গ্রহনযোগ্যতা সকল মাসলাকের মধ্যই আছে । আর দেওবন্দিদের মধ্যে তো আছেই আছে এমন কি জামাতের লেখকদের মধ্যেও পাওয়া যায় গাজালী (রহ) এর প্রশংসা ও ওনার কথা দিয়ে কোন কিছু বর্ননা করা । 


আমি এই কথা গুলো এই কারনে বললাম যে আজ আপনাদের মায়ে একটা গুরুত্ব পুর্ন পোষ্ট তুলে ধরলাম।  যাতে কোন বিদ্বেষ নেই । নেই কোন অভিযোগ । নেই কারো জবাব। 

তবে হা যারা ইমানের জোর বেশি দেখায় তাদের দাঁত ঠিকই ভাংগা হল । 




ইমান হচ্ছে সেই আখরোট ফলের মত।  যার উপরে শক্ত একটা খোল।  সেটা  ভেদ করে ভিতরে গেলে থাকে সেই মগজ।  সেই মগজে যদি মেহনত করা যায় তা হলে সেখান থেকে তেল বের করা সম্ভব   অন্যথায় নয়   .

ঈমানের প্রকার ;- 

(১) অন্তরের মধ্যে কোন প্রকার প্রত্যয় সৃষ্টি করা বেতীত মুখে (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলা ) আজকের এই দিনে এরূপে উচ্চারণ করা মুসলিম কিন্তু কম নয়।  আর এরূপে উচ্চারণ করার মাঝে মোনাফেকরা বা বেদীন রা ও সামিল আছে।  হয়ত আপনি ও দেখেছেন কথার মাঝে কোন বেধর্মী ও কালেমা পরেছে।  আর যদি না দেখে থাকেন তো মনে করে দেখুন অনেক বেধর্মী আছে যারা যুদ্ধ ক্ষেত্রে মুসলিম মুজাহিদ বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মুখে কালেমা উচ্চারণ করে থাকে।  আর তখন সেই সকল বেধর্মী কে ও মুসলিম বাহিনী হেফাজাত করতে বাধ্য হয়ে যায় কালেমা উচ্চারণ করার কারণে।  

কিন্তু তাদের সেই বিপদে পরে কালেমা পাঠ করে মুসলিম বাহিনী থেকে ও নিরাপত্তা তো পায় , কিন্তু আল্লাহ পাকের কাছে কি তাদের সেই মোনাফেকাত গোপন থাকে ? নিশ্চয় থাকে না. /


তারা সেই দিন এই মোনাফেকাতের শাস্তি অবশ্যই পাবে।  

ঠিক এমনি অনেক মুসলিম ও আছেন যারা মুসলিম ঘরে জন্ম নিয়েছেন , মসজিদে যান নামাজ ও পড়েন রোজা ও রাখেন নিজেকে মুসলিম হিসেবে প্রকাশ  করার জন্য।  আর সেই কারণে তারা মুসলিম সমাজে মুসলিম হিসেবেই গণ্য হয়ে থাকে , আর মুসলিম হিসেবে সকল সুযোগ সুবিধা ও ভোগ করে থাকেন। 

কিন্তু তাদের বিশ্বাস দৃর থাকে না. শুদু নিজের ফায়দার কারণে এমন করে থাকেন। এমন ইমান আপনার হুয়তো দুনিয়ায়র জীবনে অনেক ফায়্দামন্দ হতে পারে।  কিন্তু আল্লাহর কাছে তা কোন কাজে আসবে না. 




ইমানের দ্বিতীয় স্তর ;- আল্লাহর প্রকৃত পরিচয় লাভ করার চেষ্টা না করিয়াই অন্যদের অনুকরন করিয়া কালেমা উচ্চারণ করা ও কালেমার অর্থের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা। এই পরযায় সাধারন সকল মুসলমানগন অন্তরভুক্ত । এই বিশ্বাস দৃঢ় হইয়ো গেলে উভয় জাহানে এর ফল লাভ হইবে। অবশ্য নবীগনের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন ও তাহাদের শিক্ষার অনুবরতি হওয়া ও এই বিশ্বাসের অন্তরভুক্ত। এই পর্যায়ের ব্যক্তিগন মারেফত পন্থিদের সমপর্যায়ের না হলেও আখেরাতে মুক্তি প্রাপ্ত দের মধ্য গন্য হবে বলে আশা করা যায়। 


তৃতীয় স্তর ;- এই কালেমার অর্থ যুক্তি প্রমান সহ অন্তরের মাঝে এমন  দৃঢ়মুল  হবে যে :- কালেমার অনুসারী কালেমার মর্মার্থের উপর সদা দৃঢ় থাকিতে সমর্থ হইবে । তিন তেরো উনচললিশ হয় এমন অভ্রান্ত সত্য । তাহার মাঝে ঠিক তেমনি যুক্তির কষ্টিপাথরে আল্লাহর একাত্ববাদের বিশ্বাস তাহার অন্তরে দৃঢ়মুল হইয়ো যাইবে । 
সে ওই ব্যক্তির মত হইবে না যে নিজে অংক জানে না কিন্তু তিন তেরো উনচল্লিশ হয় অন্যের কাছে শুনে বিশ্বাস করেছে আর এটা ও বিশ্বাস করেছে যে কম বেশি হয় না। 

গতকালের বর্নণা ও আজকের দ্বিতীয় বর্নণা থেকে ও তৃতীয় বর্ননা থেকে এটা বোঝা যায় যে ;- প্রথম লোক শুধু মুখেই বিশ্বাসী দ্বিতীয় প্রকার লোক শুনে ও শুনা মত করে বিশ্বাসী আর তৃতীয় প্রকার লোক মারেফত পন্থী । 

তবে এদের মধ্য মারেফত পন্থীই সবার উর্ধে। তবু ও এদের মধ্য কেউই কামেল না। 
কামেলের না এত সস্তা আর খুব কাছে এর রাস্তা।  

আজ কাল তো আলীম , ফাজিল এর পর কামীল এর সার্টিফিকেট দেয়া হয়। আর প্রতি বছর হাজার হাজার কথিত কামীল ছাত্র মাদ্রাসা পাশ করে বেড়িয়ে আসে। 
কিন্তু দেখা যায় তাদের মধ্য ইসলাম যেন একটা কথা মাত্র। 

আজকাল হাজার হাজার দরবারের খাদেম ও পীরদের নামের সাথে লেখা থাকে পীরে কামেল। 

কিন্তু কামেলের (ক) বুঝা যে ওনেক দুরের কথা তা যেন এদের কাছে খেলা হয়ে গেছে। 

এখন যদি কেউ হযরত ইমাম আবু হানিফা (রহ) এর আগে লিখে যে :-  হযরত খাজা , মুজাদদেদ, ইমাম আহলে সুন্নাত , ইমাম এ রব্বানী, এমন সহস্রাধিক লকব লাগায় তো আমার মনে হয় ওনার সামান্য ইজ্জত ও বৃদ্ধি পাবে না। বরং ওনার নামের সাথে এসব লকব লাগানো হলে লোকজন বিব্রত বোধ করবে। 

বরং ওনার নাম যদি শুধু ইমাম হানিফা (রহ) ও বলা হয় তা হলেই যথেস্ট ওনার ইজ্জত প্রকাশের জন্য। 

তাই আমি বলব যে যাকে তাকে কামেল বা এটা সেটা বলে আর লকবের হার গলায় চড়িয়ে দিবেন না। 


ইমানের ৪থা  স্তর :- আল্লাহর মারেফত লাভ হওয়ার পর তার সমস্ত সত্তা তাহার আল্লাহ তায়ালার অনুগত হয়ে যায়। এক মাবুদ বেতিত অন্য কাহারো প্রতি তার সামান্যতম অনুগত্য ও প্রকাশ পায় না । 
কোন কিছুর প্রতি তাহার আর কোন আকষর্ন থাকে না। 

যে সব লোক প্রবৃত্তির তাড়নার সামনে অসহায় . প্রবৃত্তিই প্রকৃত পক্ষে তার মাবুদ মাওলাতে পরিনত হয় । এ বিষয়ে আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জত সরাসরি বলেছেন ;- ঐ লোকদের কে কি তুমি দেখ নাই ? যারা তাদের প্রবৃত্তি কে নিজের মাবুদ  হিসেবে গ্রহন করেছে। 

মাবুদ তাকেই বলা হয় যার ইবাদত করা হয়। কর্ম জীবনে যার গোলামী  করা হয়। এক মাত্র তারই ধ্যানে  মত্ত থাকা হয় । 

মানুষ সকল সময় যার ধ্যান বা যার গোলামী করে ও যার ধ্যানে সর্বদা  মত্ত থাকে তারই গোলাম বা বান্দা তে পরিনত হয়। 

এই কথা যদি বুঝতে কষ্ট হয় তা হলে বলব মনে করুন আপনি ও হয়ত কাহারো পেটনীতি দেখে বলেছিলেন যে এ সালা হচ্ছে পেটের পুজারী। আর কিছু বুঝে না। 
সতি্য যদি কেই শুধু তার পেটের পুজা করে তা হলে সে কার পেটের গোলাম বা বান্দায় পরিনত হবে।  আল্লাহর কাছে তাহার জন্য আর কিছু থাকে না। 

আর যাদের ইমান এই চতুর্থ স্থানে এসে উপনিত হয় তাহারা আল্লাহ ছারা আর কোন কিছু এক পলকের জন্য  ও মনে করে না। 

এ থেকে বোঝা যায় যে ;- এ থেকে বোঝা যায় যে , যে সব লোকের প্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রন থাকে ও আল্লাহর সম্পুর্ণ অনুগত্য হয়ে যায় এক মাত্র তাদের কালেমা উচ্চারন করা যথেষ্ট ও যথার্থ হইয়া থাকে। 


আর নিজের প্রবৃত্তি নিজের নিয়ন্ত্রনে না এনে ও আল্লাহর সম্পুর্ণ বাধ্য না হয়ে এমন কালেমা পাঠ করলে কালেমার যথার্থ হক ও আদায় হয় না আর উচ্চারন কারি ও মিথ্যাবাদি প্রমানিত হইবে। 

কারন কালেমার হকিকত এর সাথে তার কর্মের কোন সামঞ্জস্য নাই। 

কসুলে আকরাম সাল্লেল্লাহু আলাইহিস সালাম বলেছেন ;- কালেমা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ সীকৃতি বানদা কে আল্লাহর আযাব থেকে ক্রোমাগত দুরে নিয়ে যাবে , যতক্ষন না সে দীনের উপর সে দুনিয়া কে প্রাধান্য দিবে। 

যদি কেউ কালেমা পাঠ করার পর ও সে দীনের উপর দুনিয়া কে প্রাধান্য দেয় তা হলে আল্লাহ তায়ালা বলবেন :- তুমি মিথ্যা বলছ। তোমার এই সীকৃতি অন্তঃসার শুন্য। এ মিথ্যা বেতীত কিছুই নয় । 


তাই এমন কালেমা পঠ কিয়ামতে কোন কাজে আসবে না যেমন আমরা অন্তরে প্রতিক্রয়া  ছারাই কালেমা পাঠ করে থাকি। 


কালেমা পাঠ করা সেই সকল লোকদের বেলায় শুধুই যথার্থ হয়ে যাহাদের আল্লাহর মারেফত লাভ হওয়ার পর আল্লাহর হুকুম আহকামের সামান্যতম খেলাপ করা চিন্তা ও করেন না। কাহারো প্রতি সামান্য অনুগত্য ও প্রকাশ করেন না । শুধু তাহাজের বেলায় কালেমা পাঠ করা যথার্থ হয়ে থাকে। 


তাই আমাদের উচিত প্রবৃত্তির গোলাম না হয়ে আল্লাহর গোলামী তে সম্পুর্ণ নিমজ্জিত হওয়া। 


ইমানের ৫ম স্তর:- কালেমার যোলাব দিয়ে অন্তর কে পবিত্র করা নয় , সকল প্রকার খায়েসাতের মুখে লাগাম দেয়া ও নয়। আল্লাহর সন্তুষ্টির বেতিত  অন্তরে যাহা কিছু আছে  তা নিস্ত ও নাবুদ করে দিয়ে এমন এক জীবন গড়ে তোলা যা কোন  প্রকার খায়েসাত ও গায়রুললাহ কে অনুসরনের সামান্যতম প্রবলতা ও অবশিষ্ট থাকে না। তার প্রতিটি চাল চলন যেন আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের  উদ্দেশ্য হয়ে থাকে। তার জীবন , কর্মপ্রচেষ্টা এমন কি অভিবেক্তি ও যেন আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনায় নিবেদিত হয়ে থাকে। 
সে যখন কথা বলে তখন এমন ভাবে বলে যা আল্লাহর সন্তুষ্টির কারন হয়ে থাকে । 
খাদ্য দ্রব্য আহার করিলে তার স্বাদ দেখার জন্য বা কাম প্রবৃত্তির জন্য খায় না , বরং সেই খানা খেয়ে যাতে আল্লাহর শুকরিয়া আদা ও ইবাদত করার শক্তি অর্জনের জন্য আহার করিয়া থাকে। 

মলমুত্র ত্যাগ করে এই জন্য যে এর দ্বারা মনমস্তিস্ক স্নীগ্ধ করে ইবাদাত বন্দেগী তে একাগ্রতা বৃদ্ধি করতে পারে। 

ঘুমায় ওই জন্য যে এর দ্বারা শক্তি সন্চয় করিয়া ইবাদাত বন্দেগী তে নতুন মাত্রা যোগ করিতে পারে। নিদ্রার বিলাস তাকে স্পর্শ ও করতে পারে না। 

সে বিয়ে করে নিজের কাম প্রবৃত্তির জন্য নয়। বরং সে বিয়ে করে নবী পাক সাল্লেল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লামে'র পবিত্র সুন্নাত পালনর্াথে  ও উম্মতে মোহাম্মাদির বংশ বৃদ্ধি পায় । 
প্রবৃত্তির তাড়নার অনুসরন বা নারী সংস্পর্শের স্বাদ অনুভব করার জন্য কখন ও নয়। 

এক কথায় উক্ত বেক্তির প্রত্যেকটি কাজ একান্ত ভাবে আল্লাহর ইচ্ছা সন্তুষ্টির জন্য নিবেদিত  হয়ে থাকে। 

বিগত দিনের চতুর্থ স্তরের বেক্তি গনের মধ্য ও ৫ম স্তরের লোকদের মাঝে বিশাল পার্থক্য আছে। 
 চতুর্থ স্তরের ইমানদার বেক্তি গন খায়েসাতের হামলা থেকে সম্পুর্ণ নিরাপদ হইয়ো পারেন না । কিন্তু তারা শুধু শরিয়াত বিরোধি খায়েসাতে থেকে মুক্ত। 

কিন্তু ৫ স্তরের ইমানদার বেক্তিগন সকল প্রকার খায়েসাতে থেকে সম্পুর্ণ মুক্ত এমন কি দুনিয়াবি চিন্তা থেকে ও ।

ইমানের ষষ্ট স্তর ;- তাওহিদের নূর শুধু মাত্র  তাহারে দুনিয়ার খায়েশাত থেকে দূরে রাখে না বরং আখেরাতের সুখঃ দুঃখ আশা ভয় থেকেও ভাল মন্দ থেকে ও  একেবারে বে খবর ও মোহমুক্ত করিয়া এক মাত্র আল্লাহর দিকে আকৃষ্ট  করিয়া দেয় ।

দুনিয়াতে বসবাস করা সত্তেও এই দুনিয়ার বিষয় তার মধ্য সামান্যতম অনুভুতিও অবশিষ্ট থাকে না । সকল কিছুর উর্ধে একমাত্র আল্লাহর দিকে আকৃষ্ট হইয়া সে তারই অনুগত্যের মধ্য নিজেকে বিলিন করিয়া দেয় ।
দুনিয়া ও আখেরাতে যা কিছু আছে তার সকল বিষয় থেকে দুরে সরিয়া এক মাত্র আল্লাহ তার চিন্তা ধারার ধ্যান ও সাধনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিনত হয় ।
আল্লাহ তায়ালার জাত ছারা অন্য কোন কিছুর অস্বতিত্ব ও উপস্থিতি সে ভুলিয়া যায় ।
সব কিছু থেকে আড়াল করিয়া একমাত্র আল্লাহর জাতের মধ্য নিজেকে বিলীন করিয়া দেয় , তেমনি তার নজর হইতে অন্য সব কিছু বিলীন হইয়া যায় । একমাত্র আল্লাহ ও আল্লাহর অস্বতিত্ব সে সব কিছুতে অনুভব করে ।
হাদীস শরিফের মর্মানুযায়ী ;- বল একমাত্র আল্লাহ আছেন , অন্য যা কিছু আছে তা সব ছার । এই কথার মধ্য নিজেকে ডুবাইয়া সব কিছু থেকে দূরে  চলে যান ।
এই অবস্থায় তার হল হয় এমন যে (-একমাত্র সেই সত্ত্বা ব্যাতীত অন্য সব কিছুই বিলীয়মান ।

এই বাণীর বাস্তব রুপ ( ফানা-ফিত-তাওহিদ) এর মধ্য বিলীন হইয়া যাওয়া বলে ।
এই হাল বা অবস্থায় বান্দা পৌঁছানোর পর পরম সত্তা ব্যাতীত অন্য সব কিছু এমনকি নিজের অস্বতিত্ব পরয্নত সে সব কিছু ভুলে যায় । 

যারা এই অবস্থায় পৌঁছানোর ক্ষমতা রাখে না তারা বলে যে এই অবস্থায় মানবিয় শক্তি নিয়ে কখনই পৌঁছানো বা মানব কখনও পৌঁছতেই পারবে না ও মোটেও সম্ভব পর নয় ।


তাওহিদের পরিপূর্নতা সম্পর্কে হাদিসে কুদসীতে পরিষ্কার ভাবে বলা আছে যে ;-নফল ইবাদতের মাধ্যমে বান্দা আমার নিকটবর্তি হতে থাকে ।শেষ পর্যন্ত এমন এক অবস্থা আসে যে তখন আমি তাকে ভালোবাসতে শুরু করি ।
আর যখন কোন বান্দা কে ভালবাসি তখন আমি তার কানে পরিনত হই , যা দিয়ে সে শুনে থাকে ।আমিই তার চক্ষুতে পরিনত হই যা দিয়ে সে দেখে থাকে , ও আমিই তার জ্বীহবায় পরিনত হই যা দিয়ে সে কথা বলে ।
(আমি সোহেল বলছি ;- যদি এমন হয় যে বান্দা আল্লাহর চোখ দিয়ে দেখে তবে তার কাছে কোন কিছুই গোপন থাকে না , আর যা পলে তাই হবে , কারন আল্লাহর জ্বীহবা দিয়েই তখন কথা বলা হয় , তাই আল্লাহ ওয়ালাদের কারামত হাজার হাজার শুনতে পাওয়া যায় )


৫ম স্তরের ইমান ওয়ালারা নিজেরা দেখেন শোনেন বলেন ও নিজেদের সম্পর্কে সচেতন থাকেন , কিন্তু তাহারা যা কিছু করেন তার সকল কিছুই আল্লাহ তায়ালা কে উদ্দেশ্য করেই করে থাকেন।  নিজের ইচ্ছা ও খুশি অনুযায়ি নয় ।

কিন্ত ৬ষষ্ট স্তরের ইমান ওয়ালাগল নিজের অস্বতিত্ব সম্পর্কে যেমন বে-খেয়াল থাকেন ঠিক তেমনি তাহাদের দেখা শোনা বলা সব কিছুই নিজেদের ইখতিয়ার (কর্তৃত্ব) বহির্ভুত হইয়া আল্লাহর পক্ষে হইতে সম্পন্ন হইতে থাকে ।
এবং সর্বত্র ও সব কিছুতে তাহারা আল্লাহ ও তারই উপস্থিতি বিরাজমান দেখিয়ে পান ।

এইখানে আর একটা বিষয় খোলা করে দেওয়া উচিত বলে মনে করছি যে ;- প্রথমত ও সকল লোক বলে থাকে এক আল্লাহ ছারা আর কোন মাবুদ নাই , আর ৪ ও ৫ নং ইমান ওয়ালা আরো একটু এগিয়ে এসে বলে যে আল্লাহ ছারা আর কারোই অস্বতিত্ব নেই । কিন্ত্ ৬ স্তরের যারা আছেল তারা বলেন যে ;- যেখানে যা কিছু দেখি তার সবগুলোর মধ্য শুধু আল্লাহ কেই ,আল্লাহ ছারা আর কোন কিছুই আর চোখে পড়ে না ।

প্রথম সারীর যারা আছেন তারা বলে যে আল্লাহ ছারা আর কোন মাবুদ নাই কিন্ত্ শেষ স্তরের যারা আছে তারা বলেন যে আল্লাহ ছারা আঁর কোন কিছুই মওজুদ নাই ।

শেষোক্ত বেক্তি যেহেতু প্রথমের সকল ধাপ পর্যায়ক্রমে পেড়িয়ে এসেছেন শেষের স্তরে তাই ওনার কাছে প্রথমক্ত সকল ইমান ওয়ালারা অনাড়ী হিসেবেই বিবেচিত , যেমন ১০০ টাকার সামনে ১০ টাকা অনাড়ীর মুল্যই পেয়ে থাকে সব সময় ।

ষষ্ট স্তরে যারা পৌছান তারা কার্যত বায্য ও জ্ঞান শুন্য হইয়া পতিত হইয়া যান ,এই অবস্থায় সাধারণত দুই ধরনের ভুল করিয়া থাকেন ।
কেউ কেউ মনে করেন যে তাহার আত্বা পরমসত্তার আত্বার স্বীয় পরিপূর্ন ভাবে একাভুত হইয়া  গিয়াছে , এমন কি নিজেরাই সেই সত্তায় পরিনত হইয়া গেছেন ।আল্লাহ ও বান্দার সকল পার্থক্য ঘুচিয়া গিয়েছে ।

আর দ্বীতিয়ত মনে করেন যে পরম সত্তার সহিত একাভুত হওয়া তো সম্ভব নয় , হয়ত পরমসত্তা তাহার মধ্য প্রবেশ লাভ করিয়াছেন ।
এই অবস্থায় বে-ইখতিয়ারিতেই বার হয় , আমিই পরম সত্তা (আনাল্ব হক্ব)

কিন্তু বে-ইখতিয়ারি অবস্থা হইতে যদি পার হইয়া ফিরিয়ে আসিতে পারেন তবে তিনি বুঝতে পারবেন যে আমি যা বলেছি আসলে তা যথার্ত নয় । কেননা আল্লাহ তায়ালা কোন রক্ত মাংসের দেহে প্রবেশ করবেন তা যেমন সম্ভব না ঠিক তেমনি দুনিয়ার জড় ও পদার্থের মধ্য তিনি একীভুত হবেন তাও কল্পনীয় নয় ।

এই ধরনের কথা বা অনুভূতি তাওহিদের চরম স্তরে অগ্রসরমান সাধক গনের সাময়িক একটা অনুভুতি মাত্র ।
যে অনুভুতি স্বাধক অন্তরে স্থায়ী হয় না । আর একটু অগ্রসর হলেই বিলীন হইয়া যায়।


মোট কথা হল , যাহারা এক আল্লাহ ব্যাতীত অন্য কোন মাবুদ কে স্বীকার করেন না , ও যাহারা এক পরম সত্তা ব্যাতীত আন্য কোন কিছুরই অস্বতিত্ব অনুভব করেন না তাহাদের দেয়া প্রথমত দের থেকে ওনেক ওনেক উপরে । এটাই চরম পাওয়া , এটা তাওহিদের সর্বোত্তম স্তর । ( মাকতুবাত ও গাজালী ) ৪০-৪৮ 


সমকামিতার সাগর দেওবন্দি

সমকামিতার সাগর দেওবন্দ 
বর্তমান ও বিগত দিনের দেওবিন্দী দের মধ্যে চরম সমকামিতার প্রভাব ছিল এমন কি এখনকার বিদ্যমান কৌমী মাদ্রাসা গুলু সমকামিতার অভয়াস্থল। আজকে এক নজরে দেওবন্দী দের বাপ দাদাদের ও বর্তমান সময়ের কিছু সমকামিতার বর্ণনা দেখুন।  

দেওবন্দী দের কিতাব (আরওয়াএ ছলাছা ) কিতাব এ ২৮৯ ন পেজ বলা হয়ছে যে একবার রশিদ আহমাদ ও কাসেম নানুতাভি ও তাদের সকল মুরিদ গণ উপস্থিহ ছিল আর রশিদ আহমাদ কাসেম নানুতাভি কে অনেক পিয়ার ভরা সুরে সুয়ে যেতে বললেন ৷ কাসেম সাহেব না সুয়েলে তিনি আবার বললেন এর পর কাসেম সাহেব সুয়ে পরলে রশিদ সেক্সি তার বুকের ওপর হাত রেখে তার পাশে সুয়ে পরেন যেমন একজন প্রেমিক ও প্রেমিকা সুয়ে থাকে ৷ এর পর রশিদ সাহেব তার বুকে হাত বুলাতে থাকেন আর কাসেম সাহেব বলেন এ কি করছেন আপনি ? এতো লোকের সামনে ? োকেরা কি বলবে ? রশিদ সাহেব বললেন ওদের যা খুসি বলতে দাও ৷
এই রশিদ আহমাদ গান্গুহী একজন দেওবন্দিদের মুজাদ্দেদ ও কাসেম নানুতাভি এদের হোজ্জাতুল ইসলাম ও দেওবন্দ মাদ্রাসার প্রতিষ্টাতা। এদের কাছ থেকেই শিখেছে সমকামিতা বর্তমান দেওবন্দী গণ।  

>মৌলভী রশীদ আহমদ গাঙ্গুহী একদা বলেন,আমি একবার স্বপ্ন দেখেছিলাম যে,মৌলভী মুহাম্মদ
কাসেম কনে রূপে সজ্জিত,তাঁর সাথে আমার
নিকাহ হয়েছে।
অতএব,স্বামী-স্ত্রী যেমন
একে অন্যকে ফায়দা দেয়,
আমরাও পরস্পর ফায়দা পাচ্ছিলাম’।(নাউজুবিল্লাহ)
{ তাযকিরাতুর রশীদ
২য় খণ্ড ২৮৭পৃষ্ঠা }
আর এদের সপ্ন গুলো দেখেন যেমন চরিত্র তেমন সপ্ন। 

>>দেওবন্দ মাদ্রাসার
প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা কাসেম নানূতুবী সম্পর্কে থানভী সাহেব লিখেছেন,
‘মাওলানা (নানূতুবী)
বালকদের সাথে হাঁসি-তামাসাও করতেন।
মাওলানা মুহাম্মদ
ইয়াকূব সাহেবের
শাহজাদা জালালুদ্দীন,
যিনি তখন সম্পূর্ণ
বালক; তার সাথে বড় হাঁসি-তামাসা করতেন।
কখনো টুপি নিয়ে নিতেন
তো আবার কখনো লুঙ্গি খুলে দিতেন’।
{ হিকায়াতে আওলিয়া,
২৮৭পৃষ্ঠা}

ছোট কচি কচি বাচ্চারা ও রেহাই পায় না এদের কুনজর থেকে।  

দেখুন (তাজ্কিয়াত আর রশিদ ) এ মৌলভি আশেক ইলাহী মারাঠি লিখেছেন জৈনিক মুরিদ তার পীরের কাছে গিয়ে বললেন যে মুরিদ কেমন হওয়া উচিত আর শায়েখ কেমন হওয়া উচিত। তো শায়েখ বলেন তুমি কাল এস আমি বলব। পরের দিন সেই মুরিদ আসলে শায়েখ তাকে একটা চিটি দেন আর বলেন যে ইটা প্রাপকের কাছে পৌছে দাও। এক মাসের পথ অতিক্রম করে সে চিটির প্রাপকের কাছে পৌছে দিল। চিটির প্রাপক একজন সুদর্শন বালকের সহিত অবস্থান করিত। চিটি তে লেখা ছিল যে তুমি এর অনেক খেদমত করবে ও নিজের কামরায় থাকতে দিবে আর তোমার সাথের সুদর্শন বালক কে তার সাথে থাকতে দিবে এমন কি সে যদি ওই বালকের সাথে সমকামিতায় লিপ্ত হতে চায় তাও করতে দিবে। চিটির প্রাপক অনেক আদর যত্ন করে সে বালক কে সব কিছু খুলে বলে সেই মুরিদের (চিটির বাহক) সাথে ঘুমোতে পাঠিয়ে দিল। তার মনে হটাথ সমকামের খেয়াল আসলো আর সেই যুবকের প্রতি আকৃষ্ট হল। (দেওবন্দী বলে কথা) এমন সময় তার শায়েখ তার হাতে আঘাত করলো। মুরিদ বুঝতে পারল যে ইটা আমার শায়েখ এর হাত ছিল যে আমাকে আঘাত করলো। পরে সে লজ্জিত হয়ে পরের দিন রওয়ানা হল শায়েখ এর দিকে।  
আসার পর শায়েখ কে বলল এবার বলুন মুরিদ ও শায়েখ কেমন হওয়া উচিত। শায়েখ বলল যে , মুরিদ এমন হওয়া উচিত যা তার শায়েখ বলে ওই চিটির প্রাপকের মত পালন করে , আর শায়েক এমন হওয়া উচিত যে গোনাহ থেকে নিজের মুরিদ কে রক্ষা করে। (তাজ্কিয়াতুর রশিদ পৃষ্টা ২৬৮?-২৬৯ , দেওবন্দী ও তাবলিগ জামাত ১৯১) 

এদের পীর সাহেবদের কে ও দেখুন এরা জানে যে এদের মনে এমন খারাপ খেয়াল আসে তাই মেরে মেরে এদের কে দূরে রাখার চেষ্টা করে গেছেন সেই সকল হক্কানী পীর গন। 

দেওবন্দী
এই সমস্থ ভন্ডরা নাকি আবার সুন্নীদের
সমালোচনা করে,তাদের মূল গুরুদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট হলো সমকামী করা !!!!!

এবার বর্তমান সেই সুত্রে কিছু নমুনা দেখানো হলোঃ
-------------------------
¤¤কওমী মাদ্রাসায়
সমকাম!¤¤

ইসলাম ধর্ম মতে সমকাম
একটি জঘন্য হারাম
কাজ হলেও বছরের পর
বছর এ অপকর্মটি অবলীলায় করে যাচ্ছেন
কওমী মাদ্রাসার
যৌনবিকারগ্রস্ত কিছু শিক্ষক।এদের
কবলে পড়ে প্রতিবছর
অনেক কওমী শিক্ষার্থী মাদ্রাসা ছাড়তে বাধ্য
হয় বলে জানিয়েছে কওমী মাদ্রাসার
একাধিক দায়িত্বশীল
সূত্র।তাদের মতে,
বাংলাদেশের কওমী মাদ্রাসাগুলো শুরুতে দারুল উলুম দেওবন্দের
সিলসিলা অনুসারে পরিচালিত হলেও বর্তমানে সেই দ্বীনি ধারা থেকে বিচ্যুত।এখন কওমী মাদ্রাসা মানেই ব্যবসা ও রাজনীতি।

**গত ৩ জুন ২০১৩ আশুলিয়ার হাফিজিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসার ৮ বছরের শিশু শিক্ষার্থী গোলাম রাব্বীকে বলাত্কারের পর হত্যা করে ওই মাদ্রাসারই শিক্ষক হাফেজ মাওলানা মোশাররফ হোসেন। এ ঘটনায় মাদ্রাসাটি থেকে শিক্ষার্থীদের ফেরত নিয়ে গেছেন অভিভাবকরা এবং দেশজুড়ে উঠেছে সমালোচনার ঝড়।

**অনুরুপভাবে ২০০৬
সালে সৈয়দপুর দারুল
উলম মাদ্রসার
শিক্ষক ও উক্ত মাদ্রাসার
মহাপরিচালক হারুন
রেয়াজীর ভাই মাওলানা ইসমাইল রেয়াজী উক্ত মাদ্রসার এক ছাত্রকে ধর্ষন
করে রক্তাক্ত করে।
পরে এলাকাবাসীর
তীব্র প্রতিবাদে মাদ্রসার
কমিটি সেই ইসমাইল
রেয়াজী কওমী শিক্ষককে হাজতে পাঠাতে বাধ্য
হয় শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক সমকামে বাধ্য করার ঘটনা কওমী মাদ্রাসায় নতুন নয়।
তবে বলাত্কারের পর
হত্যার ঘটনা এই
প্রথম।

**২০০৬ সালে মৌলভীবাজারের
দারুল উলুম মাদ্রাসার
এক ছাত্রকে জোরপূর্বক
সমকামে বাধ্য করায়
শিক্ষার্থীদের তুমুল
আন্দোলনের
মুখে মাদ্রাসা থেকে বের
করে দেওয়া হয়
প্রিন্সিপাল মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলামকে।

**২০১১ সালের ১৩ জুলাই নেত্রকোনার আটপাড়ার কুতুবপুরে এক
ছাত্রকে একটি রুমে আটকে রেখে বলাত্কার
করেন শিক্ষক জাকির হোসেন।

**২০০৫ সালে আঞ্জুমানে মুফিদুল ইসলাম মাদ্রাসার ৫ ছাত্র (যাদের বয়স ৮
থেকে ১০ বছর)
যৌননির্যাতনের অভিযোগে সূত্রাপুর থানায়
একটি মামলা করে।
পরবর্তী সময়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ননী গোপাল বিশ্বাসের
আদালতে দেওয়া জবানবন্দীতে তারা জানায়, এ ঘটনায় কয়েকজন সিনিয়র ছাত্রও
জড়িত। তদন্তে হোস্টেল সুপার মোসলেহ উদ্দিনের
জড়িত থাকার প্রমাণ
পায় পুলিশ।দেশের বিভিন্ন কওমী মাদ্রাসায়
এভাবে শিক্ষার্থীদের
ওপর যৌননিপীড়ন চলে আসছে যুগ-যুগ ধরে।তবে এসব খবর কমই আসে মিডিয়ায়।আসতে দেওয়া হয় না। ইসলামে সমকামের তীব্র বিরোধিতা ও শাস্তির কথা বলা হয়েছে।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ
নারীদের (বৈধভাবে) ছেড়ে পুরুষদের সঙ্গে কাম চর্চাকারীদের সীমালঙ্ঘনকারী উল্লেখ
করে তাদের ওপর
অগ্নি-পাথর বর্ষণের
কথা বলেছেন।

এমনকী হাদিস
শরীফেও নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম).
বলেছেন, যদি অবিবাহিত
পুরুষগণ ‘পায়ু-কাম’-এ
লিপ্ত হয়,তাকে পাথর-
ছুড়ে হত্যা করতে হবে।
(আবু দাউদ শরীফ
৪৪৪৮)।

তো বলেন এখন সোবাই এরা আসলে এদের মাদ্রাসা গুলো তে কি শিক্ষা দেয় ? এই যদি হয় এদের শিক্ষা তো বেড়ায় পার।  
আল্লাহ আমাদের কে হেফাজাত করুন এই সকল কুলাঙ্গার ও বদ চরিত্রের দেও-ভুত দের কাছ থেকে
 —   

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০১৫

পীর ধরার বিষয় জাকারিয়া সাহেবের মত

উক্ত কিতাবের ২০ পৃষ্টায় জাকাটিয়া সগেব লিখেছেন যে হজরত আবু ইয়াজিদ (রহ) বলেন অধাতিক লাইনে যার উস্তাদ নেই তার উস্তাদ সয়তান। (তাজ্কিরাতুল এহসান )১৬ নং পৃষ্টা। ইহ্য়ায়ে উলুমুদ্দীন কিতাবে ইমাম গাজালী সাহেব একটা হাদিস বর্ণনা করেছেন যে :-নবী পাক বলেছেন যে উম্মতের ইসলাহের জন্য নবীর দায়িত্ব যেমন তদ্রুপ মুরিদের ইসলাগের জন্য পীরের দায়িত্ব তেমন। (তাজ্কিয়াতুল এহসান ১৯ পৃষ্টা ) 
এখন তিনি নিজের কথা বলতে গিয়ে লিখেছেন যে আমাদের কে ভালো কথা ভালো লাগেনা। ইসলাম থেজে অনেক দুরে সরে এসেছি আমরা তাই কোরান হাদিস ওওবুজুর্গ দের কথা আমাদের দিলের মাঝে আচর করে না যতটা গান বাজনা নাটক নভেল ভালো লাগে। আমরা মাদ্রাসায় দু কলম পড়ুয়ারা বলে থাকি ইমাম গাজালী সাহেবের হাদিস জাল হয়ে থাকে। অথচ তার ও আমাদের ইলমের পার্থক্য করার ইলম ও আমাদের নেই অথছ ওনার বিষয় আমরা খারাপ মন্তব্য করে থাকি (শরীয়াত ও তরিকত কা তালাজুম ২০-২১ নং পৃষ্টা ) 
পীর মুরিদীর লাভ ;- শায়েখ আব্দুল আজিজ মুহাদ্দেস এ দেহলবী সাহেব কেবলা বলেন যে ;- হক্কানী বুজুর্গ গণ ও পীর মাশায়েখ গণ নবী (স) এর মৃত সুন্নাত পীর মুরিদী জিন্দা করার কারণে অনেক সওয়াব পাবেন এবং জারা মুরিদ হয়ে মৃত সুন্নাত কে জিন্দা করবেন তারা ও অনেক সয়াব পাবেন। (একটা মৃত সুন্নাত কে জিন্দা করলে ১০০ শহিদের সয়াব পাওয়া যায়। শরীয়াত ও তরিকত কা তালাজুম পৃষ্টা ২২। 



হজরত এমাম মালেক (রহ) তার জামানার মুজতাহিদ ইমাম গনের জন্য গর্ব ছিলেন এবং হজরত ইমামে মালেক (রহ) সে যুগের তরিকতের পীর মাশায়েখের ও অতি উত্তম ইমাম ছিলেন। (মুয়াত্তা ইমাম মালেক ২৯২ নং পৃষ্টা ) 
উপরে বর্ণিত কথাটা জাকারিয়া সাহেব তার কিতাব (শরীয়াত ও তরিকত কা তালাজুম ) এর ১৭ নং পৃষ্টায় তুলে ধরেন আর তার বেক্ষা করতে গিয়ে লেখেন যে ;-ইমামে মালেক (রহ) জাহেরী বাতেনি ইলম এর ইমাম ছিলেন এবং সে যুগের অধিকাংশ ওলামাগণের এমাম ছিলেন। আরো জেনে রাখা প্রজন যে ইমাম শাফেয়ী ও ইমাম হাম্বল (রহ) ইমাম মালেক (রহ) এর ছাত্র ও মুরিদ।অর্থাত মুজতাহিদ ইমামগণ ও তার হাতে বাইয়াত ও মুরিদ হয়ে ও মালেক (রহ) এর সহ্বতে থেকে জাহেরী ও বাতেনি শিক্ষা লাভ করেছিলেন। তার মূল ইলম হলো নবুয়াতের ইলম যার মাধমে তিনি বিশ্ব বাসীর বড় মুজতাহিদ ইমাম হয়েছিলেন। আর ইমাম মালেক (রহ ) বিসয় নবী পাকের হাদিস আছে যে মানুষ এই ইলম এর তালাশ করতে দূর থেকে দুরে যাবে কিন্তু মদিনার আলেমদের চেয়ে বড় আলেম কথাও পাবে না 

তো সকল মুজতাহিদ গনের কথা থেজে বোঝা যায় যে তরিকত ও শরীয়াত এক ও অভিন্ন। এর পর জাকারিয়া সাহেব লিখেছেন যে আমরা দুকলম মাদ্রাসা পড়ুয়ারা ইলমের ঠেলায় তরিকত কে চোখে দেখি না। অথচ মুজতাহিদ ইমাম গণ তারিকাতের ইমাম ছিলেন। তারা শরীয়াত ও তরিকত কে পার্থক্য করতেন না। তারা উভয় কে সমপর্যায় রাখতেন। (শরীয়াত ও তরিকত কা তালাজুম ) পৃষ্টা ১৭ 

১৮ নং পৃষ্টায় লিখেছেন যে ঈমাম মালেক (রহ) বলেন যে বেক্তি তাসাউফ ও পীর মুরিদীর ইলম হাসিল করলো কিন্তু জাহেরী ফিকাহ এর জ্ঞান হাসিল করলো না সে জিন্দিক। আর যে বেক্তি জাহেরী ফিকাহ এর জ্ঞান হাসিল করলো কিন্তু তাসাউফের জ্ঞান হাসিল করলো না সে ফাসেক। তবে যে বেক্তি উভয় ইলম হাসিল করলো সেই সত্যিকারের মমিন ও হক্কানী আলেম (ফাতহুল মুল্হিম ১ খ ১৬১ পৃষ্টা ,ফজলুল বাড়ি ১খ ৫৩০ পৃষ্টা ) (ইজাহুল মেশকাত ১খ ৬২ পৃষ্টা )


হজরত আনাস (রা) বলেন যে বাতেনি ইলমের অধিকারী পির ও মাশায়েখ গনকে খারাপ বল না। কেন না তাদের চরিত্র নবী গনের চরিত্রের মত হয়ে থাকে এবং তাদের পোশাক ও নবী গনের পোশাকের মত হয়ে থাকে। (কাশফুল'খফা ও মুজিলুল ইল্বাস ২ খ ৩৫১ পৃষ্টা। ) 


উক্ত কিতাবের ১০ পেজ এ তাবলিগীদের আজিম শায়খুল হাদিস জাকারিয়া সাহেব হজরত জাবের (রা;) এর একটা হাদিস বর্ণনা করেন যে রাসুলুল্লাহ সা; ইরশাদ করেছেন যে গাছের নিচে যে মুমিন সাহাবা গণ মুরিদ হয়েছেন তাদের কেউ জাহান্নামে যাবে না ৷ তিরমিজি সরিফ ২ য় খন্ডের ২২৫ নং পৃষ্টা

এই খানে জাকারিয়া সাহেব উপরে বর্ণিত হাদিসের বেখাতে বলেছেন যে সকল সাহাবী সেই দিন মুরিদ হয়েছিলেন নতুন করে মুসলমান হুয়ার পর আবার বায়েত গ্রহণ করেছিলেন তাদের কেউ জাহান্নামে যাবেন না৷ তাদের সাথে ওয়াদা করা হয়েছে তারা সবার আগে হাসতে হাসতে জান্নাতে চলে যাবে ৷ আহ মুরিদ নবী সা; এর সর্ণ তরিকা কতই না মূল্যবান ৷ হে আল্লাহ যারা মুরিদ হউয়ার ভেদ বোঝেনি তাদের কে আমল করার তৌফিক দান করুন ৷ (শরীয়াত ও তরিকত কা তালাজুম) পৃষ্টা নং ১০-১১ 
মুরিদ না হলে বেইমান হয়ে মরতে হয় ;- হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর বলেন রাসুল্লুল্লাহ (সা;) বলেন যে বেক্তি আল্লাহ ও তার রাসুলের অনুকরণ থেকে হাত সরিয়ে নিবে কেয়ামতের দিন তার নাজাতের জন্য কোনো দলিল থাকবে না ৷ আর যে বেক্তি মুরিদ হওয়া ছাড়া মরবে তার মিত্তু জাহেলি যুগের বেইমান লোকদের মত হবে ( মুসলিম শরিফ ২ খ ১২৮ প্রিষ্ট) 
বর্ণিত হাদিসের বেক্ষাতে জাকারিয়া সাহেব লিখেছেন যে ;- রাসুলুল্লাহ বলেছেন আল্লাহ ও তার রাসুলের অনুকরণ না করলে ক্ষমার কোনো দলিল থাকবে না তার পক্ষে কিয়ামতের দিন আর ও বলেন মুরিদ না হয়ে মরলে জাহেলিদের মত মিত্তু হবে ৷যেহেতু নবী পাক দাওয়াত ও তাবলিগ দ্বারা সকলকে মুরিদ করে ঈমানী শিখা দিতেন ৷ তাই তার ও আল্লাহ পাকের অনুকরণে মুরিদ না হলে জাহান্নামী হতে হবে ৷সুরা ফাতাহ এর ১০ নং আয়াতে আল্লাহ তায়ালা সকল সাহাবীকে মুরিদ করার ঘোসনা দিয়েছেন ৷ তাই মুরিদ করা ও মুরিদ হওয়া আল্লাহ ও নবীর সর্ণ তরিকা হিসেবে মর্যাদার স্থান পেয়েছে ৷ আর কোরান ও হাদিস দ্বারা ও তা প্রমানিত ৷ এভাবে মুরিদ না হলে আল্লাহ ও তার রাসুলের বিরোধী বলা হয়েছে ও তাদের কে অশিক্ষিত কাফেরদের মত জাহান্নামী বলা হয়েছে ৷ আর মুজতাহিদ ইমামগণ ও মুরিদ হওয়ার বিসয় কটর মনোভাব বেকত করেছেন ৷ (শরীয়াত ও তরিকত কা তালাজুম ) দেওবিন্দিদের আজিম শায়খুল ইসলাম জাকারিয়া সাহেবের লেখা পৃষ্টা no ১১ 



:- চার ইমামের মতে মুরিদ হওয়ার বিসয় ৷
হজরত ইমাম হাম্বল (রহ ) এর মতে ইমান হলো নবীর নবীর তরিকায় মুরিদ হওয়া ও নবীর আদেস নিশেদ পরিপূর্ণ ভাবে পালন করা ৷ মুরিদ হওয়া একটা বিসয় হলে ও ইমান ,ইসলাম , শরীয়াতের সকল বিসয় এর ভিতর আছে ৷ সুতরাং যে বেক্তি সরিয়াত মানবে না আর গোনাহ করবে সে তার মুরিদ হওয়ার সকল অঙ্ঘিকার ভঙ্গ করবে ৷ অবশ্যই তার ইমান ও কমতে থাকবে ৷ ( ফয়জুল বারী , সরহে বুখারী ১ খ ৪৮ নং পৃষ্টা 

জাকারিয়া সাহেব তার কিতাব (শরীয়ত ও তরিকত কা তালাজুম ) এর ১২ নং পৃষ্টা তে উপরের বর্ণিত ইমাম হাম্বল (রহ) এর কথা উল্লেখ করে তার বেক্ষাতে লিখেছেন যে ;- মুজতাহিদ ইমামগণ মুরিদ হওয়াকে ঈমানী বিসয় বলে আখ্যায়িত করলেন ৷ কারণ তাদের কাছে বায়েত ও মুরিদ হয়ায়াই ছিল ঈমানী বিসয়৷ আজকাল কাদিও আলেমগণ বায়াত হওয়ার বিসয় গুরত্ব দেন না৷ কেন না হতে পারে বায়েত হওয়া ছাড়াই তারা ইমান হাসিল করেছেন ৷তাদের কবরে তারা জবাব দিবে এবং আমাদের কবরে আমরা জবাব দিব ৷ তাই আমাদের উচিত কোরান ,হাদিস ও মুজতাহিদ ইমামগণের অনুসরণ করা৷ ইমাম গনের মতের বিরোধিতা না করা৷ কেননা কোরান বলে বায়েত হলে আল্লাহর সন্তুষ্টি পাওয়া যায় ৷ আর হাদিস বলে বায়েত না হলে বেইমান হয়ে মরতে হয় ৷ আর মুজতাহিদ ইমামগণ ও ফেকাহ শাস্ত্র বলে বায়েত হওয়াই হল আসল ঈমানী বিসয়৷ সতরাং মুমিনের কর্তব্য হলো কোরান , হাদিস , মুজতাহিদ ইমাম গনের অনুকরণ করা৷ তা হলেই সত্যকারের দীন ও ইমান হাসিল হবে ৷ শরীয়াত ও তরিকত কা তালাজুম পৃষ্টা নং ১২
উক্ত কিতাবের ১৩ নং পৃষ্টাতে জাকারিয়া সাহেব লিখেছেন যে ইমাম আবু হানিফা (রহ) এর মতে ফেকাহ ও শরীয়াত অর্থাৎ জাহেরী ও বাতেনি ফেকাহ ও সরিয়াত হলো নফসের উপকারী ও ক্ষতিকর বিসয়-বস্তু সমূহের ইলম হাসিল করা( এর দ্বারা ইশারা হলো বাতেনি ইলম ও তাসাউফের ইলম হাসিল করা) 
এর বেক্খাতে লিখেছেন যে :- হানিফা (রহ) সয়ং নিজে একজন পীর ছিলেন ৷ তিনি বাতেনি ইলমের ইমাম ও ওনেক বড় বুজুর্গ ছিলেন ৷ কেননা তার ফেকার এ সংগা দ্বরা তিনি ইলমে বাতেনি ও তাসাউফ্কে শরীয়াতের আসল ও মুলবস্তু মনে করতেন ৷ কেননা সুলুক বা এহসান অথবা পীর মুরিদী ও তাশাউফেরই বাতেনি ইলম দ্বারা নফসের ভালো মন্দ বিসয় সমূহের আলোচনা করা হয় ৷ আর খারাপ চরিত্র সমূহ দুউর করে উত্তম চরিত্রসমূহ হাসিল করতে হয় ৷ কেন না ইমাম আবু হানিফা (রহ) সয়ং ব্কজন হক্কানী পীর ও শায়েখ হওয়ায় সে যুগের সকল পীর ও মাশায়েখদের সর্দার ছিলেন ৷
যেমন ফাতহুল মুল্হামে এর ১ খ ১৬৩ নং পৃষ্টায় বর্ণিত আছে যে হজরত এমাম আবু হানিফা (রহ ) বলেন কিছু নাস্তিক লোক আল্লাহ পাকের অস্তিত্ব সমন্ধে প্রশ্ন করলে তিনি বললেন যে আমি একটা ঘটনা সুনে চিন্তিত হয়ে পরেছি তা তোমরা ও শোন। লোকেরা আমাকে বলল যে একটা বেবসার মাল ভর্তি নৌকা যার কোনো মাঝি মাল্লা নাই যার কোনো রক্ষক নাই। সে নৌকা খানি মাল পত্র নিয়ে একা একা চলাফেরা করে এবং সমুদ্রের তুফান পেরিয়ে একা একাই গন্তব্যে পৌছে যায়। সে নৌকার হেফাজত কোনো মানুষ করে না এবং সে নৌকাকে কোনো মানুষের চালানোর প্রজন পরে না। এই কথাকসুনে নাস্তিক রা বলল যে এই 
কথা কোনো জ্ঞানী লোক বলতে পারে না। তখন ইমাম সাহেব বলেন ধংস হয়ে তোমরা আর তোমাদের বিবেক। একটা সামান্য নৌকা যদি তার মাল পত্র নিয়ে নিজে নিজে চলতে না পারে তা হলে এই পৃথিবীর বুকে এত কিছু নিয়ে পৃথিবী টা কি ভাবা একা চলতে পারে ? তখন সকল নাস্তিক তওবা করে ইমাম সাহেবের হাতে মুরিদ হয়ে মুসলিম হন।  
উক্ত উদাহরণ এর বেক্ষাতে জাকারিয়া সাহেব লিখেন যে আল্লাহ পাকের (রহ ) কোনো অলি ছাড়া করো কাছে আসে না। আর তিনি আল্লাহ পাকের একজন অলি ছিলেন বলেই অনার কথা সুনে নাস্তিক রা ও তার হাতে মুরিদ হওয়ার মাধমে ইসলাম খুঁজে পেত। এমাম আবু হানিফা একজন বাতেনি ইলমের ওলি হওয়ার কারণেই সে যুগের সকল লোক তার দিকে ধাবিত হত ও মশলা জিগ্গেস করতে অবাস্ত ছিল। অথচ আমাদের মত অজ্ঞ লোকের কাছে ইমাম আবু হানিফা একজন ফকিহ মাত্র। তাসাউফ ও সুলুকের কোনো বিসয় আমরা দেখতে পাই না তার ভিতর। কারণ আমরা নিজেরাই তাসাউফের সতেউ হয়ে দাড়িয়েছি। আল্লাহ আমাদের কে মুজতাহিদ ইমাম গনের আসল ইলম বোঝার তৌফিক দান করুন। (শরীয়াত ও তরিকত ক তালাজুম ) পৃষ্টা নং ১৪ 
এর পর জাকারিয়া সাহেব লিখেন যে আমাদের নিকট ইলম বাতেনি কোনো নতুন বিসয় নয়। বরং তা নবী ,সাহাবী , তাবেয়ী, মুজতাহিদ এমাম গণ ও হকপন্থী অলি আওলিয়া দের মাধমে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পরিচালনা করে আসছেন। হয়ত নবী পাকের জামানা থেকে ১৪০০ বছর দুরে থাকার কারণে আমরা তা পাকন করতে সক্গম না ও বোঝার যোগ্যতা ও রাখি না। সে জন্য আমাদের কাছে মনে হয় তাসাউফ মুজতাহিদ ইমামগণের বেলায় ছিল না। অথচ মুজতাহিদ ইমামগণ সেই সময়কার সব চেয়ে বড় অলি ছিলেন তাসাউফের শায়েখ ছিলেন। (শরীয়াত ও তরিকত ক তালাজুম ) পৃষ্টা ১৪ 

উক্ত কিতাবের ১৮ নং পৃষ্টা তে দেওবন্দী তাবলিগীদের শায়খুল হাদিস জাকারিয়া সাহেব লিখেছেন যে :-ওনেকে প্রশ্ন করে থাকেন হাদিসে পীর মুরিদীর বিষয় এত বেশী গুরুত্ব দেয়ার পর ও মুজতাহিদ ইমাম গণ এ বেপারে কিছু বলেন নাই কেন ? তাতে মনে হয় ইসলামে পীর মুরিদীর তেমন কোন গুরুত্ব নাই। যদি সত্যি গুরত্ব থাকত তা হলে মুজতাহিদ ইমামগন অবশ্যই কিছু না কিছু বলতেন। 

এই প্রশ্নের উত্তরে জাকারিয়া সাহেব বলেন যে তাসাউফ ও পির মুরিদীর বিষয় চার ইমামের যে কথা গুলো বর্ণিত করা হয়েছে (পর্ব ৩,৪,৫,দেখুন ) তা মনে হয় আমাদের জানা নেই। আর জানা থাকলে ও তা মানার মত মানুষিকতা আমাদের নেই। 
ইমামগন থেকে পীর মুরিদীর সপক্ষে এত সক্ত ও কঠিন সব্দ ও এর চেয়ে স্পস্ট ভাষা শুনেও যদি যথেষ্ট মনে না হয় তা হলে বুঝতে হবে কপালে ইসলাম আছে কিন্তু ইমান ও হেদায়াত নাই। এ ধরনের মানুষ নবীর জামানায় ও ছিল এখন ও থাকা অসম্ভব কিছু না।  

পৃষ্টা নং ১৯ তে লিখেছেন যে মুজতাহিদ ইমামগণ সব ধরনের হাজিস নিয়ে কথা বলেন না। তারা সুধু জাহেরী ফেকাহ নিয়ে আলোচনা করেন। যে বেপারে কোরান পাকের মাত্র ৫০০ আয়াত ও হাদিস থেকে মাত্র ৩০০০ হাজার হাদিস থেকে আলোচনা করেন। অথচ কোরানে পাকে ৬৬৬৬ টা আয়াত ও হাদিসে যে কত হাদিস আছে তা আল্লাহ পাক জানেন। তবে অলামাগনের মতে মোটা মোটি ৯-১০ লক্ষ্য সহিহ হাদিস বলে পাওয়া যায়।  
সুতরাং এটাই প্রমানিত হলো যে মুজতাহিদ ইমামগণ সকল আয়াত ও হাদিস নিয়ে কথা বলেন না। আর পীর মুরিদী যেহেতু বাতেনি ইলমের অন্তর্ভুক্ত ও এ বিষয় মানুষের অন্তরের মাসলা মাসায়েলের বেপার সেহেতু মুজতাহিদ ইমাম্গনকে দোষারোপ করা ঠিক না। সে বিষয় বাতেনি ইলমের ফিকাহ্বিদ গণ ও পির মাশায়েখগণ আলোচনা করে থাকেন। আর রশিদ আহমাদ গান্গুহী তার কিতাব (মাহমুদুস সুলুক )৫২ তে বলেছেন যার পীর নাই তার পির সয়তান। অর্থাত নবীয়য়ালা তরিকা দেখানোর জন্য যার পীর থাকেনা না তার পীর সয়তান হয়। সে শয়তান তাকে আপন রাস্তায় চালায়। কেননা যে মুরিদ না হয়ে মরবে সে বেইমান হয়ে মরবে। সুতরাং তার পীর সয়তান হলে দোষ কোথায় ? (শরীয়াত ও তরিকত কা তালাজুম ১৯ পৃষ্টা ) 



মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০১৫

জাতি নূর ও খালকি নূর ( রাহাত)

Rahat Hasan Rabby
এই নামটার সাথে আমার দীর্ঘ দিনের একটা মনমালিন্য আছে। যা পরবর্তিতে চরম আঁকার ধারন করে তার নিজের উগ্রপন্থী মনো ভাব ও আমার দাঁত ভাংগা জবাব ও মার প্যাচের কারনে । সে নিজেকে যে কি মনে করে তা আল্লাহ তায়ালা জানে । তবে আমি তারে কলুর বলদ ছারা কিছু মনে করতে পারছি না এই মুহুর্তে । 

গত দিনের পোষ্ট এ সে প্রথমেই লিখেছে যে ;-  ১) আসসালাতু আসসালামু অলাইকা ইয়া #নূর আল্লাহ। 

আপত্তি ;- নূর আল্লাহ যদি বলে থাকেন আপনি তো তা  হবে প্রকৃত পক্ষে আল্লাহরই নিজের ছিফাত । 

আর আমি হাদিসে পড়েছি নবী পাক বলেছেন যে ;- তোমরা আল্লাহর প্রতি সালাম প্রেরন করিও না।  কারন আল্লাহ নিজেই সালাম (ইয়া সালামু) তাই বলব আল্লাহর প্রতি সালাম পেশ করার নির্ভর যোগ্য দলিল দিবেন রেফারেন্স সহ । 

তার পোষ্ট থেকে ;- আল্লাহপাকের #জাতী_নূরের জৌতী এ বিষয়ে স্টেটাস দিবো।কারন কিছু সুন্নী মুখোশধারী শয়তান যারা রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহী ওয়া সাল্লাম এর শান ও মানের খেলাফ কথা বলে সুন্নীয়াতের দোহাই দিয়ে মানুষকে ধোকা দিচ্ছে #সিরাজনগরীর মত মুনাফেকের কথা শুনে।আরেক পাগল সূফীবাদকে জঙ্গীবাদে রুপান্তরের জন্য নিজে ফেসবুক মোজাদ্দেদ সাজছে যার কুরআন এবং হাদীস সম্পর্কে নূন্যতম এলেম নাই তাকাব্বুরী আর বড় বড় বুলী ছাড়া। ।

জবাব ;- যাক। একটু হলেও লাইনে এসেছে যে আল্লাহ পাকের জাতি নূরের জ্যোতি বলেছে নবী পাক কে । 
এর পর সিরাজ নগরী সাহেব কে বলেছে মোনাফেক । 

আসলে প্রকৃত পক্ষে সিরাজ নগরী সাহেবের কথা আমি শুনি ও না আর মজার কথা হচ্ছে আমি ওনার পুরা নাম ও জানি না । 

এর পর বলেছে যে আমি সুফীবাদকে  নাকি জংগিবাদে রুপান্তর করার জন্য মোজাদ্দেদ সেজেছি ।

কথা হচ্ছে যে ;- আমাদের সুফী দের যারা ইমাম তারা সকলে জংগি আছিল তার কথা মতে । আমাদের সিলসিলার লিষ্টে সবার উপরে নবী পাক ও ওনার পরে আছেন হযরত আবু বক্কর সিদ্দিক । 

আর হযরত আবু বক্কর সিদ্দিকের চেয়ে আর কে জংগি আছে ? আর থাকলেই বা তার মত কতজন আছে ? 

তাই আমরা মুশরিক ও আল্লাহ দ্রোহিদের সাথে জিহাদ ( আপনার কথা মতে জঙ্গীবাদ ) অবশ্যই জারি রাখব । 
কারন আমাদের ধর্ম এমন একটা ধর্ম যে ;- জেহাদ আমাদের জন্য ইবাদত । এবং আমরা এমন একটা ইবাদত থেকে দূরে থাকতে চাই না । আল্লাহ আমাকে জীহাদের ময়দানে কবুল করুন। 

এর পর সে নাকি মুল কথা শুরু করল ;- 
তার দলিল :- সুরা মায়েদা আয়াত নং ১৫ ;- ক্বাদ জায়াকুম মিনাল্লাহি নূরি ওয়া কিতাবুম মুবীন । 

আমি ব্যাথা করতে গিয়ে পোষ্ট বড় করতে চাই না । 
এই আয়াতে আল্লাহ তায়ালা নবী পাক কে নূর ও বলেছেন ও পবিত্র কোরান কে কিতাবুম মুবিন বলেছেন।  আমাদের এতে কোন দ্বিমত নাই। 

কিন্তু পরক্ষনে নিজেই কিছু যগা খিচুরি পরিবেশন করে লিখেছেন যে মিনাল্লাহি বলার কারেন এটা আল্লাহ তায়ালার নিজের জাতি নূর হয়ে গেছেন । 

জবাব: আমি বলব এখন যে আল্লাহ তায়ালা সুরা ইমরান এ জীব্রাইল (আ) কে  সরাসরি রুহুল্লাহ বলেছেন । তিনি কি আল্লাহর রুহ ছিলেন ? 
আদম সাফিউল্লাহ কে যখন তৈরি করলেন তখন আল্লাহ বলেছেন যে এর পর আমি আমার রুহ ফুকে দিলাম তার মাঝে । এই খানে কি আল্লাহ তায়ালা নিজের রুহ কেই হযরত আদম ( আ) মাঝে দিয়েছিলেন ? 

কোরানের আয়াত দিয়ে দিব এই বিষয় , কমেন্ট করে চেয়ে নিবেন রাহাত সাহেব।  যদি আপনার মায়ের স্বামী একজন হয় । 

মিনাল্লাহি এর মতলব এটাই হবে যে আল্লাহর পক্ষে  থেকে এসেছেন।  এর পর যদি বিশ্বাস না হয় তবে কোন নির্ভর যোগ্য তাফসীর কিতাব থেকে তার পুর্ন ব্যাথা পেশ করুন। আর জানি জন্ম আবার নিলে ও পারবেন না । 

আর আপনি আমাকে মুর্খ বলেছেন। 

আমি আসলেই মুর্খ। কারন একদিন হযরত মুসা (আ) তার উম্মাতের সামনে ওয়াজ নসিহত করছিল আর একজন লোক বললো যে নিশ্চয় আপনি এই দুনিয়ার মধ্য সব চেয়ে বড় ইলম ওয়ালা । তখন মুসা (আ) বলেছিলেন , হা , নিশ্চয় । তখন আল্লাহ বলেছিল যে তোমার উচিত ছিল এমন বলা  যে তা আল্লাহ তায়ালা ভাল জানেন। ও পরে মুসা (আ) কে তিনি হযরত খিজির (আ) কাছে পাঠিয়ে দেন । আর তিনি দেখতে পান  যে হযরত খিজির (আ) তার চেয়ে ওনেক জ্ঞানী ছিলেন । ( আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া) হযরত মুসা (আ) ও খিজির (আ) এর ঘটনা দেখে নিন। ১ম খন্ড । তাই আমি যে মুর্খ এটা মেনে নিতে আমার কোন আপত্তি নাই। আল্লাহ তায়ালা তা ভাল জানেন । 

এর পর সে দুটা কিতাবের রেফারেন্স দিয়ে লিখেছে যে ;- আল্লাহ তায়ালার নিজস্ব জাতী নূর নবী পাক (সা) 

যে দুইজন আলেমের বর্নানা দিয়েছেন আমি তাদের সেই কিতাবের পাতা গুলো নিজের গুলো  দেখার আশা প্রকাশ করছি । 
আর আশা করছি যে আমার আশা পুর্ন হওয়ার রাহ(ইন্তাজার) করতে হবে না  । কারন তিনি দিলদার আদমি হে ভাই।  বিগহার্ট বয় যাকে বলা হয় । 

আমি কিন্তু এখন ও কোন আপত্তি পেশ করি নাই জবাবের আশায় নতুন করে । এখন ও আমি তার কথা গুলো বিশ্লেষন করে যাচ্ছি । 

সে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা কে নূর বলেছে ও নূর কে দুই ভাগ করেছে , এক নূর গরম ও এক নূর বরফ বা ঠান্ডা । 
এরে একবার করেছে জাররা  ও একবার করেছে সাররা , বাবা আমি বলব তুই একটু খানি দাড়া । 
আমি ও  কিছু প্রশ্ন করি খাড়া খাড়া । তোমার হাল যেন না হয় সারা । 

আল্লাহ কি নূর ? 

 মুসলিম শরীফের ব্যাখ্যাগ্রন্থ “শরহে মুসলিম”
কিতাবের ১ম খণ্ডের ৯৯ নং পৃষ্ঠা  , ইমাম নবভী রহঃ উম্মতের ইজমাহ
উল্লেখ করে লিখেছেন যে,
ﻭﻣﻦ ﺍﻟﻤﺴﺘﺤﻴﻞ ﺍﻥ ﺗﻜﻮﻥ ﺫﺍﺕ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻟﻨﻮﺭ. ﺍﺫﺍ ﺍﻟﻨﻮﺭ
ﻣﻦ ﺟﻤﻠﺔ ﺍﻻﺟﺴﺎﻡ. ﻭﺍﻟﻠﻪ ﻳﺠﻞ ﻋﻦ ﺫﺍﻟﻚ. ﻫﺬﺍ ﻣﺬﻫﺐ ﺟﻤﻴﻊ ﺍﺋﻤﺔ ﺍﻟﻤﺴﻠﻤﻴﻦ. ﻭ ﻣﻌﻨﻲ ﻗﻮﻟﻪ ﺗﻌﺎﻟﻲ : ﺍﻟﻠﻪ ﻧﻮﺭ ﺍﻟﺴﻤﺎﻭﺍﺕ ﻭﺍﻻﺭﺽ ﻭ ﻣﺎ ﺟﺎﺀ ﻓﻲ ﺍﻻﺣﺎﺩﻳﺚ ﻣﻦ ﺗﺴﻤﻴﺔ ﺳﺒﺤﺎﻧﻪ ﻭ ﺗﻌﺎﻟﻲ ﺑﺎﻟﻨﻮﺭ ﻣﻌﻨﺎﻩ ﺧﺎﻟﻘﻪ ﻭ ﻗﻴﻞ ﻫﺎﺩﻱ ﺍﻫﻞ ﺍﻟﺴﻤﺎﻭﺍﺕ ﻭﺍﻻﺭﺽ ﻭ ﻗﻴﻞ ﻣﻨﻮﺭ ﻗﻠﻮﺏ ﻋﺒﺎﺩ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻟﻤﺆﻣﻨﻴﻦ .
“আল্লাহ তায়ালার জাত বা সত্তা নূরের বলা যাবেনা।
কারণ নূরেরও আকৃতি রয়েছে।অথচ
আল্লাহপাক দেহ বা আকার-আকৃতির গণ্ডী থেকে উর্ধ্বে। এটাই মুসলিম উম্মাহার সকল
উম্মতের মাযহাব। আর পবিত্র কুরআনে যে আয়াতে এবং যে সকল হাদিসে আল্লাহকে নূর বলা হয়েছে, তার অর্থ হল নূরের সৃষ্টিকর্তা, আসমান ও জমিনের
বাসিন্দাদের হেদায়াত দাতা এবং মুমিন বান্দাগণের
অন্তর সমূহ (হেদায়াতের আলোকে)
আলোকিতকারী।”
মুসলিম শরীফের ব্যাখ্যাকারক
সম্মানিত ইমাম, আল্লামা ইয়াহইয়া ইবনে শরফুদ্দিন
আন-নবভী রহঃ (জন্ম ৬৩০ হিজরী, মৃত
৬৭৭)-এর উপরোক্ত বক্তব্য দ্বারা পরিস্কার হয়ে গেল যে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার
মহান জাত বা সত্তাই নূরের নন।

এর পর ও যদি আল্লাহ তায়ালা কে নূর বলা হয় তবে তার আঁকার আকৃতি সকল কিছু সাব্যস্ত হবে । 
আর তিনি যে জাররা ও সাররা এর বর্ননা দিয়েছেন তার যেন নির্ভর যোগ্য রেফারেন্স দিয়ে বাধিত করেন আমাকে । 
কিন্তু যদি এটা বলা হয় যে এই দুনিয়া সকল কিছুর আধার বা প্রকৃত রহস্য সেই আল্লাহ তায়ালার নিজ জ্যোতি বা নূর থেকেই তাতে কোন মতভেদ নাই।  কিন্তু যদি আল্লাহ তায়ালার উপাদান নূর বলা হয় তো বেরা গাড়াক । 

তার পোষ্ট থেকে (- এখন আসুন মিরাজুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহী ওয়া সাল্লাম এ চলে যাই,,সিদরাতুল মুনতাহার একচুল উপরে জীবরাঈল আমীন যেতে পারবেনা কারন তার ৭০হাজার নূরের পাখা আল্লাহর তাজাল্লীতে জ্বলে ছাড়খার হয়ে যাবে।। 
আপত্তি ;- সিদরাতুল মিলতাহার একচুল উপরে জিব্রাইল আমীন যেতে পারবেন না  ও আল্লাহর তাজাল্লির কারনে জ্বলে যাবে জীব্রাইল আমীন। আমাদের এটা মান্য করতে কোন আপত্তি নাই।  তাই বলে এটা নয় যে জীব্রাইল (আ) যেতে পারতেন না সেখানে।  তিনি ঠিকই যেতে পারতেন যদি অনুমতি থাকত।  আল্লাহ পাকের কোন অনুমতি ছিল না জিব্রাইল (আ) এর উপরে যাওয়ার। আর অনুমতি ছিল না বলেই তিনি  জলে যেতেন ।  আর যদি অনুমতি থাকত তবে আল্লাহ তায়ালা সেই বন্দোবস্ত ও নিজেই করতেন যাতে জীব্রাইল আমীন উপরে যেতে পারেন । 

আর ৪ থা আসমানে হযরত ইসা (আ) আছেন ।
ইমাম গাজালী (রহ)র স্বীয় মজলিসে গাজালী বর্ননা হয়েছে যে ;- হযরত ইসা (আ) কে যখন ৪ থা আসমানে নেয়া হল তখন জিগ্গেস করা হল তোমার কাছে কি ? তখন তিনি বললেন আমার কাছে একটা লোটা আছে যা দিয়ে তিনি গোসল করছিলেন। তখন আল্লাহ বললেন যে তোমারে যখন নিয়ে আসা হচ্ছিল তখন তা ফেলে দিলে না কেন ? 

এখন ৪ থা আসমানেই থাক । এই কথা বলে ওনাকে ওখানেই রাখা ও আজ পর্যন্ত তিনি সেখানেই আছেন । ( মজলিস এ গাজালী ) 

কিতাবের পাতা দরকার হলে বলে দিবেন। দিয়ে দিব । 

তো হযরত ঈসা (আ)র সাথে ওই গায়ে পানি ঢালা লোটা না থাকলে হয়তো বা আল্লাহ ওনার কাছেই নিতে পারতেন।  
কিন্তু তিনি একজন নবী হওয়ার করানো আজ ও ৪ থা আসমানে আছান। আল্লাহ কি ওনার বসবাসের ব্যাবস্থা করেন নাই ? 

আর সকল ফেরেস্তাদের মধ্য জীব্রাইল আমীন সম্মানিত । তবু ও তিনি সিদরাতুল মিলতাহার অতিক্রম করতে পারেন নাই। 
সিদরাতুল মুনতাহার উপরে কোন ফেরেস্তা নাই ?  আর যদি থেকে থাকে তা হলে তারা কি জীব্রাইল আমানের চেয়ে উন্নত নূর থেকে তৈরি ? 
আর যদি তাই হয় তবে সেই নূরের ও বর্নানা নির্ভরযোগ্য কিতাব থেকে দেয়ার জন্য অনুরোধ করলাম। আর আমি জানি আপনি বড়ই রহম দিল ওয়ালা । 

ইমাম আহলে সুন্নাহ আহমেদ রেজা খান সাহেবের নামে কিছু প্রোপাগান্ডা করেছেন তিনি। আমি তার জবাব দিব।  তারা আগে তার তাফসির একটু তুলে ধরি যা মাদারেজুন নবুয়াতের নামে চালায় দেয়ার অবকাশ পেয়েছে ।

তা দেখুন ;-পরিশেষে আল্লাহপাকের আরেকটি ঘোষনা দিয়ে ইতি টানবো-"হু ওয়াল আখেরু ওয়াজ্জাহেরু ওয়াল বাতেনু ওয়াহু ওয়া বীকুল্লী শাইয়ীন আলীমুন"
শেখ আব্দুল হক মুহাদ্দিস-ই-দেহলভী রহঃ "মাদারিজুন-নবুয়াতে" এ আয়াতের তাফসীরে লিখেন অর্থাত্-"এ অলৌকীক শব্দাবলীর দ্বারা স্বয়ং আল্লাহ তা'আলা নিজ ইলাহীয়তের/জাতের প্রশংসা করেছেন এবং তিনি সকল দোষ ত্রুটিমুক্ত,সে সম্বন্ধে কুরআনে নিজ কিবরিয়াইর মহিমা ঘোষনা করেছেন।
এতে স্পষ্টই প্রমাণিত হলো যে,রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহী ওয়া সাল্লাম হলো আল্লাহপাকের আসমা-ই-হুসনা ও #জাতেরছায়া।
আপত্তি; আমার কাছে মাদারেজুন নবুয়াত কিতাব আছে। ১-৮ পর্যন্ত আছে। আপনি আপনার এই উপরে বর্নিত তাফসীরের রেফারেন্স করুন।  আর মজার কথা হচ্ছে মাদারেজুন নবুয়াত একটা সীরাত গ্রন্থ।  তাফসির নয়। যদি ১-২ আয়াতের তাফসীর করে ও থাকেন তার রেফারেন্স দিবেন আমাকে। নিজের চোখে দেখার মজাই আলাদা।  তাই নয় কি রাহাত সাহেব ? 

আর নিচে লিখেছেন যে ;- এতে স্পষ্টই প্রমাণিত হলো যে,রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহী ওয়া সাল্লাম হলো আল্লাহপাকের আসমা-ই-হুসনা ও #জাতেরছায়া।। 

এতে যে জগত খিচুরি প্রমান হয়েছে তাতে কোন সন্দেহ নাই। আজকে সাধারন ওহাবি রা আমাদের কে মুশরিক কোন বলে জানেন ? 

কারন আমরা ওনেকে আল্লাহর সীফাতের অধিকারী মনে করি নবী পাক কে । যেমন এই রাহাত সাহেব লিখেছেন (এতে স্পষ্টই প্রমাণিত হলো যে,রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহী ওয়া সাল্লাম হলো আল্লাহপাকের আসমা-ই-হুসনা ও #জাতেরছায়া।) 

নবী পাক নাকি আল্লাহ পাকের আসমা ই হুসনা  ও আল্লাহর জাতের ছায়া । এক মানে কি ? নবী পাক কি আল্লাহ পাকের সৌন্দের গুনে গুনান্নিত? 
নবী পাক কি আল্লাহ পাকের ছায়া ? এমন কথা যারা বলবে তারা কি করে মুসলিম ? 

এর পর  ইমাম আহমেদ রেজা খান সাহেবের নাত দিয়ে লিখেছেন যে ;- এবার সকলের পরিচিতি আলা হযরত আহমদ রেযা খাঁন রাঃ এর নাতখানা শুনি-"তুহে আইনি নূর তেরা সব ঘড়ানা নূরকা"
তিনি এভাবে বর্ননা করছেন-"মুহাম্মদ খোদা নেহী লেকীন খোদা সে জুদা নেহী
। 
আমাদের নবী অবশ্যই নূর ও ওনার বাচ্চা বাচ্চা নূর। এতে আমরা দ্বিমত প্রকাশ করি না । আর এটা ও অস্বীকার করি না যে (মুহাম্মদ খোদা নেহী লেকীন খোদা সে জুদা নেহী) 

এটা র অর্থ এটা নয় যে তিনি খোদার মতই । 

বরং আল্লাহ তায়ালা ওনাকে ওনেক বেশি মুহাব্ব্ত করেন ও নিজের বন্ধু রুপে কবুল করেছেন ও সকল আম্বিয়া কেরামের আগে তিনি সর্ব প্রথম সৃষ্টি ও ওনার থেকেই এই সকল কিছু আল্লাহ তায়ালা সৃষ্টি করেছেন । 
আর সেই নবী কে আল্লাহ কি করে নিজের থেকে দূরে রাখবেন ? 

তাই এমন বলা হয়েছে যে (মুহাম্মদ খোদা নেহী লেকীন খোদা সে জুদা নেহী।
আর এটাই সত্য । 

এটা গেল তার প্রথম দিনের জবাব।  সিরাজনগরী সাহেব কে মোনাফেক এটা সেটা ওনেক কিছু সে বলেছে তা লিখে আর পোষ্ট বড় করতে চাচ্ছি না।  যদি পারে তো জবাব যেন দেয় । 

চলবে ।

মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০১৫

মাজার যিয়ারত নিয়ে দেওবন্দিদের অপপ্রচারের জবাব তাদের কিতাব থেকে

বিঃদ্রঃ :- মসজিদ বিষয়ক হাদিস দিয়ে ও মাযার যিয়ারত বন্ধুর চেষ্টা ও খন্ডন তাদের কিতাব থেকে । রেখে দিন করি করে। কাজে দিবে । 

বাপের অবাধ্য হয় যারা তাদেরকে বলা হয় জারজ , কারন  বাপের হালালের সন্তান হলে ভাল কাজে বাপের অবাধ্য হবে কেন ? 

ঠিক সেই রকম বর্তমান দেওবন্দি চামারের জাতেরা , আমি অতীতেদের কে চামার বললাম না ।   

বরিতমান কিছু আর্বাচীন দেওর্রান্ডি বলে থাকে যে কবর জিয়ারতের নিয়ত করে বের হওয়া না যায়েয । 
আর তারা আমাদের ছুন্নি জামাতে ওলি আওলিয়াদের কবরের জিয়ারাত থেকে দূরে রাখতে চায় যেমন শাক দিয়ে কিছু লোক মাছ ঢাকতে চেষ্টা করে । 

কিন্তু মজার কথা হচ্ছে যে তাদের কিতাব (ফাজায়েলে আমলের ) ফাজায়েলে হজ্জ অধ্যায় পৃষ্টা নং ২২৭ এ লিখেছেন যে ;- হুজুর পাক বলেছেন যে ;- তিনটি মসজিদ ব্যাতীত অন্য কোন মসজীদের দিকে সফর করবে না , (১) হেরেম শরিফের মসজিদ (২) মসজীদে আকসা (৩) ও আমার মসজিদ (মসজীদে নববী ) 

কিছু সংখ্যক ওলামা প্লেন যে রওজা(তারা আমাদের কে বলতে বলে কবর, কিন্তু তাদের মাওলানা জাকারিয়া ঠিকই সম্মানের কারনে রওজা ব্যাবহার করেছেন)  পাকের নিয়তে বের হওয়া না যায়েয , যাইতে হবে মসজীদের নিয়তে । অবশ্য সেখানে পৌছিলে রওজা পাকের জিয়ারতে কোন সমস্যা নাই । তবে সম্মিলিত ওলামায়ে কেরামদের মত হইল শুধু নিয়ত করিয়া মসজিদ সফর করিতে হইলো এই তিন মসজিদ ব্যাতীত অন্য মসজিদের নিয়ত করিয়া যাওয়া নাযায়েয । ইহার অর্থ এই নয় যে এই তিন মসজিদ সফর ছারা অন্য যে কোন সফর না যায়েয । বরং হাদীসে আছে যে ;- আমি তোমাদের কে কবর জিয়ারাত করিতে মানা করেছিলাম , এখন তার অনুমতি দিতেছি , তোমরা কবর জিয়ারাত কর ।ইহা থেকে প্রমান হয় যে আম্বিয়া ও আওলিয়া কেরামদের কবর জিয়ারতের জন্য যাওয়া সম্পুর্ণ যায়েয ।তদুপরি হিজরতের সফর , জিহাদের সফর , তালেবে এলেমের সফরের ও অন্যান্য সফরের জন্য তাগীদ দেয়া হয়েছে (মাওলানা জাকারিয়া লিখিত কিতাব ফাজায়েলে আমলের হজ্জ অধ্যায় পৃষ্টা নং ২২৭ ) 

এখন কথা হচ্ছে যে এরাই (বর্তমান কুলাঙ্গার)'রা বলে যে কোন মাযার জিয়ারতের জন্য বের হওয়া না যায়েজ । কারন তিন মসজিদ ব্যাতীত সফর করতে নিষেদ করা হয়েছে । আমি তাদের এই খোড়ী যুক্তির খন্ডন করলাম তাদের কিতাব দিয়ে ।আর এটাও প্রমান করলাম যে এটা যায়েয ।

আর শুধু মাত্র মসজিদের নিয়ত করে ঘর থেকে সফরের উদ্দেশ্য বের হওয়া না যায়েয। এটা তোমাদের কিতাব থেকেই প্রমান করেছি উপরে । 

এখন আমাকে বল তোমরা যে তাবলীগ করতে বের হও তো তা এক মসজিদ থেকে অন্য মসজীদে রাত কাটানোর জন্য ।এটা কি ভাবে যায়েয  হল ? না কি নিজের বেলায় সকল আলেম ও বুযুর্গদের কে কচু দেখিয়ে চলেই যাচ্ছে ? 

আর তোমরা কি ভাবে নিজেদের কে দেওবন্দি দাবি কর ? যখন তোমরা তোমাদের কথার মাধ্যমে বুযুর্গদের মাথার পাগরি খুলতে তৎপর ? তাদের কথার অবাধ্য তোমরা । 

যদি হালালের সন্তান কেউ থেকে থাক তো আমার জবাব দিও।  আর যদি দিতে না পার তো কমছে কম নেড়ি কুত্তার মত ঘেউ ঘেউ করিও না ।
কিতাবের পাতা দিতে বাধ্য থাকলাম ।

রবিবার, ৩ মে, ২০১৫

দেওবন্দিদের মুখে কুলুপ এটে দিলাম (;

দেওবন্দিদের প্রখ্যাত একজন চামার । যে কিনা হিংসার বসবর্তি হয়ে ছুন্নি জামাত কে কটাক্ষ্ করে পোষ্ট করেছেন , তা যদি কেউ সুস্থ মস্তিস্কের কেউ পড়ে তা হলে দেখবেন যে এটা হিংসামুলক ছারা কিছুই নয় । 

তার কিছু মিথ্যা আপত্তির জবাব ;- টিপু 

সে তার পোষ্ট এ লিখেছে যে ;- ১৭৫২ সালে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোসনা করেছেন শাহ আব্দুল আজীজ (রহ) 

তার দেয়া তথ্যগুলো ভুল ও মন গড়া। তাদের কিতাব থেকেই আমি প্রমান দিলাম নিচে , শাহ আব্দুল আজীজ (রহ) কত সালে জীহাদ ঘোসনা করেছেন । 

জবাব ;- ১৮০৬  সালে শাহ আব্দুল আজীজ মুহাদ্দিসে দেহলবি রাহ. হিন্দুস্তানকে ‘দারুল হারব’ ঘোষণার মাধ্যমে এক বিপ্লবী ফতোয়া জারি করে ইংরেজ ও শিখদের বিরুদ্ধে জিহাদি আন্দোলন গড়ে তোলেন। সুত্র ;- তাদের কিতাব (দেওবন্দ আন্দোলন ) ইতিহাস ঐতিহ্য ও অবদান, বাংলাদেশ কৌমী শিক্ষা বোর্ড কর্তক পাঠ্য পুস্তক রুপে প্রকাশিত , পৃষ্টা নং -৯৭

কিতাবের পাতা দিতে চাইলে বাধ্য থাকলাম । 


২ নং ভুয়া কথা ;- টিপু সুলতান কে তারা নিজেদের আকাবের (পুর্বসুরী ) দাবি করে লিখেছে যে (----- তার (শাহ আব্দুল আজীজ রহ) এর ফতোয়ার সাড়া দিয়ে জিহাদের ডাক দেন ওলামায় দেওবন্দের পুর্বসুরী ফতেহ আলী উরফে টিপু সুলতান (১৭৫৬) সালে ।এবং মীর সাদেক নামের একজন শিয়া (তাদের মতে রেজভী) বেইমানি করেছিল ৯০০ মোরব্বা জমিনের আশায় । 

জবাব :- জবাবের আগে মজার কথা শোনেন (- টিপু সুলতানের জন্ম হচ্ছে ১৭৫০ সালে , তা হলে কি ৬ বছর পর যুদ্ধে গেল ? আমারে কেউ ধর। আগে এর পোষ্ট দেখে একটু হাসি । 

টিপু সুলতান (জন্ম: ২০ নভেম্বর১৭৫০ - মৃত্যু: ৪ মে১৭৯৯ ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের মহীশূর রাজ্যের শাসনকর্তা। তিনিএকজন বীর যোদ্ধা ছিলেন। ইংরেজদের বিরুদ্ধে তিনি বীরত্ব সহকারে যুদ্ধ করেন। তিনি তাঁর শৌর্যবীর্যের কারণে শের-ই-মহীশূর (মহীশূরের বাঘ) নামে পরিচিত ছিলেন।
সুত্র(১) ;- http://bn.m.wikipedia.org/wiki/টিপু_সুলতান
সুত্র ২);- সুত্র ;- তাদের কিতাব (দেওবন্দ আন্দোলন ) ইতিহাস ঐতিহ্য ও অবদান, বাংলাদেশ কৌমী শিক্ষা বোর্ড কর্তক পাঠ্য পুস্তক রুপে প্রকাশিত , পৃষ্টা নং ৯৬ 

আর উপরে মীর সাদেক নামের যে শিয়া এর কথা বলা হচ্ছে সে কোন দিন রেজভী ছিল না।  বরং সে শিয়া ছিল , তাকে আমাদের সাথে জড়ানো দুষমনি ছাড়া কিছুই নয় । আর যাদের অন্তর আর একজনের হিংসায় পরিপূর্ন তাদের উপর আল্লাহর লানত ।

এর পর লিখছে ;- তার পরে কার্যকরি ভুমি পালন করতে আসে ওলামায় দেওবন্দি পুর্বসুরী নবাব সিরাজ-উদ্দৌলা , সিরাজ উদ্দৌলার সাথে গাদ্দারী করেছিল  মীর জাফর নামের ব্রেলভী শিয়া । 

জবাব;- নাবব সিরাজ-উদ্দৌলা কে তারা নিজেদের আকাবের দাবি করল এই খানে , তার চরিত্র খারাপ ছিল তার ওনেক কিছু প্রমান আছে আমার কাছে। আমি মাঝ খানে সিরাজ-উদ্দৌলা কে । কিন্তু এই শিয়া মীর জাফর কোন দিন ব্রেলভী ছিল না।  বরং এই শিয়া কুত্তার ঘরে সাইয়েদ আহমেদ ব্রেহলবী জন্ম নিয়েছেন । তথ্য সুত্র আমার কাছে নাই। খুঁজতে হবে । 


 (৩) ভুয়া কথা ;- ১৮২৪ সালে রন্জিৎ সিং মহা ভারতে স্টিম রোলার চালায় , তখন জীহাদের ফতোয়া প্রদান করে ওলামায় দেওবন্দের পুর্বসুরী। সাইয়েদ আহম্মক ব্রেহলবী . 
এই জীহাদে কার্যকরি ভুমিকা পালন করেন ওলামায় দেওবন্দির পুর্বসুরী আব্দুল গনীর ছেলে শাহ ইসমাইল , এই জিহাদে বেইমানি করেছিল তকি আলী খান নামে এক কাফের । 
এই ত্বকী আলী খান ইমাম আহমেদ রেজা খান ফাজেলে বেরেলভী (রহ) এর দাদা 

জবাব;---- এই খানে একটা বৃত্তান্ত তুলে ধরি , 
কে এই সাইয়েদ আহমেদ ? 

লক্ষ্য করুন ;- the indian muslim কিতাবে তত্কালীন ইংলিশ জেনারেল ডব্লিউ ডব্লিউ হান্টার ৩ নং পৃষ্টায় লিখেছেন যে : পাঞ্জাব সীমান্তে বিদ্রোহের গোড়াপত্তন করে সাইয়েদ আহমাদ , কুখ্যাত এক দস্যুর অশ্বারোহী রূপে জীবন সুরু করে ও বহু বছর যাবত মালওয়া অঞ্চলে আফিম সম্মৃদ্ধ গ্রামগুলোতে লুটতরাজ চালায়। রঞ্জিত সিংহের নেত্রীতে উদীয়মান সক্তি পার্শ বর্তী মুসলিমদের উপর যে নিস্গেধাগ্গা আরোপ করে তাতে মুসলিম দস্যুদের কার্যকলাপ বিপদসংকুল হয়ে পরে ও দস্যু বৃত্তি লাভজনক থাকে না ( the indian muslim ) পৃষ্টা ৩-৪ 

এর পর আবার দেখুন :- শিকদের গোড়া হিন্দুয়ানির কারণে উত্তর ভারতে মুসলমানদের উত্সাহিত করতে থাকে। সাইয়েদ আহমাদ অত্যান্ত বিচক্ষনতার সহিত দস্যু বৃত্তি ত্যাগ করে ও ১৮১৬ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ চলে যান ইসলামের এক সুবিখ্যাত পন্ডিতের নিকট (শাহ আব্দুল আজিজ ) the indian muslim পৃষ্টা ৪ 

এখান থেকে সুস্পস্ট প্রমানিত সাইয়েদ আহমাদ একজন কুখ্যাত ডাকাত ছিল পরে রঞ্জিত সিংহের বিচক্ষনতার কারণে যখন দস্শুবৃত্তি লাভজনক থাকে না তখন তিনি দস্যু বৃত্তি ত্যাগ করে শাহ আব্দুল আজিজ সাহেবের কাছে যান।  

দেওবন্দী দের কিতাব ( দেওবন্দ আন্দোলন , ইতিহাস , ঐতিয্য ও অবদান ) বাংলাদেশ কৌমী শিক্ষা বর্ড থেকে পাঠ্য পুস্তক হিসেবে প্রকাশিত ৯৯ নং পৃষ্টায় লিখেছেন যে ;- শাহ আব্দুল আজিজের নিকট সাইয়েদ আহমাদ গেলে তাকে একটা কিতাব পড়তে দেন। তখন তাকে কিতাবের প্রতি অন্যমনস্ক দেখে শাহ আব্দুল আজিজ সাহেব জিগ্গেস করেন পরচ না কেন ? তখন সাইয়েদ আহমাদ জবাব দেন যে আমি কাছের কোনো কিছু দেখতে পাই না ( দেওবন্দ আন্দোলন ) পৃষ্টা ৯৯-১০০

এখান থেকে একটা জিনিস প্রমাণিত যে সাইয়েদ আহমাদ কানা ও ছিল। আসলে সারা জীবন করেছে আফিমের খেত লুট এখন সামনে আঙ্গুর রাখলে কি তার চোখে পর্বে ? দেওবন্দী, বালকটি ,গোলাপী , আহলে হাদিস রা বলে সাইয়েদ আহমাদ নাকি মুজাদ্দেদ। আসলে সে নিজে ছিল কানা আর কানাদের জন্য ছিল মোজাদ্দেদ। আমাদের না।  

দি ইন্ডিয়ান মুসলিম কিতাবের ৫ নং পৃষ্টায় লিখেছেন যে ৩ বছর সে শাহ আব্দুল আজিজের সাহেভের কাছে থাকেন এর পর সম্পুর্ন নতুন রূপে লোকদের বায়েত নেওয়া সুরু করেন ( আওর মোহাম্মদী তরিকায়) ও নিজেই ধর্মের প্রচারক রূপে আত্মপ্রকাশ করেন। ফলে কিছু দুর্ধর্ষ একদল ভক্ত অনুসারী তার পশ্চাতে সমবেত হয়।  

এখান থেকে একটা বিষয় লক্ষ্য করুন যে সে ডাকাতি ছেড়ে দিয়ে ৩ বছরে সে একজন ধর্মীয় প্রচারিক ও সম্পুর্ন নতুন এক তরিকার জন্ম দেন যাকে আওর মোহাম্মদী তরিকা বলা হয় বাংলাদেশের ( ফুলতলী,জয়্ন্পুরি,আট রশি ,সরছিনা , চরমোনাই , রাজারবাগ, চন্দ্র পারা ) এই সিলসিলার অন্তির্ভুক্ত , এদের সেজ্রায় (বুজুর্গ দের লিস্টে) সাইয়েদ আহমাদ এর নাম আছে ) 
অথচ দেওবন্দী গণ সাইয়েদ আহমাদ কে মোজাদ্দেদ মানে কিন্তু তার তৈরী (আওর মোহাম্মদী ) তরিকা মানে না।  

দি ইন্ডিয়ান মুসলিম কিতাবের ৫ নং প্রিস্তাই লিখেছেন যে ১৮২২ সালে হজ্জ করতে যায় পরের বছর অক্টোবর এ ফিরে আসে ও রায় বেরেলি (তার জব্মস্থান) এ কিছু অশান্ত প্রকৃতির লোক কে তার দলে টেনে নেয়। এর পর সে ধর্মান্দ কুসংস্কারাচনন পাঠান অধ্যষিত এলাকায় যায় এবং পবিত্র জিহাদ এর দাওয়াত দেয় , আর বলে যে পরিমান হিন্দুদের সম্পদ লুট হবে জারা বেছে যাবে যুদ্ধে থেকে তারা এক বিশাল পরিমান সম্পদ নিয়ে ঘরে ফিরতে পারবে।  
পাঠানরা তার কোথায় সম্মত হয় ও সাইয়েদ আহমাদ ও এটাকে কাজে লাগায় পুরাণ দুস্মনির জবাব দেয়ার জন্য ( দি ইন্ডিয়ান মুসলিম ) পৃষ্টা ৫ 

এখান থেকে একটা জিনিস প্রমাণিত যে দস্যু বৃত্তি করার সময় রঞ্জিত সিংহের সাথে থাকা পুরাণ দুস্মনির জন্যই সাইয়েদ আহমাদ শিখদের সাথে যুদ্ধে জড়িয়েছিলেন। আর পাঠান রা আজ ও পাগলের মত , পাঠান দের কে দেওবন্দিদের মুজাদ্দেদ আশরাফ আলী থানবী অনেক খানে বেজ্জাত করেছেন ( দেখে নিন মুসলমানের হাসি পৃষ্টা (ইফাজাতুল য়াওমিয়াহ ) পার্ট ২ পেজ ২৮৬ (হৃদয় ছোয়া কাহিনী পৃষ্টা ৩১) এই কুসংরাচন্ন পাঠান রা লুটতরাজ এর জন্যই সাইয়েদ আহমাদ এর সাথ দিয়েছিল।  

এবং সেই পাঠানদের মেয়েদের সাথে জুলুম করার কারণেই পলানোর সময় বিপদে পরে থাকা শাহ ইসমাইল দেহলবী কে সাহায্য করার সময় শিখদের হাতে নির্মম ভাবে মিত্তু বরণ করেন ( দি ইন্ডিয়ান মুসলিম ) ১১ নং পৃষ্টা 

ডব্লিউ ডব্লিউ হান্টার এর এই কিতাবে তিনি কোনো খানেই লিখে যান নাই যে সাইয়েদ আহমাদ ইংরেজদের কে লক্ষ্য করে একটা বুলেট চুরেচেন।  
অথচ দেওবন্দিদের মুখে সুধু সাইয়েদ আহমাদ এর গুন্কির্তিন শোনা যায়।  

তাদের নিজের হাতে লিখা কিতাব ( দেওবন্দ আন্দোলন ) এর ৯৯-১৩৬ পর্যন্ত মোট ৩৭ পেজ এ সাইয়েদ আহমাদ এর জীবনী বর্ণনা করেছেন। তারা নিজেরাই সেই কিতাবে লিখতে পারে নাই যে সাইয়েদ আহমাদ ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন। আমু ডি ইন্ডিয়ান মুসলিম কিতাবের a-z পর্যন্ত ও দেওবন্দ আন্দোলনের ৯৯-১৩৬ পর্যন্ত সকল পৃষ্টা দিব।কোনো দেওবন্দী মায়ের লাল থাকলে যেন আমার চলেংজ করে।  

আব্দুল ওয়াদুদ এর লিখা কিতাব (ওয়াহাভি আন্দোলন) লিখেছেন যে - সাইয়েদ আহমাদ সৌদি তে গিয়ে ওহাবী শিক্ষায় দীক্ষিত হয়ে আসে ও উপজাতি অঞ্চলগুলোতে সুন্নি মুসলিমদের কে মুশরিক মাজার পুজারী ও তাদের ধন সম্পদ গনিমত বলে ফতোয়া প্রদান করেন। যখন সাইয়েদ আহাম্মক জিন্দা ছিলেন তখন পুরা হিন্দুস্তান এ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অধীন পুরা ছিল না৷ আর তখন সকল মুসলিম রা জিহাদ এর জন্য এক পায়ে খাড়া ছিলেন কিন্তু সাইয়েদ আহমাদ দেশের ভিতরে না থেকে সকল মুসলিম কে একখানে না করে তাদের কে কোন পথ না দেখিয়ে তিনি পার্শবর্তী মুসলিম রাজ্য গুলো যেমন সোয়াত ,ইউসুফ যাই ( মালালা ইউসুফ যাই এর এলাকা ) , কাবুল , কান্দাহার , পেশাবর , উজিরিস্তান , এই সকল এলাকায় হামলা চালান যাতে করে হিন্দুস্থান এর মুসলিম দের দিকে তারা নজর দিতে সময় না পান ও পাঞ্জাব এর শিকদের সাথে তিনি খন্ড খন্ড ২-১ তা যুদ্ধে লিপ্ত হন তাতে ও গো হারা হেরে পলায়ন করেন ৷ (ওহাবি আন্দোলন ১-৮৭ পৃষ্ট )

মুসলিম রাজ্য গুলোতে এত পরিমান অত্যাচার করেছেন তা( ওহাবী আন্দোলন ) আব্দুল মৌদুদ এর লেখা দেখলে চোখে পর্বে আর সেই কিতাব এর স্ক্রিন শুট এর প্রজন বলে বলিয়েন আমি দিয়ে দিব ৷
আর তিনি ঠিক মুসলিমদের কে আব্দুল ওহাব নজদি এর মত সুন্নি মুসলিমদের কে মুশরিক ও তাদের যান মাল গনিমত বলে ফতোয়া দেন ৷ আর এইকারণে যত মুসলিম ঘর উজার হয়ছে তার হিসাব একমাত্র আল্লাহ জানেন আর ইতিহাস সাক্ষী৷ (ওহাবি আন্দোলন পৃষ্টা ৩৪)

শিক দের সাথে২-১ তা যুদ্ধ করেছেন তাও আবার ইংরেজ দের জন্য. ৷কারণ তখন পাঞ্জাব ছিল ইংরেজ মুক্ত আর সেনাপতি রঞ্জিত সিং ছিলেন এক বাহাদুর ও বিচক্ষণ সেনাপতি৷ আর ইংরেজদের সাথে কয়েকবার তাদের মোকাবেলা হয় কিন্তু ইংরেজরা কোনো কিছুই পান নাই তাই সাইয়েদ আহমাদ কে দিয়ে শিকদের কে চাপে রাখেন ও ইংরেজদের ও চেষ্টা অব্বাহত থাকে ৷ শেষে ইংরেজদের সাথে শিকরা ইংরেজদের সাথে সন্ধি করেন৷
তাওয়ারিখে অজীবাহ নামক কিতাবের ১৮২ নং পাগ বলা হয় যে সাইয়েদ সবের কোনো ইচ্ছা ছিল না ইংরেজদের সাথে যুদ্ধ করার ৷ তিনি বরং ইংরেজদের রাজত্ব কে নিজের রাজত্ব মনে করতেন ৷ তিনি যদি ইংরেজ বিরোধী হতেন তা হলে কিভাবে অনার কাছে সাহায্য পৌঁছত সে সময় ?তবে ইংরেজদের চেষ্টা ছিল সাইয়েদ আহাম্মক এর দিয়ে শিকদের চাপে রাখতে ৷

আবুল হাসান আলী নদভীর লেখা ( ছিরাতে সাইয়েদ আহমাদ) ১ম খণ্ডের ১৯০ নং পেজে বলেন যে সাইয়েদ আহম্মক সবার সামনে ইংরেজ বিরোধী ওপরে দেখালেও তিনি তার সাথের মৌলবী মুফতি গণ গোপনে ইংরেজদের কাছ থেকে সাহায্য ও সহযোগিতা নিতেন ৷

সাইয়েদ আহমাদ এর প্রধান সেনাপতি মহা পন্ডিত শাহ ইসমাইল দেহলবী একবার কলকাতা এর মসজিদে শিখদের বিরুদ্ধে জেহাদ এর দাওয়াত দিতেছিল এমন সময় একজন লোক বলে উঠে যে আপনি ইংরেজ দের বিরুদ্ধে যুদ্ধের দাওয়াত করছেন না কেন ? ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোসনা না করে শিখদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের দাওয়াত দিতেছেন ?
শাহ ইসমাইল বলেন যে ইংরেজর আমাদের কোনো ধর্মীয় বিসয়াদি তে ও কোনো প্রকার অসুবিধা এর সম্মুখীন করছে না তাই এদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ফরজ তো দূর ওয়াজিব ও না ৷ ইংরেজদের ওপর যদি কেউ হামলা চালায় তো ইংরেজদের হয়ে তাদের বিরুদ্ধে আমাদের যুদ্ধ করা ফরজ কারণ আমরা তাদের প্রজা ৷ কিন্তু পাঞ্জাবে যখন আমাদের মুসলিমদের সমসা হচ্ছে তাই তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা প্রজন ।

মির্জা হায়াত দেহলবী প্রণীত ( হায়াতে তায়য়েবাহ ) শাহ ইসমাইল এর জীবনী গ্রন্থ পেজ ২৭১ 

মুন্সী মোহাম্মদ জাফর থানেস্সরী তার কিতাব ( সাওয়ানিয়ায়ে আহমাদি ) পৃষ্টা ৪৭ এ তাই বলেছেন 

মজার কথা হচ্ছে সিলেট এর ফুলতলী এর পীর মোহাম্মদ ইমাজ উদ্দিন চৌধুরী ( সাইয়েদ আহমাদ বেরেলবী এর জীবনী) পুস্তক লিখতে গিয়ে তার দিতীয় সংস্করণ এর ৪৮ ও ৪৯ নং পেজ লিখেছেন ( ইংরেজ অথিত্ত ) তে বলেন ইসার নামাজের পর সাইয়েদ সাহেব কে খবর দিল যে মশাল হাতে কয়েকজন লোক এদিকে আসছে ৷ সাইয়েদ সাহেব খবর নিতে গিয়ে দেখেন কয়েকজন ইংরেজ ৷ তার মধে থেকে একজন এসে বলল সাইয়েদ সাহেব কে ৷ তিনি বললেন আমি ৷ইংরেজ বলল আমরা ৩ দিন যাবত আপনার রাস্তা দেখতেছি ৷ আজ খবর পেলাম আপনি এদিক দিয়ে যাচ্ছেন তাই এই নগন্য খাদ্য দ্রব্য গুলো কবুল করেন 

যে সকল দলিল আমি পেশ করেছি তা সব গুলি দেওবন্দী বুজুর্গ ও গোলাপী সুন্নিদের কিতাব থেকে, মানে হচ্ছে যারা সাইয়েদ আহমাদ কে নিজেদের আকবের মানে ও মুজাদ্দেদ মানে তাদের কিতাব থেকেই দিলাম। এখন নিজের চোখে দেখে আমাকে জবাব দিন কে ? আর করা ? ইংরেজদের দালাল ছিল ? 


আর এই খানে আর একজন কুত্তার কথা বলা হয়েছে তার নাম হচ্ছে শাহ ইসমাইল । 
দেওবন্দিদের প্রখ্যাত আলেম আল্লামা ফজলে রহমান বদ্বায়নী (রহ) ওনার স্বীয় কিতাব ( আল ফাউযুল মুবীন বিশাফা আতীয়স শাফে-ঈন ) কিতাবের (৮৮-৯৪) পেজে তাতে কাফের বলেছেন । 


তিনি আরো বলেছেন যে ;- মৌলভী ইসমাইল মুলত খারেজী ও মুতাযিলা সম্প্রদায়ের আকিদা রাখতেন পৃষ্টা নং (১৮-১৯) 


আর এই ফতোয়ার কারনে দেওবন্দিদের মুখে কুলুপ এটে গেছে ওনেক আগেই । তবু কিছু নেড়ি ইয়ে ঘেউ ঘেউ করতেই থাকে । 

আর মজার কথা হচ্ছে যে এই শাহ ইসমাইল মওত ও হয়েছে মুসলমানের হাতে । 

ওহাবি নজদিরা যদি জীহাদ করে তবে কেন তাদের মুনসির (সেক্রেটারীর) নাম হিরালাল লিখেছেন মির্যা হায়রাত দেহলভি তার কিতাবে (হায়াতে তাইয়েবাহ ) পৃষ্টা ৩৩৩

রাজা শের সিং শাহ ইসমাইলের লাশের উপর দুটি শাল (চাদর)  দিয়ে নিজের সৈন্য দলের মুসলমান সৈন্য ও এলাকাবসী দের কে দিয়ে যানাযা করিয়ে দাফন করিয়ে অতি মর্যাদার সাথে দাফন করিয়েছেন ( হায়াতে তাইয়েবাহ ) পৃষ্টা ৭০ ।

মৌলভী ওযায়দুল্লাহ সিন্ধী লিখেছেনে ;- বালাকোটের ঘটনায় পুর্ববরতিদের অবশিষ্ট মুজাহীদগন আমীর (সাইয়েদ আহমেদ) এর লাশ পায়নি , কারন হচ্ছে শিখগন আমীর সাইয়েদ আহমেদের গলা কেটে নিয়ে স্থানীয় মুসলমানদের দিয়ে অতি মর্যাদার সহিত দাফন সম্পন্ন করেন (শাহ ওলিউল্লাহ ওর উনকি শিয়াসিহ তাহরীক) পৃষ্টা ১২১ 

দেওবন্দিদের মুজাদ্দেদ আশরাফ আলী থানবী তার কিতাব (ইমদাদুল মুসতাক) এর ৬১ নং পৃষ্টায় লিখেছেন যে ;- সাইয়েদ আহমেদের জন্য শের সিং স্বসম্মানে একটা সাধারন মায়ার তৈরি করেছেন । 

আর এই কথিত ত্বকী আলী খানের কোন নাম ও নিশান আমি আমার অধ্যায়ন জীবনে পাইনি। 
কোথায় রায় বেরেলী আর কোথায় বর্তমান পাকিস্তানের বালাকোট । 
ত্বকী আলী খান নামের যে কাহীনি অবতারটা করা হয়েছে তা দুষমনি মুলক ছারা কিছুই নয় । 

বরং তাদের কে হত্যা করা হয়েছে কেন তার কারন আমি আরো বিশদ আকারে তুলে ধরলাম ;- আসল কথা শোনেন তারা অহাবিবাদ প্রতিষ্টা করার জন্য ও শিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য সীমান্ত এলাকা গুলোতে তত্পরতা চালায় ফলে কিছু পাঠান তার সাথ দেয়। এমন সময় সাইয়েদ আহমাদ বেরেলভী কিছু ভারতীয় দের সাথে পাঠানদের বিধবা স্ত্রী ও মেয়েদের জোর পূর্বক বিয়ে দেন। এ নিয়ে পাঠান দের মনের মধে এক ঠান্ডা যুদ্ধ বিরাজ করতে ছিল এমন সময় শাহ ইসমাইল দেহলবী এলার্ন করে যে মুজাহিদ বাহিনীতে ওপ্রাপ্ত বয়স্ক কোনো কুমারী মেয়ে থাকতে পারবে না। ফলে ২০ জন এরমত পাঠানদের মেয়েদের কে ইন্ডিয়ান পাঞ্জাবি মুসলিম দের সাথে বিয়ে দেন ও শাহ ইসমাইল দেহলবী নিজে ২ টা মেয়ে কে বিয়ে করেন সায়য়েদ আহমদ ও একটা মেয়ে কে বিয়ে করেন জোর করে তার পরে একটা মেয়ে সন্তান জনম নেয়। পাঠান দের মাঝে একটা রীতি আজ পর্যন্ত বিদ্যমান আছে যে তারা নিজেদের বাচ্চা কে পাঠানদের সাথেই বিয়ে দিবে আর কম বয়সের বাচ্চা দের কে তারা বিয়ে দেন না। কোন ভাইয়ের যদি পাঠানদের সাথে চলা ফেরা থাকে এই বিসয় তা জেনে নিতে পারেন। ফলে পাঠান রা নিজেদের বাচ্চা মেয়ে দের কে ফেরত চান। সাইয়েদ আহমাদ অশিকৃতি জানান কে তারা এখন আমাদের স্ত্রী। এই নিয়ে সীমান্তের আফগানি পাঠানদের সাথে সাইয়েদ আহমাদ এর ঔতিহাসিক ( ফুলুড়ার ) যুদ্ধ সংঘটিত হয় এতে সাইয়েদ আহমাদ এর ওয়াহবি অনেক সৈন্য নিহত হয়. মলোবি মাহমুব আলীর নেতৃত্বে একদল সন্য বাহিনী হিন্দুস্থান এর দিকে পলায়ন করে ফলে লক্ষ সন্য বাহিনীর মধে ১০০০ -১২০০ সন্য থেকে যায় সাইয়েদ আহমাদ এর সাথে। অবস্থা বেগতিক দেখে সাইয়েদ আহমাদ কাশ্মীর এর দিকে পলাতে সুরু করেন। কিন্তু পতিমদ্ধে শিখ সেনাপতি স্যার সিং এর ২০০০০ হাজার সন্য বাহিনী ও পিছনে সীমান্তের আফগানি পাঠানদের হাতে বালাকোট সাইয়েদ আহমাদ তার চূড়ান্ত পাপের  ফল লাভ করেন। সুন্নি পাঠান গণ তার ওহাবী বাদ ও তাদের বিবি বাচ্চা দের জুলুম করার কারণে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হন ও একদিক্ সুন্নি পাঠান ও অন্য দিকে শিখ সনদের কাছে নির্মম ভাবে মিত্তু মুখে পতিত হয় । 
শাহ ওয়ালিউল্লাহ ও তার রাজনৈতিক চিন্তা ধারা ৭৮-৮৬ ওবায়দুল্লাহ সিন্ধি এর লেখা কিতাব থেকে 

শাহ ইসমাইল ও সাইয়েদ আহমেদে সাবজেক্ট বন্ধ করলাম।  এর পর দেখা যাক :- 

৪- ভুয়া কথা ;- ১৮৬৪-৬৭ সালে বৃটিশ বিরুধি পোঁতা জারী করেছিল নাকি তারা দারুল উসুল দেওবন্দ থেকে  কাশেম নানুতভী তাতে ভুমিকা পালন করেন । 


জবাব :- দেওবন্দীরা যে করা তা আপনি চিন্তা করেই পারবেন না। এদের দালালি আর অলি আওলিয়া কেরাম নবী পাক আলাইহিস সালাম এর দোষ আর কমজোরী খুঁজে খুঁজে এদেত রাতে ঘুম আসে না। আর ইংরেজ দের দালালি ছাড়া এদের পেটের ভাত জুট না। এরা বলে বাড়ায় আমরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি ইটা সেটা হেন টেন অনেক কিছু। কিন্তু বাস্তব চরিত্র অনেক কুত্সিত। দেখুন 
দেওবন্দ মাদ্রাসার অনুসারী মলোভি আহসান নানুতাভির জীবনী লেখক দেওবন্দ মাদ্রাসার সম্পর্ক ব্রিটিশ সরকারের লেফ্তানান্ট এর নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা (পামের) নামের একজন ইংরেজ এর বক্তব্য টুকে ধরেছেন যে ;- এ মাদ্রাসা দিন দিন উন্নতি করেছে। ৩১ জানুয়ারী রোববার ১৮৭৫ ব্রিটিশ জেনারেল এর নির্ভরযোগ্য বেক্তি পামের এ মাদ্রাসা দেখা মাত্রই ভালো ধারনা প্রকাশ করল যে :- যে কাজ বড় বড় কলেজ গুলোতে হাজার হাজার টাকা ঢেলে সম্পন্ন হয় , তা এখানে অতি অল্প খরচেই হয়ে যায়। যে কাজ একজন প্রিন্সিপাল হাজার হাজার টাকা নিয়ে সম্পন্ন করেছে , সেই কাজ এখানে একজন মলোভি ৪০ টাকা বেতনে করেছে। এ মাদ্রাসা ব্রিটিশ সরকারের বিরোধী নয় বরং সমর্থক,সহায়তাকারী ও সহযোগী (মাওলানা মুহাম্মদ আহসান নানুতাভি ) জীবনী কিতাব পৃষ্টাপ ২১৭  

আরো দেখুন আশরাফ আলী থানবীর দালালি এর বিষয় এ তাদের কিতাব (মাকালামাতুস সাদেরিন ) ৯ নং পৃষ্টায় লিখেছেন যে ইংরেজ গভর্মেন্ট থেকে প্রতি মাসে আশরাফ আলী থানবী সাহেব কে ৬০০ টাকা দেওয়া হত। আর এই টাকা মলোবি রশিদ আহমাদ গান্গুহির মাধ্যমে পৌছানো হত (মাকালামাতুস সাদেরিন ) পৃষ্টা ৯ 


মাকালামাতুস সাদেরিন কিতাবের ৮ নং পৃষ্টায় মাওলানা হিফজুর রহমান বলেছেন যে ;- তাবলিগ জামাতের প্রতিষ্টাতা মাওলানা ইলিয়াছ সাহেব তাবলিগী আন্দোলন এর প্রাথমিক পর্যায় ইংরেজ দের কাছ থেকে কিছু টাকা হাজী রশিদ আহমাদ গান্গুহী সাহেবের মাধ্যমে পেতেন। কিন্তু পরে তা বন্ধ হয়ে যায়। (মাকালামাতুস সাদেরিন ) পৃষ্টা ৮ 
দেওবন্দী দের অন্যতম রাজনৈতিক সংঘটন জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম এর বিষয় (মাকালাতুস সাদেরিন )এর ৭ নং পৃষ্টায় বলা হয়েছে যে ;- কলকাতা জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম সরকারের ইঙ্গিতেই ঘটন করা হয়েছে (মাকালামাতুদ সাদেরিন পৃষ্টা ৭ ) 

আশা করছি দেওবনদিরা কি ছিল তা প্রমান হয়ে গেছে তারা ইংরাজ বিরোধী ছিল না কি ইংরেজদের বন্ধু ছিল তা আমার জানা হয়ে গেছে আরো ওনেক কিছু আছে । বেশি কিছু যোগ করলাম না । 

এর পর আসল দারুল হারব ও দারুল ইসলাম প্রসংগ । 
তারা বলা  আব্দুল আজীজ (রহ) ও সাইয়েদ আহমেদ দারুল হারব ঘোসনা করেছেন আর আহমেদ রেজা খান সাহেব এটা দারুল  ইসলাম বলেছেন । 

এই কারনে নাকি তিনি ইংরেজদের দালাল হয়ে গেছেনে । 

আমার এ নিয়ে দুইটা কথা মাত্র । এক বারের জন্মা হলে জবাব দিও । 

(১)  শাহ আব্দুল আজীজ (রহ) যে দারুল হারব ঘোষনা করেছেন সেই সময় তিনি কেন দারুল হারব দেশে বসবাস করলেন ও কেন শুদ্ধ করলেন না ও কেন হিজরত  করলেন না ? 
আর যদি এসব করে থাকে তো তবে কোথায় নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রদান কর ।
(২) শাহ আব্দুল আজীজ (রহ) এর ছাত্র ও তোমাদের মুজাদ্দেদ সাইয়েদ আহমেদের খলিফা ও একজন শাধু পুরুষ যাকে আমি ওনেক বেশি শ্রদ্ধা করি মাওলানা কারীমায় আলী যৌনপুরি (রহ) কেন ভারত তে দারুল ইসলাম বলেছেন ? 

এই দুইটার জবাব দিয়ে পার হয়ে যাবেন। দয়া করে । 

আর মাওলানা আহমেদ রেজা খান ফাজেলে ব্রেলভী (রহ) এর সাথে মির্যা কাদীয়ানি কুত্তার পরিবারের সাথে নাম মেলানো এটা দুষমনি ছারা কিছুই নয় । এই সকল কথার কোন প্রকার প্রমান নাই । যারা এই রকম দুষমনি মুলক বেবুনিয়াদ পোষ্ট করে ফেতনা সৃষ্টি করে তাদের উপর আল্লাহর লানাত । 

আর এই খানে দেওবন্দি দের পীর আতাউল্লাহ ওহাবীর বিষয় আমার কাছে ওনেক দালালীর প্রমান আছে তা আরো পোষ্টে লিখে পোষ্ট বড় করতে চাই না । 

আর নিজেদের তারা তারিফ তো ওনেক করেছেন কিন্তু নিচে একটা সত্য কথা ও উল্লেখ করেছেন যে ;- গরু উট কোরবানীর বিরুদ্ধে ওলামায় দেওবন্দ । 

হা। গরু কোরবানীর বিরুদ্ধে তোমরা কারন গরুে তোমাদের না লাগে। আর শিব ঠাকুর তোমাদের নবী (তোমাদের কথা মতে) 

এই লেখা গুলো জলদি করে টাইপ করা হয়েছে ভুল হতে পারে বানান ।