শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

রশিদ আহমাদ গান্গুহী ও কাসেম নানুতাভি সমকামী

 ওবন্দী দের কিতাব (আরওয়াএ ছলাছা ) কিতাব এ ২৮৯ ন পেজ বলা হয়ছে যে একবার রশিদ আহমাদ ও কাসেম নানুতাভি ও তাদের সকল মুরিদ গণ উপস্থিহ ছিল আর রশিদ আহমাদ কাসেম নানুতাভি কে অনেক পিয়ার ভরা সুরে সুয়ে যেতে বললেন ৷ কাসেম সাহেব না সুয়েলে তিনি আবার বললেন এর পর কাসেম সাহেব সুয়ে পরলে রশিদ সেক্সি তার বুকের ওপর হাত রেখে তার পাশে সুয়ে পরেন যেমন একজন প্রেমিক ও প্রেমিকা সুয়ে থাকে ৷ এর পর রশিদ সাহেব তার বুকে হাত বুলাতে থাকেন আর কাসেম সাহেব বলেন এ কি করছেন আপনি ? এতো লোকের সামনে ? োকেরা কি বলবে ? রশিদ সাহেব বললেন ওদের যা খুসি বলতে দাও ৷
এখন আমার কথা হছে তারা লোকের ভয় করলো আল্লাহ এর না৷
পিট পিছে কি করত তা (সবার সামনে ? ) কথা টা এসেছে টা থেকে প্রমান মিলে এখন স্ক্রীন শুট কার লাগবে কমেন্ট করে বলেন —

দেওবন্দী দের কিতাব মানেই বেবাক বিনোদন

 দেওবন্দী দের কিতাব মানেই বেবাক বিনোদন 😝😝😝  ৷আশরাফ আলী থানবী এর কিতাব (ইফাজাতুল ইয়োমিয়া) তে তিনি (বেদাতি পীর )নামে একটা অধ্যায় লিখেছেন যে একজন  ৷ যে এক বেদাতি পীর এর মুরিদ পীর সাহেব কে বলল যে আমি হজ করতে যাব.  ৷ তখন পীর সাহেব বললেন যে আমার সালাম দিও নবী পাক সাল্লেলাহু আলায়হে সালাম কে৷ তো পীর নবী পাক এর রওজা পাক এর পাসে দাড়ায় নিজেও সালাম করলেন ও অনার পীর এর ও সালাম পৌছে দিলেন ৷ তো নবী পাক বললেন যে তোমার বেদাতি পীরকে ও আমার সালাম দিও ৷ এই কথা পীর সাহেব কাশ্ফের মাধমে জেনে নিলেন ৷ যখন মুরিদ ফিরে আসলো তো পীর বলল যে কি বলেছে নবী পাক বল ৷ মুরিদ বলল থাক আপনি লজ্জা পাবেন ৷ পীর বলল যে তিনি যা বলেছেন তাই বল এতে তোমার কোনো দোস নাই ৷ তখন মুরিদ বলল যে  তিনি বলেছেন তোমার বিদাতি পীর কে ও আমার সালাম দিও ৷ এই কথা সুনে পীর বেহুস হয় যায় 

আগেই বলেছি দেওবন্দী মানেই বেবাক বিনোদন৷ তো এখন কথা হছে যে পীর যদি বেদাতি হয় তো তার কিসের কাশফ ? তিনি কিভাবে কাশ্ফের মাধমে জানলেন ? আর যদি পীর বেদাতি হয় তাহলে কি নবী পাক ওনাকে সালাম দিয়ে বলবে যে তোমার পীরকে ও আমার সালাম দিও ? বলবে ? আর যার প্রতি নবী এর তরফ থেকে সালাম বর্ষিত হয় সে কি কখনো বিদাতি হতে পারে ? আর পীর  যখনমাধমে নিজে কাশ্ফের জেনে নিয়ে বেহুস হলনা তো মুরিদ এসে বলল তখন কিভাবে বেহুস হয় ? 
 
নাকি মাল খেয়ে তাল হয় কিতাব লিখত থানবী ? একটু জানাবেন ? 


অনেক খুঁজে ও পেজ নং টা দিতে পারলাম না. তার জন্য দুখিত ৷ তবে যেকোনো সময় পেলেই দিয়ে দেয়া হবে 

মুর্দার পাচায় লোহার খিল ঠুকে দিত

 1দেওবন্দী দের মোজাদ্দেদ আশরাফ আলী থানবী কে অনেক আগেই আমি সেক্ষি হেকিমুল উম্মত এর খেতাব দিয়েছি ৷ আজকে তার আরও একটা নমুনা হছে তার কিতাব (ইফাজাতুল ইয়োমিয়া) ৮ নং খন্ডের ১৩৩ নং পেগে একটা বিসয় উদাহরণ দিতে গিয়ে সে লিখেছে যে এক এলাকায় একজন কাফন চোর ছিল তার জালায় লোক অতিস্ঠিত হয়ে তার মিত্তুর জন্য দোয়া করত ৷ একদিন সেই লোকটা মারা গেল ও তার ছেলে তার বাবার কাজটা আবার সুরু করলো কিন্তু কাফন চরির সাথে সে অতিরিক্ত একটা কাজ করত সেটা হছে মুর্দার পাচায় লোহার খিল ঠুকে দিত ৷ তখন লোকজন বলতে লাগলো যে আগের চরটায় ভালো ছিল. ৷ এত মুরাদ্র পাচায় খিল ঠুকে দেয় আগের চোর কমছে কম এই কাজটা করত না  ৷

এখন আমার কথা হচ্ছে যে থানবী নাকি মুজাদ্দেদ ও হেকিমুল উম্মত মানে উম্মত এ মোহাম্মদী এর ডাক্তার ৷ তার ডাক্তারি এর নমুনা বেহেস্তি যেবার এর চিকিতসা অধ্যায় দেখলে প্রমান মেলে কত বড় বে শরম বেহায়া বেলজ্জা বেধর্মা অকর্মা ছিল বে জবান জানবার গুলোর ওপর কত যুলম করেছে  ৷ এখন একজন মুর্দার কাফন চুরির কথা কত সুন্দর ভাবে বেহায়া এর মত তার কিতাবে লিখে গেছে ৷ সে নাকি আবার মুজাদ্দেদ যার কথা বলার তরিকা ও জানা ছিল না

আশরাফ আলী থানবী একজন পাক্কা ওহাবী ছিল

আশরাফ আলী থানবী একজন পাক্কা ওহাবী ছিল ৷ এখন তার প্রমান হছে যে তার কিতাব (ইফাজাতুল ইয়মিয়াহ) ৩ রা খণ্ডের ১১৮ নং পেজ এ লিখেছেন যে এক বেক্তি সর্বদা মসজিদ এ কোরান পাট করত আবার নামাজের সময় নামাজ পরত আবার কোরান পাট ও নামাজে মশগুল থাকত 

এই অপরাধে একজন পুলিশ তাকে ধরে বলল এই সালা তোকে যখনি দেখি তখন নামাজ পর যখনি দেখি কোরান পরো তুই সালা ওহাবী  ৷ চাল থানায় চল  ৷ ঠিক সেই সময়  একজন লোক এসে বলল সার  এই লোক তো ওহাবী না এত সুন্নি  ৷ আমি একে অমুক  কবর সেজদা করতে দেখেছি অমুক বেশ্যা খানে দেখেছি অমুক কাউয়ালি গানের আসরে দেখেছি গান সুনতে  ৷ওহাবী এ হতেই পারে না এ পাক্কা সুন্নি  ৷ তখন পুলিশ তাকে ছেড়ে দিল 

তবে আজকাল ওহাবীদের নামে এত করাকরি হয়না ৷ সুধু পরিচয় তা বেকত করা হয়  ৷ যার পাজামা থাকবে গিরার ওপর কুর্তা থাকবে হাটুর নিচে কপালে থাকবে সেজদার দাগ সুন্দর ভাবে নামাজ পর্বে সেই ববে একজন ওহাবী

(ইফাজাতুল ইয়মিয়া) পার্ট ৩ পেজ ১১৮ সার কিতাব (মুসলমানের হাসি )পেজ নং ১৪২ 

এখন আমার কথা হছে থানবী কি রকম মানুষ ছিল আমার= হোশ কাজ করে না যে একজন লোক যদি সকাল থেকে সন্ধা নামাজ ও কোরান পাক তিলাওয়াত এ মশগুল থাকে আর সে অপরাধে যদি তাকে পুলিশ ধরে তো সেই বেক্তি কিভাবে বেশ্যা পারে আর কাউয়ালি গান সুনে বেড়াবে ? যখন থানবী নিজে বলল যে নামাজ আর তিলাওয়াত এ সেই লোক মশগুল থাকত ৷

আর লোকজন বা দেওবন্দী রা বলে সে নাকি সুন্নি ছিল ৷ কিন্তু এখন দেখেন কিভাবে একজন পরহেজগার সুন্নীর নামে তার কিতাবে লিখে গেছে আর ওহাবীদের কত সুন্দর তারিফ করে গেছে এখিন আপনারা বলেন সে কি মদ খেয়ে কিতাব লিখত ? 

দেওবন্দী-বালাকোটি একই মুদ্রার এপিট ওপিট


দেওবন্দী-বালাকোটি একই মুদ্রার এপিট ওপিট
**   **   **   **   **
¤মৌলভী ইসমাঈল দেহলভীর কুফরি কিতাব "তাকভীয়াতুল ঈমান" সম্পর্কে দেওবন্দী ওহাবীদের মতামত¤

*ওহাবী মৌলভী রশিদ আহমদ গাঙ্গুহী বলেন,মৌলভী ইসমাঈল দেহলভী সাহেব ছিলেন পরহেজগার আলেম বেদআতের উচ্ছেদকারী ও সুন্নাতের প্রচলনকারী।কুরআন হাদীসের পরিপূর্ন আমল ও সৃষ্টির হেদাতকারী।সর্বশেষে আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের মধ্যে কাফের হাতে শহীদ হয়ে গিয়েছেন।তিনি আল্লাহর অলী এবং শহীদ।"তাকভীয়াতুল ঈমান" অত্যন্ত উত্তম কিতাব।উহা শিরিক ও বিদাতের খন্ডনে লা জওয়াব।উহাকে প্রত্যেকের নিকট রাখা,পড়া ও আমল করাই প্রকৃত ইসলাম।
(ফতোয়ায়ে রশীদীয়া,৪২ পৃঃ)

*ওহাবীদের হাকিমুল উম্মত মৌলভী আশরাফ আলী থানবী বলেন,তাকভীয়াতুল ঈমানের মধ্যে কোন কোন শব্দ যা শক্ত হয়ে গেছে তা ঐ যুগের জিহালত বা মূর্খতার ঔষধ ছিল।
(ইমদাদুল ফতোয়া,৪র্থ খন্ড,১১৫ পৃঃ)

সত্য অন্বেষী ভাইয়েরা আপনারা কী বুঝলেন?ইসমাঈল দেহলভী যদি খাটি সুন্নী হতো তাহলে ওহাবীদের নিকট সে এবং তার কিতাব এত প্রসংসনীয় কেন?এ কিতাব যদি আহলে সুন্নাতের আলোকে লেখা হতো তাহলে দেওবন্দী ওহাবীদের কাছে এই কিতাব কিভাবে গ্রহনযোগ্য হল?
আপনাদের কাছে প্রশ্ন রইল

বিয়ের আগেই তালাক করে রেখে দেয়

দেওবিন্দী দের গুন যতই গাও ততই কম ৷ এরা বিয়ের আগেই তালাক করে রেখে দেয় আর সময় হলেই ফাস করে ৷ বিশাস হলো না ? Ok     দেওবন্দী দের মুজাদ্দে আশরাফ আলী তার কিতাব (বেহেস্তি জেবর ) ৪ নং খন্ডের ৪১ নং পেজ অ বলা হয়ছে যে মেয়েরা চাইলে আগেই বিয়ের বা বিয়ের সময় তালাক নামা লিখে রাখতে  পারেন ৷ কারণ পরে অনেক সমসা হয় যেমন অনেক দিন খোজ খবর নাই ,নিখোজ , বিদেশে গেছে আর আসেনা , ভালো সম্পর্ক নাই  এই সকল বিসয়ের জন্য অনেক সময় তালাক দিয়ে চাইলে ও পাওয়া যায় না  তাই বিয়ের সময় একসাথে তালাক নামা লিখে রাখলে পরে তালাক দেয়ার বিসয় কোনো সমস্যা হয় না ৷ সে ক্ষেত্রে ছেলের বাবার ও সকলের সই করিয়ে একটা তালাক নামা করে রাখা ভালো ৷

এখন আমার কথা হছে যে দেওবন্দী দের হোস কম ৷  আর এদের মুজাদ্দে ও কামাল লোক যা লেখে তা কিন্তু অনেক বোঝার বিসয় আছে আরে বিয়ের সময় বাসরের আগেই তালাক নামা করে রাখো আর যখন মনে চায় সেটা দেখি পরিত্রান পেয়ে নাও  ৷ দেওবিন্দী দের যে চরিত্র তা অবশ ঠিকই বলেছে তাদের মুজাদ্দেদ ৷ আশরাফ আলী ও জানত যে কোনো মেয়েই এই সমকামীদের সাথে ঘর করতে চাইবে না ৷ তাই বেশি যেন কষ্ট না হয় মেয়েদের এই সকল দেওবন্দী দের কে তালাক দিতে তাই তিনি উক্ত কিতাব (বেহেস্তি জেবর) ৪ নং খন্ডের ৪১ নং পেজ এ তালাক নামা করে রাখার কথা ও ৪২ নং পেজ এ কিভাবে লিখবে তালাকনামা তাও লিখে দিয়েছেন ৷ বিশাস না হলে বলেন গোলাম হাজির আছি কিতাবের পেজ এর স্ক্রিন সূত দেয়ার জন্য

Thanbi medicine

 আগেই বলেছি দেওবন্দী তেতুল দের বিয়ে করা থেকে দুরে থাকেন মেয়েরা ৷ কারণ দেওবন্দী দের মুজাদ্দেদ আশরাফ আলী থানবী তার কিতাব (বেহেস্তি জেবর ) এ যা বলেছেন তা একটু দেখেন সবাই  ৷

1. গাজরের বীজ অগ্নিতে নিক্ষেপ করে অগ্নি পাত্রে একটা ঢাকনা দিয়ে দিবে ৷ ঢাকনার ওপর দিকে একটা ফুটো আগেই করে নিবে  ৷ ঢাকনার ছিদ্র দিয়ে যে ধোয়া বের হবে তা যোনি দার দিয়ে জরায়ু পর্যন্ত পৌছতে দিবে  ৷ মানুষের চুলার ধুম উল্লেখিত নিয়মে জরায়ুতে পৌছবে  ৷ এতে ঋতু অনিয়ম ও ঋতু এর সকল সমসা ঠিক হয় যাবে  (বেহেস্তি জেবর ৯ম পার্ট পেজ নং ১০২ )

আমি বলি কারো জরায়ু ধোয়া দিয়ে বরবাদ করার ইচ্ছা থাকলে সে যেন ইটা অনুসরণ করে

2 .  কৃমি যেন উর্ধ গামী হইয়া ছেলেমেয়েদের নাসিকার ছিদ্র বন্ধ করতে না পারে সে জন্য নাক ,কান , গলদেশে কেরোসিন তেল লাগাইয়া দিবে ( বেহেস্তি জেবর ৯ম পার্ট পেজ ৯৫ )

আমি বলি একটু সেই কেরোসিনে আগুন ও লাগে দিতে তা হলে আর জীবনে কৃমি উর্ধ গমির চিন্তা থাকবে না

3. সমান ২ তা রসুন ও লবন বেটে সকালে খালি পেটে খেয়ে নিবে.  এতে মুখের দুর্গন্ধ চলে যাবে ( বেহেস্তি জেবর ৯ম পার্ট পেজ নং ৮৪ ) 

কাচা রসুন পেয়াজ খেয়ে মসজিদে আসতে নবী পাক মানা করেছেন ও ওনেক সাহাবী কে এই কারণে মসজিদ থেকে বের করে দিয়েছেন কারণ কাচা রসুন পেয়াজ খেলে মুখ থেকে গন্ধ আসে .....অনেক হাদিথ আছে এই বিসয়.   যার প্রজন আছে সে যেন বলে আমি ভূখারি সরিফ থেকে স্ক্রিন শুট দিয়ে দিব. আর থানবী বলে কাচা রসুন খেলে মুখের দুর্গন্ধ চলে যাবে

তো এই হছে দেওবন্দ এর মোজাদ্দেদ জার কাজ হারাম কে সেফা বলা আর নবী পাক  যেটা মানা করেছেন কাচা খেতে সেটা কে ঔষদ বলা