শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০১৫

মুতা বিয়ে হারাম তার চুড়ান্ত ফায়সালা

মুতা বিয়ে (অস্থায়ী বিয়ে) এবং এর
গ্রহনযোগ্যতা  তুলে ধরেছেন। তাও আবার
কোরআন হাদিস এর রেফারেন্স দিয়ে। এর
সাথে প্রাসঙ্গিক অনেক কথাই লিখেছেন
তিনি। যেমন কোন দেশে হালাল পতিতালয়
চালু করেছে যেখানে খদ্দেরকে পতিতার
সাথে মুতা বিয়ে দিয়ে পতিতাবৃত্তি হালাল
করা হয়। ইরানে তো সরকারী নিয়মেই
মুতা বিয়ে চালু আছে। তাছাড়া স্বভাব
সুলভ, রাসুল (সাঃ) এর আমলের কথাও
টেনে এনেছেন। সেই সময়
যুদ্ধবন্দি নারীদেরকে মুতা বিয়ে করে
হালাল (!) ধর্ষন করা হোত। বিষয়টা সত্যই
অমানবিক। যুদ্ধবন্দী মহিলার
স্বামীকে যে লোকটি দুপুরে হত্যা করল,
সেই লোকটিই মুতা বিয়ে করে রাত্রে ওই
মহিলার সাথে রঙ্গলীলায় মত্ত। যদিও এত
যোদ্ধা ও এত যুদ্ধবন্দী নারীর
ভেতরে বেছে বেছে স্বামীর
হত্যাকারীটিই কিভাবে ওই মহিলার
শয্যাসঙ্গী হোত সেটা তিনি বলেননি।
তাছাড়া সেই মুতা বিয়ে করার জন্য
মোহরানা (দেন মোহর) ছিল সামান্য কয়েক
মুঠো গম। সবকিছু মিলিয়ে, উনার মুল
কথা হল – মুতা বিয়ে হল, নারীকে ভোগের
বস্তু বানানোর আর পুরুষের মজ মাস্তি করার
মাধ্যম। এই ব্যাবস্থা যেই ধর্মে আছে, সেই
ধর্মে নারীর সন্মানের কথা ভন্ডামী।
হ্যা, উনার এই কথার সাথে আমি সম্পুর্ন
একমত। এমন ব্যাবস্থা আসলেই
নারীকে ভোগের বস্তু বানায়। এমন
ব্যাবস্থা যে ধর্মে আছে সেই ধর্ম নারীর
সন্মান দেয় না। তবে আমার আমার
মতবিরোধ ছোট একটি যায়গায়। সেটা হল –
এমন ধর্ম ইসলাম নয়।
কথাটি হল, “মুতাহ নিকাহ” যার অর্থ
“প্রমোদ বিয়ে”। খাস বাংলায়, মৌজ
মাস্তি করার জন্য বিয়ে । কথাটি সত্য,
অস্থায়ী বিয়ে মাস্তি করা ছাড়া আর কি?
তবে, এই কথাটা ভালো করে শুনে রাখুন –
এই মুতাহ বিয়ের আবিস্কারক ইসলাম নয়।
ইসলাম আসার অনেক আগে থেকেই
আরবে এই মুতাহ বিয়ে প্রচলিত ছিল। হ্যা,
আরবের যেই সমাজে মেয়ে শিশুকে জ্যান্ত
কবর দেওয়া হোত, সেই সমাজেরই পদ্ধতি এই
মুতা বিয়ে। 
আর এই মুতা বিয়ে কে কিছু সময়ের জন্য  অন্য মতে তিন দিনের জন্য ছিল শুধু। 
যারা আমার প্রতিপক্ষ সুরা নিসার আয়াত নং ২৪ দিয়েছে মুতা যায়েজ প্রমান করার জন্য । 
আমি এই আয়াতের তাফসীর এ তাফসীর কার্ক গন কি বলেছেন তা তুলে ধরব । 
আগে 
ডিবেটের জবাব দিয়েছে  সুরা নিসা এর ২৪ নং আয়াত দিয়ে । চলুন দেখি কি বলা আছে ২৪ নং আয়াতে 

 وَالْمُحْصَنَاتُ مِنَ النِّسَاء إِلاَّ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ كِتَابَ اللّهِ عَلَيْكُمْ وَأُحِلَّ لَكُم مَّا وَرَاء ذَلِكُمْ أَن تَبْتَغُواْ بِأَمْوَالِكُم مُّحْصِنِينَ غَيْرَ مُسَافِحِينَ فَمَا اسْتَمْتَعْتُم بِهِ مِنْهُنَّ فَآتُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ فَرِيضَةً وَلاَ جُنَاحَ عَلَيْكُمْ فِيمَا تَرَاضَيْتُم بِهِ مِن بَعْدِ الْفَرِيضَةِ إِنَّ اللّهَ كَانَ عَلِيمًا حَكِيمًا (24
এবং নারীদের মধ্যে তাদের ছাড়া সকল সধবা স্ত্রীলোক তোমাদের জন্যে নিষিদ্ধ; তোমাদের দক্ষিণ হস্ত যাদের মালিক হয়ে যায়-এটা তোমাদের জন্য আল্লাহর হুকুম। এদেরকে ছাড়া তোমাদের জন্যে সব নারী হালাল করা হয়েছে, শর্ত এই যে, তোমরা তাদেরকে স্বীয় অর্থের বিনিময়ে তলব করবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করার জন্য-ব্যভিচারের জন্য নয়। অনন্তর তাদের মধ্যে যাকে তোমরা ভোগ করবে, তাকে তার নির্ধারিত হক দান কর। তোমাদের কোন গোনাহ হবে না যদি নির্ধারণের পর তোমরা পরস্পরে সম্মত হও। নিশ্চয় আল্লাহ সুবিজ্ঞ, রহস্যবিদ।


সমস্ত তাফসীর কারক গন এই আয়াত এর শেষের  কথা  (
অনন্তর তাদের মধ্যে যাকে তোমরা ভোগ করবে, তাকে তার নির্ধারিত হক দান কর। তোমাদের কোন গোনাহ হবে না যদি নির্ধারণের পর তোমরা পরস্পরে সম্মত হও। নিশ্চয় আল্লাহ সুবিজ্ঞ, রহস্যবিদ) থেকে এটাই মতলব বের করেছেন যে মুতা বিবাহ যাকে বলা হয় । 
আমার প্রতিপক্ষ ও তাই বের করেছেন যে এটা মুতা বিবাহ । আমি ও মেনে নিলাম , আর কথা থাকল তবে যে মুতা বিবাহ কি এখন ও যায়েয ? না কি হারাম ? আসল কথা হচ্ছে  এ বিষয় নিয়ে ।

চলুন দেখা যাক এই আয়াতের তাফসীর এ প্রখ্যাত তাফসীর কারকগন কি বলেছেন ;-  



কাজী সানাউল্লাহ পাণীপথি (রহ) তার স্বীয় তাফসীর গ্রন্থ (তাফসীর এ মাযহারী) ৩ খন্ডে ৩০  পৃষ্টায় সুরা নিসা'র উপরোক্ত আয়াতের তাফসীর  করতে গিয়ে লিখেছেন যে ;- 
মাসয়ালা:- মুতয়া না যায়েজ ও হারাম হওয়ার ব্যাপারে ইজমা হয়েছে । এখন শিয়ারা ছাড়া অন্য কেউ তাকে হালাল মনে করে না ।মুতয়া হারাম করা হয়েছে এ আয়াত দ্বারা (
 وَالَّذِينَ هُمْ 
 إِلَّا عَلَى أَزْوَاجِهِمْ أوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُهُمْ فَإِنَّهُمْ غَيْرُ مَلُومِينَ 
তবে তাদের স্ত্রী ও মালিকানাভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্রে সংযত না রাখলে তারা তিরস্কৃত হবে না। 

 
 
 فَمَنِ ابْتَغَى وَرَاء ذَلِكَ فَأُوْلَئِكَ هُمُ الْعَادُونَ 
অতঃপর কেউ এদেরকে ছাড়া অন্যকে কামনা করলে তারা সীমালংঘনকারী হবে
      )
যদি এই আয়াতের তাফসীর ইবনে আব্বাস (রহ) এর মতে করা হয় তা হলে মুতা রহিত হয়ে গেছে মেনে নিতে হবে (তাফসীর এ মাযহারী) ৩ খ ৩০ নং পৃষ্টা 

এই মাসয়ালা বর্ননা করার পর ৩০ নং পাতা থেকে ৩১-৩২-৩৩ নং পাতা পর্যন্ত মুতা যে হারাম তার স্বপক্ষের  বর্ননা করে গেছেন।  আপনি যদি কিতাবের পৃষ্টা চান আমি দিতে প্রস্তুত । 

এর পর আসুন তাফসীর ইবনে কাছির ৪ থা খন্ডের পৃষ্টা নং ৩৪৬ সুরা নিসা আয়াত নং ২৪ ;২:২২৯ আয়াত কে মুতার দলিল হিসেবে গ্রহন করা হয়েছে যে,  যা তাদের কে দাও তা ফিরিয়ে নেওয়া  বৈধ না (কারন  তোমরা তাদের কে ভোগ করেছো )  । এ খানে মোহর এর কথা বলা হয়েছে । 
ইবনে কাছীর আরো লিখেছেন যে ;- ইসলামের প্রাথমিক যুগে মুতাআ শরিয়াতের বিধান ছিল ।পরে তা  রহিত হয়ে যায় ।ইমাম শাফেয়ী (রহ) ও ওলামায়ে কেরামের একটি দল বলেন যে মুতা ২ বার বৈধ ও ২ বার রহিত করে হয়েছে । কেউ কেউ বলেছেন যে তার চেয়ে ও অধিকবার বৈধ ও রহিত করা হয় ।আবার কেউ কেউ বলেন যে মাত্র একবার তা  বৈধ করা হয় ও পরে রহিত করা হয় । ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্নিত যে প্রয়োজনের সময় মুতা বৈধ হওয়ার সাক্ষ্য পাওয়া যায় । ইমাম হাম্বল (রহ) থেকে এই রকম একটা বর্ননা আছে । 

কিন্তু এ বিষয়ে উত্তম  মিমাংসা হচ্ছে এই বিষয় নিয়ে সহীহ মুসলিম ও বুখারীর হাদিস হযরত আলী (রা) থেকে বর্নিত রাসুলুল্লাহ (সা) খাইবার যুদ্ধের সময় সময় মুতাআ বিবাহ ও গৃহপালিত গাধার মাংস হতে নিষেধ করেছেন । 
সহীহ মুসলীমে ইবনে মা'বাদ জুহানী(রা) বর্ননা করেছেন যে তিনি মক্কা বিজয়ের দিন রাসুলুল্লাহ (সা) এর সাথে ছিলেন তখন তিনি বলেন (- হে মানব সকল আমি মুতা বিবাহে অনুমতি দিয়েছিলাম ,আর  আল্লাহ তায়ালা কিয়ামত পর্যন্ত মুতা বিবাহ হারাম করেছেন , যার নিকট এমন স্ত্রী আছে তারা যেন তাদের কে পরিত্যাগ করে ও তাদের কে যা কিছু দিয়েছো তা গ্রহন করিও না । (ইবনে কাছীর ৪থা খন্ড ) পৃষ্টা ৩৪৬ 


তাফসীরএ তাবারী সরীফে উক্ত আয়াতের তাফসীর এ মুতা বিবাহ এর রহিত করনের বিষয় ৯০৪২ নং হাদীসে লিখেছেন যে ;- শুবা (রা) থেকে বর্নিত , ইবনে হাঁকান (রহ) কে 

 وَالْمُحْصَنَاتُ مِنَ النِّسَاء إِلاَّ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ كِتَابَ اللّهِ عَلَيْكُمْ وَأُحِلَّ لَكُم مَّا وَرَاء ذَلِكُمْ أَن تَبْتَغُواْ بِأَمْوَالِكُم مُّحْصِنِينَ غَيْرَ مُسَافِحِينَ فَمَا اسْتَمْتَعْتُم بِهِ مِنْهُنَّ
তবে তাদের স্ত্রী ও মালিকানাভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্রে সংযত না রাখলে তারা তিরস্কৃত হবে না। 
অতঃপর কেউ এদেরকে ছাড়া অন্যকে কামনা করলে তারা সীমালংঘনকারী হবে।

এই পর্যন্ত জিগ্গেস করে বললাম যে এই আয়াত কি মনসুখ হয়ে গেছে ?  হাকাম (রহ) বলেন না ! 
হাকাম (র) বলেন যে হযরত আলী (রা) বলেন যে হযরত ওমর যদি মুতা (অস্থায়ী) বিবাহ রহিত না করতেন , তা হলে মানুষ ভা্যভিচার এ লিপ্ত হয়ে গুনাহগার  হয়ে যেত । তাফসীর এ তাবারী (৯০৪২) নং হাদীস সুরা নিসা এর তাফসীর 

ইমাম তাবারী (রহ) বলেন যে ;- বর্নিত ব্যাক্ষা থেকে এটা স্পষ্ট যে যাদের কে তুমি বিয়ে করেছে তাদের সাথে মিলিত হয়ে তাদের মোহর আদায় কর , যেহেতু আল্লাহ মুতা হারাম করেছেন ,তথা সঠিক পন্থায় বিয়ে না করে মিলিত হওয়া আল্লাহ হারাম করেছেন ,যার দলিল প্রিয় নবীর হাদীসে রয়েছে । 
সুরা নিসা এর ২৪ নং আয়াতের তাফসীরে ৯০৪৩ নং হাদীসের টীকা ও মুল রায় । পৃষ্টা নং ১৬১ আর খন্ড ৭ 

৯০৪৪ নং হাদীসের ব্যাখ্যাতে ইমাম তাবারী লিখেছেন যে (- আমি অন্যত্র সুষ্পষ্ট ভাবে তুলে ধরেছি যে মুতা হারাম , এখানে তা আবারো তুলে ধরা নিষপ্রয়োজন ।সুরা নিষে এর ২৪ নং আয়াতের ব্যাখ্যা । 

এবার  দেখা যাক ইমাম তাবারী (রহ) যে বললেন আমি অন্য খানে তুলে ধরেছি , এই খানে সুরা মুমিন  এর ৬-৭ নং আয়াত দেখা যেতে পারে। ।

তো এই খানে ইবনে কাছির ও কাজী সানাউল্লাহ পাণীপথি (রহ) 
ও ইমাম তাবারী (রহ) ও তাদের স্বীয় কিতাবে কি বর্ননা করেছেন তা আমি তুলে ধরলাম ।

আমার কাছে আর অন্য কোন তাফসীর গ্রন্থ নাই যে আমি তুলে ধরব। 
আর আমি যে সকল রেফারেনস দিয়েছি তার আগের ও পিছনের দশ দশটা পাতা করে দিতে পারব ।মুখে কথা না বলে কাজ করা উত্ত্ম মনে করি । 

আমি আমার প্রতিপক্ষের দেয়া সুরা নিসা এর ব্যাখ্যা থেকেই প্রমান করলাম যে মুতা বিবাহ রহিত হয়ে দিয়েছে । 

আমি অন্যদিকে এখন যেতে চাচ্ছি না।  
কোরান পাকের আরো কিছু আয়াত আছে।  যা থেকে মুতা বিবাহ রহিত হয়ে গেছে । 
পোষ্ট বড় হয়ে যাচ্ছে ।
আমি হাদীসের দিয়ে দৃষ্টি দিতে চাই 

১। আলী আবু তালিব থেকে বর্নীত –
খাইবরের যুদ্ধের দিন আল্লাহর রাসুল
মুতা বিয়ে ও গাধার মাংশ খাওয়া নিষেধ
করেন Bukhari, Volume 5, Book 59, Number 527
br /> ২। আলী আবু তালিব বলেছেন – খাইবর এর
দিন আল্লাহর রাসুল অস্থায়ী বিয়ে ও গৃহ
পালিত গাধার মাংশ খাওয়া হারাম
করেন। Muslim, Book 21, Number 4763
br /> ৩। সাবুরা ইবনে মাবাদ থেকে বর্নীত –
আল্লাহর রাসুল মহিলাদের
সাথে অস্থায়ী বিয়ে হারাম করেন।
Abu Dawood, Book 11, Number 2068
br /> ৪। সাবরা আল জাহানী বর্ননা করেন –
আল্লাহর রাসুল বলেছেন – হে মানব
সম্প্রদায়, আমি অস্থায়ী বিয়ের
অনুমতি দিয়েছিলাম কিন্তু আল্লাহ
সেটা (এখন) কেয়ামত পর্যন্ত নিষেধ
করেছেন। অতএব যাদের কাছে এখন এমন
অস্থায়ী স্ত্রী আছে তারা তাদেরকে মুক্ত
কর, এবং তাদেরকে যে মোহরানা দিয়েছ
সেটা ফেরত নিও না। Muslim, Book 008,
Number 3255
br /> ৫। আবদুল আল মালিক বর্ননা করেছেন –
আল্লাহর রাসুল রাসুল অস্থায়ী বিয়ের
অনুমতি দিয়েছিলেন কিন্তু মক্কা বিজয়ের
দিন সেটা নিষেধ করে দেন। Muslim, Book
008, Number 3257
br /> ৬। রাবী সাবরা বর্ননা করেছেন – আল্লাহর
রাসুল চুক্তি (অস্থায়ী)
করে বিয়ে করা বাতিল করেছিলেন। Muslim,
Book 008, Number 3259
br /> ৭। রাবী সাবরা বর্ননা করেছেন – আল্লাহর
রাসুল মক্কা বিজয়ের দিন
অস্থায়ী বিয়ে নিষেধ করেন।
Muslim, Book 008, Number 3260
br /> ৮। সাবরা আল জাহানী বর্ননা করেছেন –
আল্লাহর রাসুল
চুক্তি করে অস্থায়ী বিয়ে বাতিল
করেছিলেন এবং বলেছিলেন – শোন, আজ
থেকে কেয়ামত পর্যন্ত তোমাদের জন্য
অস্থায়ী বিয়ে বাতিল হল,
যারা মোহরানা দিয়েছ তা ফেরত নিও না।
Muslim, Book 008, Number 3262
br /> এতবার নিষেধ করার
পরে মুতা বিয়ে ইসলামে হালাল থাকে না।
মুতা বিয়ে স্পস্ট হারাম।
যারা মুতা বিয়ে করে তারা তাদের মতন
করে করে। এটা তাদের পদ্ধতি।
ইসলামে এটা নিষিদ্ধ।


ইমাম বুখারী রহ.আরো পরিষ্কার করে  বলেন, 
আলী (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু 
আলাইহি ওয়া-সাল্লাম থেকে 
এটা পরিস্কার করে বলে 
দিয়েছেন, 
"মুতা'আ বিবাহ প্রথা 
রহিত(নিষিদ্ধ) 
হয়ে গেছে।(সহীহ 
বুখারি অধ্যায়ঃ বিয়ে-শাদী, 
হাদিস নাম্বারঃ ৪৭৪৪) 

এত বেশি তাফসীর ও হাদীসের কি দরকার আছে মুতা বিবাহ হারাম করার জন্য ? 
বিজ্ঞবান রা জবাব দিবেন। 

সোহেল রানা 

শিয়াদের মুতা বিয়ের অপারেশন

শিয়া অপারেশন :- মুতা বিবাহ ;- 

শিয়াদের বিরুদ্ধে কোন দিন আমার লেখার ইচ্ছা আমার ছিল না । কিন্তু (shah fatehullah mazar) নামের এক আই ডি দেখি ওনেক সাহাবা (রা) গন কে কটাক্ষ গালিগালোজ ও ওনেক আপত্তি উপস্থাপন করেই যাচ্ছে । আর এদের বিরুদ্ধে জবাব দিচ্ছে (imran Khan bhai ) নামের আইডি টা । 

আমরা শিয়া দের কে ছেড়ে কথা বলি কারন বাংলাদেশে তারা নগন্য । তাদের কে কেউ হিসেব করে না । কিন্তু তারা দিন দিন কাদীয়ানি দের মত নিজের প্রচার কাজ চালাচ্ছে যা আমি ভেবে শংকিত । তাই  তাদের স্বরুপ প্রকাশ করা শুরু করলাম । 

শিয়া কাফের রা তোমরা তোমাদের মা বোন দের কে লাইন এ দ্বার করাও।  মুতা বিবাহ করা হবে ও করবে সুন্নি রা তোমাদের মা বোন দের কে । 


বিষয় আজ মুতা বিবাহ ;- 

তাদের কিতাব মোতাবেক মুতা বিবাহ এর ফজিলত ;- শিয়া দের কুখ্যাত আলেম ফাতাহ উল্লাহ আল কাশানী তার তাফসীরের মধ্য উল্লেখ করেন ;- রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন যে ;- যে বেক্তি একবার মুতা বিবাহ করবে তার মর্যাদা হবে হুসাইনের মর্যাদার সমান , যে দুইবার মুতা বিবাহ করবে তার মর্যাদা হবে হাসানের মর্যাদার সমান , যে বেক্তি তিন বার মুতা বিবাহ করবে তার মর্যাদা হবে আলী ইবনে আবু তালিব (রা) এর সামান  , যে বেক্তি চারবার মুতা বিবাহ করবে তার মর্যাদা হবে আমার মর্যাদার সমান (ফতহুল্লাহ আল কাশানী লিখিত তাফসীরু মানহাজীস সাদেকিন পৃষ্ঠা নং ৩৫৬ ) 

আবার দেখুন ;- উক্ত কিতাবে আরো উল্লেখ করেন যে বেক্তি মুতা বিবাহ না করে দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে কিয়ামতের দিন সে নাক কাটা অবস্থায় হাজীর হবে (ফতহুল্লাহ আল কাশানী লিখিত তাফসীরু মানহাজীস সাদেকিন পৃষ্ঠা নং ৩৫৬ )

আল কাশানী আরো লিখেন যে নবী পাক বলেন যে হযরত জীব্রাইল (আ) আমার নিকট আল্লাহর পক্ষ থেকে উপহার নিয়ে আসলো , আর ওই উপহার ছিল মুমিন নারীদের কে ভোগ করা । আর এই উপহার আল্লাহ তায়ালা আমার আগে অন্য কোন নবী ও রাসুল কে দেন নাই। আল্লাহ তায়ালা আমাকে এই বিশেষ পুরষ্কারে পুরষ্কৃত করেছেন কারন আমি পুর্ববরতি সকল নবী রাসুলের চেয়ে শ্রেষ্ট । 

সুতরাং যে বেক্তি জীবনে একবার মুতা বিবাহ করবে সে জান্নাত বাসীদের  সাথে জান্নাতে হবে । যখন তারা একে অপরের সাথে মিলিত হবে তখন একজন ফেরেশতা তাদের কে পাহারা দিবে ও তাহারা যা কথা বলবে তা আল্লাহর জিকির রুপে কবুল করা হবে ও সওয়াব পাবে , যখন তারা একে অপরের হাত ধরবে তখন তাদের গোনাহ গুলো ঝরে পড়তে থাকবে , যখন তারা একে অপর কে চুম্বন করবে তখন তাদের কে এক এক চুম্বনের পরিবর্তে হজ্জ ও ওনার এর সওয়াব দেয়া হবে , যখন তারা মিলন করবে তখন তাদের কামনা ও স্বাদের বিনিময়ে সুউচ্চ পর্বত সমান পুন্য লেখা হবে । যখন তারা গোসলে মশগুল থাকবেন তখন প্রত্যেক ফোটা থেকে এক একটা ফেরেশতা সৃষ্টি হয়ে তারা জিকির ও তসবীহ পড়তে থাকবে ও তাদের সওয়াব কিয়ামত পর্যন্ত লিপিবদ্ধ হতে থাকবে । 


তো এই হচ্ছে শিয়া দের সংক্ষিপ্ত মুতা বিবাহ এর আকিদা । চাইলে আরো ওনেক কিছু লিখতে পারতাম। পোষ্ট বড় হয়ে যাবে এমনেই। তাই বাদ দিলাম । 


তো মুতা বিবাহ যে যত বেশি করবে তত মর্যাদা ও বেশি হবে শিয়া দের হাদীস মতে । 

এমন কি চারটা মুতা বিবাহ করলে নবী পাকের মর্যাদা হাসিল হয়ে যাবে (নাউযুবিল্লাহ) 

এক নজরে মুতা বিবাহ কাকে বলে :- 
মুতা বিহবাহ ইসলামে যায়েজ ছিল , এখন নাই । 

মুতা বিবাহ নবী পাকের যুগে সাহাবা দের জন্য যায়েজ ছিল , কারন যখন তারা বউ বাচ্চা  কাফেরদের ভয়ে বাড়িতে রেখে যায় কোন দূরের কোন স্থানে তখন যেন তারা কোন হারাম কাজে জড়িয়ে না পড়েন তার জন্য সাময়িক বিবাহ (বর্তমানে বেশ্ব্যা বৃত্তি যাকে বলা হয় ) টাকার মাধ্যমে কোন নারীর কাছে কয়েকদিনের জন্য অবস্খান করা ও নিজের মাল সামান সেই নারীর কাছে রাখা , বা যাকে কন্টাক্ট মেরীজ ও বলা হয়। ঠিক সেই রকম । 

পরে যখন সেই নারীর কাছে থেকে চলে আসবে তখন তার কোন দায়ভার গ্রহন করা হয় না মুতা বিবাহ অনুসারে । তাতে কোন সাক্ষি বা কোন কিছুর প্রয়োজন ও নাই।  যেমন কিনা কন্টাক্ট মেরীজ । 

ঠিক সেই রকম। আমার হাতে সময় একটু কম তাই সংক্ষেপ করছি । 

আর এই বিবাহ আজ পর্যন্ত চালু রেখেছে এই জগন্য শিয়া রা 

এই মুতা বিবাহ হারাম করা হয়েছে তার কিছু দলিল। ;- 


 وَالَّذِينَ هُمْ 
 إِلَّا عَلَى أَزْوَاجِهِمْ أوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُهُمْ فَإِنَّهُمْ غَيْرُ مَلُومِينَ 
তবে তাদের স্ত্রী ও মালিকানাভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্রে সংযত না রাখলে তারা তিরস্কৃত হবে না। 

 
 
 فَمَنِ ابْتَغَى وَرَاء ذَلِكَ فَأُوْلَئِكَ هُمُ الْعَادُونَ 
অতঃপর কেউ এদেরকে ছাড়া অন্যকে কামনা করলে তারা সীমালংঘনকারী হবে।
এই সুরা মু-মিনুন ৬-৭) নং আয়াত । 
তারা কোরান পাকের আয়াত কে স্বীকার করে না নিজের স্বার্থে।  তা কোন দিন পোষ্ট করব । 

উক্ত আয়াতে নিজের স্ত্রী ও দাসী কে যায়েজ কিন্তু তা ছাড়া অন্য কাউকে আশা করলে  সীমালংঘনকারী হবে । 

তারা মুতা বিবাহ এর নামে হারাম কাজ করে মজা করে যত ইচ্ছা তত । 

এরপর দেখুন ;- 
 وَإِنْ خِفْتُمْ أَلاَّ تُقْسِطُواْ فِي الْيَتَامَى فَانكِحُواْ مَا طَابَ لَكُم مِّنَ النِّسَاء مَثْنَى وَثُلاَثَ وَرُبَاعَ فَإِنْ خِفْتُمْ أَلاَّ تَعْدِلُواْ فَوَاحِدَةً أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ ذَلِكَ أَدْنَى أَلاَّ تَعُولُواْ 
আর যদি তোমরা ভয় কর যে, এতীম মেয়েদের হক যথাথভাবে পুরণ করতে পারবে না, তবে সেসব মেয়েদের মধ্যে থেকে যাদের ভাল লাগে তাদের বিয়ে করে নাও দুই, তিন, কিংবা চারটি পর্যন্ত। আর যদি এরূপ আশঙ্কা কর যে, তাদের মধ্যে ন্যায় সঙ্গত আচরণ বজায় রাখতে পারবে না, তবে, একটিই অথবা তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসীদেরকে; এতেই পক্ষপাতিত্বে জড়িত না হওয়ার অধিকতর সম্ভাবনা।

সুরা নিসা আয়াত নং ৩

এই আয়াতে বিয়ে করার একটা সীমা দেয়া হয়েছে । 

বলা হয়েছে যে ;- যদি কারো দায় নিতে পার তা হলে ১-২-৩-৪ আর যদি দায় ভার ঠিক ভাবে গ্রহন করতে না পার তা হলে ১ টা আর যদি তার সামর্থ না থাকে তা হলে দাসী দের কে । 

এই খানে মুতা বিবাহ এর কথা বলা হয় নাই যে পারলে সাময়িক বিবাহ কর । 

সুরা নিসা এর ২৫ নং আয়াতে আছে 
وَمَن لَّمْ يَسْتَطِعْ مِنكُمْ طَوْلاً أَن يَنكِحَ الْمُحْصَنَاتِ الْمُؤْمِنَاتِ فَمِن مِّا مَلَكَتْ أَيْمَانُكُم مِّن فَتَيَاتِكُمُ الْمُؤْمِنَاتِ وَاللّهُ أَعْلَمُ بِإِيمَانِكُمْ بَعْضُكُم مِّن بَعْضٍ فَانكِحُوهُنَّ بِإِذْنِ أَهْلِهِنَّ وَآتُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ مُحْصَنَاتٍ غَيْرَ مُسَافِحَاتٍ وَلاَ مُتَّخِذَاتِ أَخْدَانٍ فَإِذَا أُحْصِنَّ فَإِنْ أَتَيْنَ بِفَاحِشَةٍ فَعَلَيْهِنَّ نِصْفُ مَا عَلَى الْمُحْصَنَاتِ مِنَ الْعَذَابِ ذَلِكَ لِمَنْ خَشِيَ الْعَنَتَ مِنْكُمْ وَأَن تَصْبِرُواْ خَيْرٌ لَّكُمْ وَاللّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
আর তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি স্বাধীন মুসলমান নারীকে বিয়ে করার সামর্থ্য রাখে না, সে তোমাদের অধিকারভুক্ত মুসলিম ক্রীতদাসীদেরকে বিয়ে করবে। আল্লাহ তোমাদের ঈমান সম্পর্কে ভালোভাবে জ্ঞাত রয়েছেন। তোমরা পরস্পর এক, অতএব, তাদেরকে তাদের মালিকের অনুমতিক্রমে বিয়ে কর এবং নিয়ম অনুযায়ী তাদেরকে মোহরানা প্রদান কর এমতাবস্থায় যে, তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবে-ব্যভিচারিণী কিংবা উপ-পতি গ্রহণকারিণী হবে না। অতঃপর যখন তারা বিবাহ বন্ধনে এসে যায়, তখন যদি কোন অশ্লীল কাজ করে, তবে তাদেরকে স্বাধীন নারীদের অর্ধেক শাস্তি ভোগ করতে হবে। এ ব্যবস্থা তাদের জন্যে, তোমাদের মধ্যে যারা ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার ব্যাপারে ভয় করে। আর যদি সবর কর, তবে তা তোমাদের জন্যে উত্তম। আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুণাময়।

এই খানে স্বাধীন নারীদের কে বিয়ে করার কথা বলা হয়েছে।  যদি তা সম্ভব না হয় তা হলে দাসী দের কে মালিকের অনুমতি নিয়ে বিয়ে করতে বলা হয়েছে , তা ব্যাভীচারিনি ও উপপতি(একের অধিক কোন সাময়িক পতি) গ্রহন কারী হবে না । 

আর যদি কোন দাসী কোন ব্যভিচার করে তা হলে তার শাস্তি ও বরননা করা হয়েছে । 
আর যদি দাসীদের কে বিয়ে না করে সবুর কর তা হলে তা তোমার জন্য আরো উত্তম।  হয়তো বা আল্লাহ তোমাকে কোন স্বাধীন নারী দান করতে পারেন। 

এই খানে  বিয়ের মুল নীতী ধারা বর্ননা করা গেয়ে গেছে । 

সুরা নূর এর ৩৩ নং আয়াত দেখুন :-
 وَلْيَسْتَعْفِفِ الَّذِينَ لَا يَجِدُونَ نِكَاحًا حَتَّى يُغْنِيَهُمْ اللَّهُ مِن فَضْلِهِ وَالَّذِينَ يَبْتَغُونَ الْكِتَابَ مِمَّا مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ فَكَاتِبُوهُمْ إِنْ عَلِمْتُمْ فِيهِمْ خَيْرًا وَآتُوهُم مِّن مَّالِ اللَّهِ الَّذِي آتَاكُمْ وَلَا تُكْرِهُوا فَتَيَاتِكُمْ عَلَى الْبِغَاء إِنْ أَرَدْنَ تَحَصُّنًا لِّتَبْتَغُوا عَرَضَ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَمَن يُكْرِههُّنَّ فَإِنَّ اللَّهَ مِن بَعْدِ إِكْرَاهِهِنَّ غَفُورٌ رَّحِيمٌ 
যারা বিবাহে সামর্থ নয়, তারা যেন সংযম অবলম্বন করে যে পর্যন্ত না আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দেন। তোমাদের অধিকারভুক্তদের মধ্যে যারা মুক্তির জন্য লিখিত চুক্তি করতে চায়, তাদের সাথে তোমরা লিখিত চুক্তি কর যদি জান যে, তাদের মধ্যে কল্যাণ আছে। আল্লাহ তোমাদেরকে যে, অর্থ-কড়ি দিয়েছেন, তা থেকে তাদেরকে দান কর। তোমাদের দাসীরা নিজেদের পবিত্রতা রক্ষা করতে চাইলে তোমরা পার্থিব জীবনের সম্পদের লালসায় তাদেরকে ব্যভিচারে বাধ্য কারো না। যদি কেহ তাদের উপর জোর-জবরদস্তি করে, তবে তাদের উপর জোর-জবরদস্তির পর  ও আল্লাহ তাদের প্রতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।


আল্লাহ তায়ালা। এই আয়াতে সুস্পষ্ট করে বলেছেন যাদের সামর্থ নাই যতক্ষন পর্যন্ত আল্লাহ তাদের কে  ওভাব মুক্ত না করেন ততক্ষন পর্যন্ত যেন তারা সবুর করে । 

আর দাসী দের বিষয় আল্লাহ তায়ালা বলেছেন যে ;- 
তোমাদের দাসীরা নিজেদের পবিত্রতা রক্ষা করতে চাইলে তোমরা পার্থিব জীবনের সম্পদের লালসায় তাদেরকে ব্যভিচারে বাধ্য কারো না। যদি কেহ তাদের উপর জোর-জবরদস্তি করে, তবে তাদের উপর জোর-জবরদস্তির পর আল্লাহ তাদের প্রতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
। এই আয়াত থেকে এটা ও প্রমানিত যে দাসী রা যদি মিলিত হতে না চায় তা হলে তাদের কে অর্থের লোভ দেখিয়ে পাপে লিপ্ত হইও না।  আর যদি জবরদস্তি কর তা হলে আল্লাহ তাদের প্রতি ক্ষমাশীল। কারন আল্লাহ সকল কিছুই জানেন। 

এই  আয়াতের পর সুস্পষ্ট যে মুতা বিবাহ ও হারাম। এমন কি দাসী যদি না চায় নিজে থেকে তো তার সাথে মিলিত হওয়া ও হারাম। । 



এবার হাদীস থেকে কিছু কথা ;- 
নবী পাক বলেছেন ;- হা লোক সকল , আমি তোমাদের কে (সাময়িক বিবাহের মাধ্যমে ) নারী দের কে ভোগ করার অনুমতি দিয়েছিলাম , আর আল্লাহ তায়ালা তা কিয়ামত পর্যন্ত হারাম  ঘোষনা করেছেন । সুতরাং যার নিকট তাদের পক্ষ থেকে কোন বস্তু  রয়েছে , সে যেন তার পথ উন্মুক্ত করে দেয় । আর তোমরা তাদের কে যা প্রদান করেছো তার মধ্য থেকে কিছুই  গ্রহন করো না (স্হিহ মুসলিম ) ৩৪৮৮ বিবাহ অধ্যায় বাব নং ৩ 

মুসলিম শরীফ এ আরো  বর্নিত আছে যে ;- রাসুলুল্লাহ (সা)  মুতা বিয়ে থেকে নিষেদ করেছেন, এবং বলেছেন যে   নিশ্চয় তা(মুতা বিবাহ )  এই দিল থেকে কিয়ামতের দিন পর্যন্ত হারাম । আর যে কোন বেক্তি কোন কিছু দিয়েছে সে যেন তা আর গ্রহন না করে (স্হিহ মুসলিম বিবাহ অধ্যায় বাব নং ৩ হাদীস নং ৩৪৯৬

ইবনে আব্বাস (রা) বর্ননা করেন যে ;- মুতা বিবাহ ইসলামের প্রথম দিকে যায়েজ ছিল , পুরুষ বেক্তি বিভিন্ন শহরে আগমন করত যা তার নিকট অপরিচিত । অতপর সে সেই পরিমান সময় অতিবাহীত করত , সেই পরিমান সময়ের দন্য কোন নারী কে বিয়ে করত , অতপর সে তার মাল মাত্তার হেফাজত করত , ও তার জিনিস পত্র  তার (স্বামীর জন্য) ঠিক করে  রাখবে , শেষ পর্যন্ত এই আয়াত নাযিল হল ( যারা তাদের যৌনাঙ্গ কে সংযত  রাখে নিজেদের  স্ত্রী ও দাসীগন বেতীত ) 
ইবনে আব্বাস (রা) বলেন এই দুই যৌন অংগ ছারা বাকি সকল  যৌনাঙ্গ হারাম । (সুনানু তিরমিজি ) ১১২২

এই সকল কিছুর পর ও মুতা বিবাহ কে যায়েজ ও সওয়াবের কাজ মনে করে এই কাফের শিয়া রা । 

এরা আজ পর্যন্ত  গাধার মাংস খাওয়া  কে যায়েজ মনে করে । 

তোমরা যদি সত্যি এখন ও মুতা বিবাহ থেকে দুরে আসতে না চাও তা বলে তোমাদের বোন দের মোবাইল নং বাড়ির দরজায় লিখে দাও। 

আর প্রত্যেকে তোমাদের বোন কে অর্থের বিনিময়ে মুতা বিবাহ এর নামে ভোগ করবে । 

দেখি তোমরা কে কত বড় নেক্কার  ও আহলে বায়েতের অনুসরনকারী । 

কুলাংগারের জাত। 


সোহেল রানা 

শিয়া দের সুরা কাওসার নিয়ে অপব্যাখ্যা

Abdullah ansari নামের এক জাহেল শিয়ার মিথ্যাচার সুরা কাওসার নিয়ে 


শিয়াদের যে সকল হাদীসবেত্তা আছেন তাদের একটা বিশেষ সুনাম আছে তা হচ্ছে মিথ্যা ও মন গড়া কাহীনি তৈরি করতে এদের মুখে ও বাঁধে না আর জবান চলে যেমন কঁচু ক্ষেতে চলে চলো কাঁচি ।
কাল এক কথিত আনসারী এর কমেন্ট দেখলাম (লিখেছে যে মা খাতুনে জান্নাত এর বিষয় কি লিখেছেন ? ভেবে লিখেছেন ? রাসুলুল্লাহ (সা) এর মেয়ে , জিনার নামে সুরা কাওসার নাযিল হয়েছে , 

আমার কথা এবার ;-  আমি বলালাম তাকে যে সুরা কাওসার এর শানে নুযুল কি জানা আছে ? বলে হা আছে  আর প্রমান করতে পারবেন ? । ১ নং 
إِنَّا أَعْطَيْنَاكَ الْكَوْثَرَ
আয়াত দিয়ে বললাম এর অর্থ কি ? আমাকে বলে পুরা লিখে অর্থ বল । সে তো অর্থ বলেই নাই, উল্টা পল্টি মেরে বলে এই সুরা নাযিল হয়েছে এই কারনে যে নবী পাক নিসন্তান ছিল তাই আল্লাহ এই সুরা নাযিল করেছেন । 
বললাম কোন তাফসীরে আছে ? 
শেষে দিল তাফসীরের নাম দিয়ে কিছু কিচ্ছা কাহীনি , যে নবী পাক কে কাফের রা নিবাস বলত নবী পাকের সন্তান এর ওফাতের পর । চাই আল্লাহ হাফেজ কাওসার দান করে সম্মানিত করেছেন আর কিয়ামত পর্যন্ত ওনার মেয়ের বংশ থেকে ক্রমানুপাতিক ভাবে চলতে থাকবে । এটা সেটে , আমি তার কমেন্টের স্ক্রিন শুট দিলাম  নিজেরা পড়ে নিন । 

আমের আঠা কাঁঠালে লাগানোর কিচ্ছা শুনতে মন চাইলে শিয়া দের কাছে বসুন। চাদেক বুড়ির সুতা কাটার গল্প শোনাবে । 

এবার দেখা যাক কি আছে ইবনে কাছির এ এই আয়াতের শানে নুযুল ;- মুসনাদ এ আহমেদ এ আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্নিত হয়েছে যে রাসুলুল্লাহ (সা) কিছুক্ষন তনদ্রাচ্ছন্ন হয়েছিলেন । কিছুক্ষন পরে হাসি মুখে তনদ্রাচ্ছন্নতা থেকে উঠার কারন জিগ্গেস করা হলে তিনি বলেন যে ;- এই মাত্র আমার উপর একটা সুরা নাজিল হয়েছে বলে তিনি বিসমিল্লাহ পাঠ করে তা পড়ে শোনান সবাই কে । তারপর তিনি সাহাবা গন কে জিগ্গেস করলেন কাওছার কি তোমরা জানো ? সকলে সাহাবা (রা) গন বললেন আল্লাহ ও তার রাসুলই ভাল জানেন । এর পর নবী পাক বললেন  কাওসার হল একটা জান্নাতি নহর (নালা,নদী, দরিয়া) তাতে বহু কল্যান নিহিত আছে , মহিমান্বিত আল্লাহ আমাকে তা দান করেছেন , কিয়ামতের দ্বীন আমার উম্ম্ত সেখানে সমবেত হবে । আসমানে যত নক্ষত্র আছে সে দিন কাওসারের তত পেয়ালা হবে । কিছু লোক কে কাওসারের কাছে থেকে সরিয়ে দেয়া আমি , তখন আমি বলব হে পরওয়ারদেগার, এরা আমারই উম্ম্ত । তখন তিনি বলবেন তুমি জানো না তোমার ওফাতের পর তারা কত রকম বেদাত চালু করেছে ।(ইবনে কাছির ) ১৮ খন্ড , পৃষ্টা নং ২৯৩ 

এই খালে মা ফাতেমা (রা) এর কি কোন জিকির আছে ? 
এই সুরা কি মা ফাতেমার জন্য নাযিল হয়েছে ? কোন দলিল বলা আছে ? 

আর একটা কথা এই খানে বাকি আছে আর তা হচ্ছে ওনার সন্তানের বিষয় - এই শিয়ারা ৩ নং আয়াত কে দলিল করে প্রমান করতে কি চায় তা তাঁরাই ভালো জানে । আল্লাহ তায়ালা ৩ নং আয়াতে বলেন (নিশ্চয় তোমার প্রতি বিদ্বেস পোষনকারীই তো নির্বংশ ) 

এই আয়াতে একটু ব্যাখ্যা দেয়া দরকার মনে করছি (:- মোহাম্মদ ইবনে কারাযী ও আতা (রহ) বলেছেন যে আল্লাহ তায়ালা সুরার তিন নং আয়াতে বলেছেন (নিশ্চয় তোমার প্রতি বিদ্বেষ পোষনকারীই নির্বংশ) অর্থাৎ যারা তোমার প্রতি শত্রুতা পোষন করে তাঁরাই লাঞ্চিত ধিকৃত অপমানিত ও লেজ কাটা তাদেরই।

এই আয়াত আস ইবনে ওয়ায়েল সম্পর্কে বর্নিত হয় । এই খবিস নবী পাক (সা) এর কথা শুনলেই বলত যে ওর কথা রাখ ওর কথা রাখ । ওর তো পুত্রসন্তান নাই। ও তো নির্বংশ । মিত্তুর পরই ও বেনাম-নিশান হয়ে যাবে (নাউযুবিললাহ ) আল্লাহ তায়ালা তখন এই সুরা অবতীর্ন করেন । 

শাম ইবনে আতিয়্যাহ বলেন ইকবাল ইবনে আবী  মুইত সমন্ধে এই আয়াত নাযিল হয় ।ইবনে আব্বাস (রা) কাব বিন আশরাফ ও কোরায়েশদের একটু দলের জন্য এই আয়াত নাযিল হয় । 

মুসনাদ এ বাযযার এ বলা আছে ইবনে আব্বাস (রা) থেকে যে :- কাব ইবনে আশরাফ যখন মক্কার আসেন তখন কোরায়েশ রা তাকে বলে যে আপনি সেই ছোকরা (নবী পাক (সা) কে কি দেখেন না যে সে সকলের থেকে আলাদা হয়ে আছে ও নিজেকে শ্রেষ্ট মনে করছে । অথচ আমরা কাবা ঘরের দেখাশোনা কারী ও হাজীদের বংশধর। তখন ইবনে আশরাফ বলেন অবশ্যই তোমরা তার থেকে শ্রেষ্ট । আল্লাহ তায়ালা তখন নবী পাক (সা)'র এর শান শওকাত আরো বৃদ্ধি করেন ও এই আয়াত এই সুরা নাজিল করেন । 

আতা (রহ) বলেছেন যে এই আয়াত আবু লাহাব এর সম্পর্কে অবতীর্ন । রাসুলুল্লাহ (সা) এর সন্তানের ইন্তেকালের পর এই আবু লাহাব মুশরিক দের কে বলে বেড়াত যে আজ রাতে মুহাম্ম্দের বংশ বিলোপ করা হয়েছে । আল্লাহ তায়ালা তখন এই আয়াত নাযিল করেন । ইবনে আব্বাস (রা) থেকে এ উক্তি ও বর্ননা করা হয়েছে । এ আব্বাস (রা) এ ও বলেন যে এই আয়াত দ্বারা রাসুলুল্লাহা (সা) এর সমস্ত শত্রুদের কে বোঝানো হয়ে । যাদের নাম নেয়া হয়েছে তারা ও ও যাদের নাম নেয়া হয়নি তারাও । 

এই কথিত আনসারী যে বললো , যে  হযরত মা ফাতেমা (রা) এর কারনে  এই সুরা নাযিল হয়েছে , তা কি করে বললো ? এখন কো দেখা যাচ্ছে এই সুরা নাজিল হয়েছে আবু লাহাব বা উকবা ইবনে আবী মুইত বা কার ইবনে আশরাফের কারনে । কারন কারা আল্লাহর রাসুল কে কষ্টে দিচ্ছিল । তাই আল্লাহ তায়ালা এই সুরা নাযিল করেন । উপরে সকল বর্ননা (ইবনে কাছির থেকে দেয়া ) সকলে কিতাবের সাথে মিলিয়ে নিতে পারেন ।১৮ খন্ড ২৯৩-২৯৬ পর্যন্ত 

তো এটা প্রতিয়মান যে আল্লার রাসুল  কে কষ্ট দেয়ার কারনে এই সুরা নাযিল করা হয়েছে কতিপয় কাফের দের কে লাঞ্চিত করে । 

এখন যে তারা বললো যে মা ফাতেমা এর কারেন এই সুরা নাজিল হয়েছে তা হলে কি সেই সকল কাফেরদের করা দোষ গুলি মা ফাতেমার উপর দেয়া হবে না ? (নাউযুবিল্লাহ) 
সেই কাফের রা যা যা করেছেন আর যে কারনে সুরা নাদাল হল তা কি মা ফাতেমার উপর বর্তাবে না আপনার কথা মত (নাউযুবিল্লাহ) 

আপনি একবার কি চিন্তা করেছেন যে আপনি কত বড় দোষে দোষী করেছেন আমার নবীর কলিজার টুকরা হযরত মা ফাতেমা (রা) কে 


প্রত্যেকটি বিষয় আপনারা অতিরঞ্জন করে করে কাফের দের কে পিছনে ফেলে এসেছেন। আর এমন মিথ্যা মনগড়া কথা তোমরা ও বেদ্বীন রাই বলে থাকে ।




শিয়ারা পায়ু পথে মিলন করে , মলদ্বার দিয়ে

শিয়া দের মিথ্যা অপবাদ গালী গালোজ তো আছেই আছে , এদের আছে আরো অনেক গোপন বিষয় যা প্রকাশ করে না কিন্তু কাজের বেলায় করে থাকে ও তাদের কিতাব গুলোতে মওজুদ আছে বস্তা ভরা । 

আর এমনি একটা বিষয় স্ত্রীর সাথে পায়ু পথে মিলনে লিপ্ত হওয়া । 

আগে তাদের কিতাব গুলো থেকে কিছু বর্ননা তুলে ধরা যাক ;- 
আবু জাফর মোহাম্ম্দ ইবনে হাসান আত-তুসী তার( আল- ইসতিবসার)  গ্রন্থে বর্ননা করেছেন যে ;- আব্দুল্লাহ ইবনে আবী ইয়াফুর থেকে বর্নিত , তিনি বলেন যে :- আমি আবু আব্দুল্লাহ আ কে জিগ্গেস করলাম ঐ পুরুষ বেক্তির সম্পর্কে যে তার স্ত্রীর পিছনের রাস্তা দিয়ে মিলিত হয় , তখন  তিনি বললেন যে , সে (স্ত্রী) রাজী থাকলে কোন অসুবিধা নাই । তখন আমি বললাম যে আল্লাহর কালাম ( তাদের নিকট সে ভাবে গমন কর যে ভাবে আল্লাহ তায়ালা তোমাদের কে আদেশ করেছেন )  এই আয়াতের বাস্তবতা কোথায় ? 
তখন তিনি বললেন যে :- এই আয়াতের বিধান সন্তান কামনার ক্ষেত্রে  প্রযোজ্য । (সুতরাং তোমরা সন্তান অনুসন্ধান কর ) যে ভাবে আল্লাহ তোমাদের কে আদেশ  করেছেন । নিশ্চয় আল্লাহ তায়ালা বলেন , (তোমাদের স্ত্রীগণ তোমাদের শষ্যক্ষেত্র, সুতরাং যে ভাবে ইচ্ছা তোমরা তোমাদের শষ্যক্ষেত্রে গমন কর ) সুরা বাকারা আয়াত নং২২৩ । আবু জাফর মোহাম্ম্দ ইবনে হাসান আত-তুস প্রনোদীত (আল-ইসতিবসার ) ৩য় খন্ড ২৪৩ নং পৃষ্টা । 



এই খানে দেখুন কি ভাবে আল্লাহর কালাম কে অস্বীকার করে তার অপব্যাক্ষা করে অন্য আর এক আয়াতের অপব্যবহার করে তারা পায়ু পথে মিলন করা যায়েয প্রমান করতেছে । 

এর পর আর একটা আয়াত দেখুন ;- আল-ইসতিবসার নামক গ্রন্থে আরো বর্ননা করা হয়েছে যে ;- মুসা ইবনে আব্দেল মালেক থেকে বর্নিত, তিনি জৈনিক বেক্তি থেকে বর্ননা করেন যে :- তিনি বলেন আমি আবুল হাসান রেজা আ , কে জিগ্গেস করলাম পুরুষ বেক্তি স্ত্রীর পিছনের রাস্তা দিয়ে মিলিত হওয়া সম্পর্কে । তখন তিনি বলেছেন যে ;- আল্লাহ তায়ালার কিতাবে একটা আয়াত তা বৈধ করে দিয়েছে , আর তা হচ্ছে লুত (আ) এর বানী ;- (এরা আমার কন্যা , ও তোমাদের জন্য তারা পবিত্র ) কারন তিনি (লুত আ) জানতেন যে তারা (সেই সম্প্রদায়ের লোক) সম্মুখ গুপ্তাঙ্গের প্রত্যাশী ছিল না ।(নাউযুবিল্লাহ ) 
(আল- ইসতিবসার) ৩য় খন্ড পৃষ্টা নং ২৪৩

এখানেও দেখুন যে কি ভাবে আয়াতের অপব্যাক্ষা করা হয়েছে । আল্লাহর সম্মানীত নবী হযরত লুত (আ) কওমের লোকজন পুরুষে পুরুষে মিলিত হত । আল্লাহ তাদের কে ধংস করার জন্য সুন্দর চেহরার সুশ্রী বালক রুপে ২ জন ফেরেশতা প্রেরন করেন । আর তারা লুত (আ) এর ঘরে আশ্রয় নেয় । সেই সম্প্রদায়ের লোকজন লুত (আ) কে চাপ দিতে থাকে সেই বালক রুপের ছেলেদের কে আকাংখা করে । 

তখন হযরত লুত (আ) তাদের কে সেই ফেরেশতা দের কে তাদের হাতে তুলে দিতে অস্বীকার করেন ও বলেন যে তোমরা আমার কন্যাদের কে নিয়ে যাও। এবং মিলন কর।  তবুও তোমরা পিছনের রাস্তায় মিলিত হওয়ার জন্য বালক দের কে চেও না । 

তিনি নিজের মেয়েদের কে  তুলে দিতে চেয়েছেন এই কারনে যে তারা সামনের রাস্তায় মিলিত হবে । পিছনের রাস্তা দিয়ে নয় । ও গোনাহ থেকে তারা মুক্ত থাকবে । 

তিনি তার কন্যাদের কে পিছনের রাস্তায় মিলিত হওয়ার জন্য নিজের কন্যা দের কে দিতে চান নাই । 

কিন্তু শিয়া কুলাংগার দের জাত কি রকম একটা অপব্যক্ষা করেছেন এই আয়াতের তা শুদ্ধ চিত্তের লোকজন চিন্তা ও করতে পারে না । 

এই রকম ওনেক বর্ননা দেয়া আছে ওদের কিতাব গুলোতে । 
আমি তা তুলে ধরা আর প্রয়োজন  মনে করছি না । 


এবার  জবাব কোরান ও হাদীসের আলোকে ;- 
সুরা বাকারা ;- আয়াত নং ২২৩;- 
তোমাদের স্ত্রীগণ তোমাদের শষ্য ক্ষেত্র, সুতরাং যে ভাবে ইচ্ছা তোমরা তোমাদের শষ্য  ক্ষেত্রে গমন কর)। 

নিশ্চয় আল্লাহ তায়ালা প্রত্যেক স্বামী কে তার চাষের যায়গা (সম্মুখ স্থান) আবাদের অনুমতি দিয়েছেন। কিন্তু পিছনের রাস্তা নয় ।  
আর যদি মনে করেন পিছনের রাস্তা ও শষ্যক্ষেত্র , তা হলে পিছনের রাস্তায় আবাদ কৃত শষ্য কি তা আমারে অবহিত করুন । 


এর পর আবার দেখুন ;- আর আল্লাহ তায়ালা বলেন :- 
লোকে তোমাকে রক্ত স্রাব (হায়েয )সমন্ধে জিগ্গেস করে । বল তা অশুদ্ধ(না পাক) সুতরাং তোমরা রক্ত স্রাব কালে স্ত্রী সংগম  বর্জন করবে ,ও পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত স্ত্রী সংগম  করবে না ( সুরা বাকারা ২২২) 

উক্ত আয়াতে কারীমায় আল্লাহ তায়ালা হায়েজ অবস্থায় স্ত্রী সংগম করতে মানা করেছেন যতক্ষন পর্যন্ত তা পবিত্র না হয় । 
আর যদি যদি হায়েযের আগে পিছনের রাস্তায় মিলিত হওয়া যায়েজ হয় তা হলে আল্লাহ তায়ালা  নিশ্চয় বলে দিতেন যে হায়েয অবস্থায় পিছনের রাস্তায় মিলিত হও।  সামনের রাস্তায় নয় । কিন্ত আল্লাহ তায়ালা এমন কেন কথা বলেন নাই । বরং সম্পুর্ণ রুপে তা হারাম করেছেন । 

একবার চিন্তা করুন তো পিছনের রাস্তায় সর্বক্ষন মানুষের বর্জ্য থাকে । সেই রাস্তা কি ভাবে যায়েজ হতে পারে ? জবাব দিবেন কি ? 

আবু হোরায়রা (রা) বর্ননা করেন যে ;- রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন যে , যে বেক্তি জ্যোতিসীর নিকট যায় ও সে যা বলে তা বিস্বাস করে ও রাজঃস্রাবের সময় সংগম করে অথবা পায়ু পথে মিলিত হয় সেই বেক্তি মুহাম্মদ (সা) এর প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে তে থেকে মুক্ত ( আবু দাউদ ৩৯০৬) 

রাসুলুল্লাহ (সা) আরো বলেন ;- যে বেক্তি স্ত্রীর সাথে পায়ু পথে মিলিত হয় সে বেক্তি অভিশপ্ত (আবু দাউদ) ২১৬৪ 


এই খানে একটা কথা মনে পড়ল যে শিয়ারা কিন্তু হযরত আবু হোরাইরা (রা) কে দুই চোক্ষ দিয়ে নাম ও দেখতে পারে না আর ওনাকে হারামের সন্তান বলে থাকে ও প্রচুর গালী গালোজ করে থাকে (নাউযুবিল্লাহ ) 

তো উপরোক্ত হাদীস থেকে ও কালামুল্লাহ থেকে সুস্পষ্ট যে পিছনের রাস্তায় স্ত্রী মিলন করা হারাম কাজ । আর যে করবে সে উম্মত এ মোহাম্ম্দি থেকে খারিজ। আর যে খারিজ সে কাফের। আর যে কাফের তার যায়গা জাহান্নাম । সেখানে থাকবে সে অনন্তকাল । 

কিন্তু শিয়া দের ইমাম গন শরিয়াত প্রনয়ন করার ক্ষমতা রাখেন যেমন কি না হিন্দু দের পন্ডিত গন । এই নিয়ে একদিন পোষ্ট করব ইনশাল্লাহ 

আল্লাহ আমাদের সকল কে এমন বদ আকিদা ও ঘৃন্যকার্য  হতে নিরাপদ রাখুন আমীন।

আর যারা আমাদের বোন আছেন তাদের কে বলব যে ;- আপনারা নিজেদের মান ও আমান ইমান রক্ষার্থে এমন ঘৃন্য কাজে মিলিত হবেন না , 
আর শিয়া দের কে বিয়ে করা থেকে দুরে থাকুন। কারন এদের দলটা হচ্ছে এমন যে (- শিয়া,  THE NAME OF KULANGAR 

চলবে