বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০১৪

About Hajir najir fajayele amol

দেওবন্দী দের কিতাব ফাজায়েলে আমল এর ফাজায়েলে হজ্জ অধ্যায় ২৯৮ পৃষ্টার ১৬ নং কাহিনীতে উল্লেখ করেছেন যে :- চহল বিন আব্দুল্লাহ বলেন আব্দুল্লাহ বিন সালেহ নামে একজন বুজুর্গ দীর্ঘদিন মক্কা শরীফে অবস্তান করছিলেন। আমি বললাম আপনি এত দীর্ঘ দিন এই খানে কেন অবস্থান করতেছেন ? তিনি বললেন   যে কেন এই সহরে অবস্থান করব না ? এই সহরে এত রহমত এর বর্ষণ হয় দুনিয়ার কথাও এত রহমত হয়না। এই খানে পেতি জুমার দিন এমন কোনো কামেল ওলি  নাই যে প্রতি জুমার রাতে এই খানে আসেন না।  এই খানে এমন অনেক কিছু ঘটে যে  ওয়ালারা ও বিশাস করতে চায় না।  চহল বিন আব্দুল্লাহ আল্লাহর কসম দিয়ে বললেন যে এমন কিছু ঘটনা আমাকে শোনান। তখন আব্দুল্লাহ বিন সাল্ব্হ বললেন যে আমি একবার কাবা ঘর তাওয়াফ করছিলাম তখন এক বুজুর্গের হাত থেকে মাংসের গন্ধ অনুভূত হল।  আমি জিগ্গেস করলাম আপনি মনে হয় মাংশ দিয়ে খানা খেয়েছেন।  তাই আপনার হাত থেকে মাংসের তরকারির গন্ধ আসতেছে।  লোকটি বলল না। আমি ৭ দিন ধরে খানা খাইনাই।   আমি আসলে আমার মা কে খানা খাওয়ায়ে ফজর এর নামাজ পড়ার জন্য তারা তারি এসেছি।  আব্দুল্লাহ বিন সালেহ বলেন যেখান থেকে তিনি এসেছিলেন সেখান থেকে মক্কার দুরত্ব ২৭০০ মাইল। এর পর আব্দুল্লাহ বিন সালেহ চহল বিন আব্দুল্লাহ কে জিগ্গেস করলেন যে তোমার কি বিশ্বাস হয়েছে।? উত্তরে চহল বিন আব্দুল্লাহ বলেন জী হা :

এখন আমার কথা হচ্ছে যে বর্তমান দেওভুত গণ আমার জবাব দিবে যে একজন কামেল অলী যদি ফজরের নামাজ পরার জন্য ২৭০০ মাইল দুরুত্ব কিছু পলক এর মধ্যে পার করতে পারেন , তা হলে যে খানে আমার নবীর দরুদ পরা হয় আমার নবী সেই দরুদ পাঠের স্থানে কি হাজির হতে পারেন না ? আমরা নবী পাক এর ইজ্জাত করে কিয়াম করি।  ওনার পেতি বসে সালাম প্রেরণ বে আদবী হবে মনে করা ওনার ইজ্জাত এর খাতির সবাই খাড়া হয়ে সালাম প্রেরণ করি।  তো জলন কেন হয় ? নবীর প্রতি সালাম প্রেরণ করলে নবী পাক কি তাসরিফ বিয়ে আসতে অক্ষম ? একজন নবী পাক এর আশেক যাদি ২৭০০ মাইল পারি দেয়ার ক্ষমতা রাখে তো আমার নবী তো মুহুর্তে ওনার আসেকের জন্য ২৭ হাজার মাইল ও পারি দিতে সক্ষম।  নাকি তোমাদের ফাজায়েলে আমল এর ওই বুজুর্গের কোথায় তোমাদের বিশ্বাস আছে , কিন্তু ওই বুজুর্গের নবীর প্রতি নাই ?

আসলেই তোমরা গুস্তাক-এ-রাসুলে পাক সল্লেল্লাহু আলাই হে ওয়া সালাম  

বুধবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৪

Rat ko mujse pucha

রাত-কো  মুঝ্ছে পুছা ,চান্দ সীতারণে
ভুল গায়া তেরে দোস্ত , সারে ইয়ারণে ?
হা:
হা:
হা:
হা:
হা:
হা:
হা:
 মেনে ভি মুস্কুরাকে কেহ্দিয়া
লাগে হোঙ্গে কামিনে
কিছি ওর কো পটানেমে


সোহেল  রানা 

Dene owala hamara nobi

দেওবন্দিদের অনেকেই আমারে দেখলেই ঘেউ ঘেউ করে। বাঁদরের মত ঝাপা ঝাপি সুরু করে দেয়। কিন্তু মনে হয় তাদের জানা নাই যে বাঘ যখন জঙ্গল দিয়ে চলে তখন ওনেক বান্দর এর চুলকানি সুরু হয় আর চুলকানির জালায় এক গাছ থেকে অন্য গাছে ঝাপা ঝাপি করে।  কিন্তু বাঘ সেই ঝাপা ঝাপি দেখে নিজের টার্গেট থেকে পিছপা হয় না।  ঠিক আমিও দেওবন্দী নামের বান্দর এর চুলকানির কাটনে ঝাপা ঝাপি দেখে পিছপা হইনা।
মূল কথা ;- দেওবন্দী রা বলে বেড়ায় যে আল্লাহ এক মাত্র রিজিক দাতা। আল্লাহ ছাড়া কারো কোনো কিছুই দেয়ার ক্ষমতা নাই। আল্লাহ পাক সবার রাজেক   .

কিন্তু একই !!!! দেওবন্দিদের আজিমুল শান কিতাব (ফাজায়েলে আমল ) এর (ফাজায়েলে দরুদ ) এর ১১০-১১১ পৃষ্টাতে মাওলানা জাকারিয়া সাহেব লিখেছেন যে আবুল খায়ের একটা (রহ) বলেন যে আমি একবার মদিনায় গেলাম তখন ৫ দিন পর্যন্ত খুদার্থ ছিলাম।কোনো কিছুই খোরাক রূপে পেলাম না।  শেষে নবী পাক এর রওজা এর পাশে সালাম ও দরুদ পাঠ করে বললাম হে নবী ও ওমর , আবু বাক্কার  আমি আজ আপনাদের সকলের মেহমান।  এর পর মিম্বার এর পিছনে গিয়ে সুয়ে পরলাম।  সপ্নে দেখলাম যে হজরত আলী আমি ঘুম থেকে ডেকে তুলে বলল নবী পাক তাসরিফ এনেছেন।  তখন আমি দেখলাম যে হুজুরের বাম দিকে হজরত ওমর ,ডান দিকে সিদ্দিকে একবার ও সামনে হজরত আলী।  আমি হুজুরের দুই চোখের মাজখানে চুমু খেলাম।  হুজুর আমাকে একটা রুটি দান করলেন।  ঘুম থেকে উঠে দেখি রুটির অর্ধেক আমার হাতে রয়েগেছে।

এখন দেখো দেও-ভুত গণ।  তোমাদের আজিম আকাবের ময়লানা জাকারিয়া ও কবুল করে গেলেন যে নবী পাক অনার রওজা মোবারকে ঘুমিয়ে থেকে ও ওনার আশেক দের খবর রাখেন। খুদা পেলে আমার নবী খাবার ও দান করেন অনার আশেক দের।  কিন্তু তোমরা কেন মান  না যে আমাদের কে সাহায্য করতে পারেন অনার রওজা তে সুয়ে থেকেও।

ওহ্ছ্হ্ছঃ    ভুলে গেছি

তোমরা তো এত বড় জাহেল যে মদিনা কে মনোবারা মান।  কিন্তু যে নবীর কারণে মদিনা মনোয়ারা তাজে নূর মান না।  তোমাদের আলেম গণ যে ভাবে নিজেদের কে কুত্তা শুয়ার মনে করে আর নিজেদের মরা দেহ কুত্তা ও শকুনদের কে খেতে বলে।  আমার মনে হয় তোমরা সর্তি সত্যি তাই


শুক্রবার, ৮ আগস্ট, ২০১৪

DEOBONDI gustak a nobi pak

দেওবন্দিদের কথা শুনলে হাসতে হাসতে পেট ফাটে। 

মূল কথা :-
 মাওলানা মুহাম্মদ ইসমাইল নামের দেওবন্দিদের এক আলেম মারা যান ১৩১৫ হিজরী ৪ ঠা শাওয়াল মাসে।  তো তার জানাজা তে এত লোকসমাগম হয়েছিল যে খাটিয়ার সাথে অতিরিক্ত লম্বা বাস লাগানো হয়েছিল আর দিল্লি থেকে নিজামুদ্দিন পর্যন্ত রাস্তা ব্লক ছিল।  তার জানাজায় বিপুল সংখ্যক লোকের সমাগম হয়েছিল একাধিকবার জানাজার বেবস্থা করা হয়েছিল।  ফলে দাফন কার্য বিলম্বিত হচ্ছিল।  ইতিমধ্যে সাহেবে কাশফ জৈনিক বুজুর্গ সুনতে পেলেন , মৃত মাওলানা ইসমাইল সাহেব বলছেন , আমাকে তারাতারি রুকসাত কর।  আমি  খুবই লজ্জাবোধ করছি।  কেননা নবী করিম সল্লেল্লাহু আলায়হে ওয়া সাল্লাম সাহাবাদের জামাত সহ আমার জন্য অপেক্ষা করছেন।  (মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াস ও তার দ্বীনি দাওয়াত ) সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী এর লেখা পৃষ্টা নং ৪৪-৪৫ 
স্ক্রিন সূত এর জন্য কমেন্ট করে বলুন।  

এবার আমার জবাব দিন :

বুখারী শরীফের ২ য় খন্ডের ১২৮৭ নং হাদিসে বলা হয়েছে যে ,আলী ইবনে আব্দুল্লাহ ,,,, ইবনে ওমর (রা;) থেকে বর্ণিত , তিনি বলেন একবার নবী পাক সল্লেল্লাহু আলায়হে ওয়া সাল্লাম (বদরের শহীদদের প্রতি) গর্ত বাসীদের দিকে ঝুকে দেখে বললেন যে :তোমাদের সাথে তোমাদের রব যে ওয়াদা করেছিলেন বাস্তবে তোমরা তা পেয়েছ তো ? তখন নবী পাক কে বলা হল ,আপনি মৃত দের ডেকে কথা বলছেন ? (ওরা কি সুনতে পায়) . নবী পাক বললেন ;- তারা তোমরা তাদের  চাইতে বেশি সুনতে পাওনা। কিন্তু তারা সারা দিতে পারে না।  

এবং ১২৮৮ নং হাদিসে এসেছে 

আব্দুল্লাহ ইবনে মোহাম্মদ --- মা আয়েশা সিদ্দিকা থেকে বর্ণনা করেছেন :- যে নবী পাক বলেছেন - তারা এখন ভালো ভাবে বুঝতে পেরেছে যে কবর এর আজাব প্রসঙ্গে আমি যা বলতাম তা বাস্তব।  আল্লাহ পাক ঘোসনা করেছেন :হে নবী আপনি নিশ্চয় মৃত দের কোনো কথাই (অন্যদের ) সুনাতে পারেন না।  

উপরে বর্ণিত হাদিসে পাক থেকে ও ১২৮৮ নং হাদিসে বর্ণিত আল্লাহ পাকের কালামুল্লাহ থেকে ইটা সুস্পষ্ট প্রমানিত যে আমরা মৃতদের  কোনো কথা  সুনতে পারি না এমনকি মৃতদের কথা নবী পাক ও আমাদের কে শোনাতে পারেন না।  
এখন চিন্তা করেন দেওবন্দিদের মাওলানা ইসমাইল দেওবন্দিদের কাস্ফ ওয়ালা বুজুর্গ কে বললেন যে আমাকে তারা তারি দাফন কর। 
 কেন  ? 
বলে তার লজ্জা করছে !!! 
কেন ?
আর তার জন্য নাকি নবী পাক সাহাবাদের জামাত সহ অপেক্ষা করছেন !!!!
  কেন ? 
মনে হয় আর একবার জানাজা করবে সবাই মিলে  তার।  
কোরান হাদিস বা অন্য কোনো আলেমের কিতাব দিয়ে এমন আজগুবি কথা কি প্রমান করতে পারবেন ? 
আর একজন মুর্দা কে কবরে দাফন করার পর  কে কি প্রশ্নে করেন তা সবার জানা আছে।  আর মাওলানা ইসমাইল এর জানাজা নয়তো বা সয়াগত এর জন্য বলে কিনা নবী পাক ও ওনার সাহাবীরা অপেক্ষা করতেছেন।  দেখুন এদের মিথ্যাচার। ,
নিজেদের আলেমের সুখ্যাতির জন্য তোমরা কি কোরান হাদিস সব ভুলে যাও ? 

১২৮৭ নং হাদিসে পাকে নবী পাক এর সাথে সাহাবীরা ছিলেন। নবী পাক মৃত দের সাথে কথা বললেন।  সাহাবীরা সুনতেই পেল না।  তোমাদের বুজুর্গ দেখি সাহাবীদের চেয়েও  বড়।  কারণ সাহাবীরা মৃতদের কথা সুনতে পায় না।  তা হলে কি হল ? তোমাদের বুজুর্গ দেখি নবী পাক এর আসনে আসীন
 ( নাউজুবিল্লাহ )  . কারণ নবী পাক মৃতদেত কথা সুনতে পায়।  

আরে দেওবন্দী দের দল  , শয়তান এর অনুসারী।  আর কত মিথ্যাচার করবে নিজেদের কিতাবে।  কথায় কথায় বেদাত শিরক এর ফতোয়া মার।  তোমাদের প্রতিটা কথাই তো বেদাত।  
আর তোমাদের জন্মও তো বেদাত 

সবাই জবাব দিবেন আমার যে কি করে তাদের বুজুর্গ মৃতদের কথা সুনতে পারে। 
 
সোহেল রানা 

বুধবার, ৬ আগস্ট, ২০১৪

DEOBONDI der jobab

দেওবন্দী দের কিতাব বেহেস্তি যেবার এর লেখক পরিচিতিতে ১০ no পৃষ্টায় লিখেছে যে একবার মাওলানা জাফর আহমাদ উসমানী সাহেব সপ্নে দেখিলেন যে মদিনা সরিফের এক বুজুর্গ তাফসীরে (বায়ানুল কুরআন ) এর প্রসংসা করে বলিলেন যে নবী করীম সল্লেল্লাহু আলায়হে ওয়া সাল্লাম বার বার বলিতেছেন যে অমুক আয়াতের তাফসির বায়ানুল কোরান এ এই ভাবে আছে. হজরত উসমানী সাহেব বলেন যে আমার স্পষ্ট মনে পরে হুজুর (দ:) এর এই উক্তি আমি নিজ কানে সুনিয়াচি --- সপ্নে আমার ইহাও অনুভত হইল যে (তাফসির এ বয়ানুল কোরান) নবী পাকের দরবারে মকবুল হুয়ার কারণ আশরাফ আলী থান্বির পরিপূর্ণ এখলাছ 

 আর উসমানী এর কথাটা একটু লক্ষ করেন !!! একবার বলেছে যে একজন বুজুর্গ বার বার বলতেছে যে নবী পাক অমুক আয়াতের বিসয় তাফসীরে বয়ানুল কোরানে এমন ভাবে আছে --- আবার পরক্ষণে বলেছে নবী পাক এর এই উক্তি আমি নিজ কানে সুনেছি আমার স্পষ্ট মনে আছে . এখন আপনারা ইচ্ছা মত হাসুন 
ডাল মে কুছ কালা হেয় ? ইয়া 
কালে মে ডাল ? 

এখন দেখুন সবাই --তাফসির বয়ানুল কোরান আশরাফ আলী থান্বির লেখা .   তারা নিজেদের কিতাবের ইজ্জাত বাড়ানোর জন্য নবী পাকের কথাও জুড়ে দিয়েছে . দুনিয়া তে কত বড় বড় আলেম আছে -- আর সকল করনে তাফসির এক খানে করলে ১০০০ এর বেশি তাফসির কিতাব হবে বলে আমার মনে হয় -- হাজার হাজার আলেম আছে-- যে সকল আলেমের নাম লোকজন আঙ্গুল উটে কথা ও বলে না -- আর যত দেওবন্দী আছেন তাদের কথা শুনলে চোখ কপালে চড়ে যায় -- তারা কখনো নবী পাক কে উর্দু সেখান দেওবিন্দ মাদ্রাসা থেকে (বারাহিনে কাতেয়া পৃষ্টা ৩০) কখনো পুলসিরাত থেকে নবী পাক কে পরে যাওয়া থেকে রক্ষা করেন --- আবার কখনো নবী পাক ওদের কিতাবের প্রসংসা করেন -- আজ পর্যন্ত কি কেউ শুনেছেন যে নবী পাক অমুক বেক্তিকে এসে বলেছেন যে অমুক কিতাবে এমন লেখা আছে ? নবী পাক নিজেই Quran সহিহ তাফসির -- যদি কোনো বেক্তিকে কোনো কিছু তিনি বলে দিতে চান তা হলে তিনি নিজেই বলে বলে দিবেন -- তিনি কেন আশরাফ আলীর বয়ানুল কোরান এর উদৃতি দিবেন ? নাকি নবী পাক ও বয়ানুল কোরান পাঠ করেন ও তাফসির বয়ানুল কোরান কে দলিল মনে করে অনুসরণ করেন ?


 এ দেওবন্দী !!! এমন মিথ্যাচার বাদ দাও . নিজেদের কিতাব এর প্রচারের জন্য আর বাহানা করবে তোমরা ? 

How dream about boyanul Quran

দেওবন্দী দের কিতাব বেহেস্তি যেবার এর লেখক পরিচিতিতে ১০ no পৃষ্টায় লিখেছে যে একবার মাওলানা জাফর আহমাদ উসমানী সাহেব সপ্নে দেখিলেন যে মদিনা সরিফের এক বুজুর্গ তাফসীরে (বায়ানুল কুরআন ) এর প্রসংসা করে বলিলেন যে নবী করীম সল্লেল্লাহু আলায়হে ওয়া সাল্লাম বার বার বলিতেছেন যে অমুক আয়াতের তাফসির বায়ানুল কোরান এ এই ভাবে আছে. হজরত উসমানী সাহেব বলেন যে আমার স্পষ্ট মনে পরে হুজুর (দ:) এর এই উক্তি আমি নিজ কানে সুনিয়াচি --- সপ্নে আমার ইহাও অনুভত হইল যে (তাফসির এ বয়ানুল কোরান) নবী পাকের দরবারে মকবুল হুয়ার কারণ আশরাফ আলী থান্বির পরিপূর্ণ এখলাছ

 আর উসমানী এর কথাটা একটু লক্ষ করেন !!! একবার বলেছে যে একজন বুজুর্গ বার বার বলতেছে যে নবী পাক অমুক আয়াতের বিসয় তাফসীরে বয়ানুল কোরানে এমন ভাবে আছে --- আবার পরক্ষণে বলেছে নবী পাক এর এই উক্তি আমি নিজ কানে সুনেছি আমার স্পষ্ট মনে আছে . এখন আপনারা ইচ্ছা মত হাসুন
ডাল মে কুছ কালা হেয় ? ইয়া
কালে মে ডাল ?

এখন দেখুন সবাই --তাফসির বয়ানুল কোরান আশরাফ আলী থান্বির লেখা .   তারা নিজেদের কিতাবের ইজ্জাত বাড়ানোর জন্য নবী পাকের কথাও জুড়ে দিয়েছে . দুনিয়া তে কত বড় বড় আলেম আছে -- আর সকল করনে তাফসির এক খানে করলে ১০০০ এর বেশি তাফসির কিতাব হবে বলে আমার মনে হয় -- হাজার হাজার আলেম আছে-- যে সকল আলেমের নাম লোকজন আঙ্গুল উটে কথা ও বলে না -- আর যত দেওবন্দী আছেন তাদের কথা শুনলে চোখ কপালে চড়ে যায় -- তারা কখনো নবী পাক কে উর্দু সেখান দেওবিন্দ মাদ্রাসা থেকে (বারাহিনে কাতেয়া পৃষ্টা ৩০) কখনো পুলসিরাত থেকে নবী পাক কে পরে যাওয়া থেকে রক্ষা করেন --- আবার কখনো নবী পাক ওদের কিতাবের প্রসংসা করেন -- আজ পর্যন্ত কি কেউ শুনেছেন যে নবী পাক অমুক বেক্তিকে এসে বলেছেন যে অমুক কিতাবে এমন লেখা আছে ? নবী পাক নিজেই Quran সহিহ তাফসির -- যদি কোনো বেক্তিকে কোনো কিছু তিনি বলে দিতে চান তা হলে তিনি নিজেই বলে বলে দিবেন -- তিনি কেন আশরাফ আলীর বয়ানুল কোরান এর উদৃতি দিবেন ? নাকি নবী পাক ও বয়ানুল কোরান পাঠ করেন ও তাফসির বয়ানুল কোরান কে দলিল মনে করে অনুসরণ করেন ?


 এ দেওবন্দী !!! এমন মিথ্যাচার বাদ দাও . নিজেদের কিতাব এর প্রচারের জন্য আর বাহানা করবে তোমরা ? 

মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, ২০১৪

Kara bujurgo pujari ? Amra ! Naki DEOBONDI

ওমর বিন আব্দুল আজিজ একটা পোস্ট করেছে যে আমরা বেক্তি পূজা করি পীর পূজা করি।  হা আমরা করি।  কিন্তু তর জানা নাই তর আব্বাজান রা কত ভাবে পীর পূজা বেক্তি পূজা করে গেছে।  নিচে তর আলামেদের কিছু পীর পূজা বেক্তি পূজা কবর পূজার দলিল তুলে ধরছি।

দেওবন্দী দের কিতাব শরীয়াত ও তরিকত কা তালাজুম এর ১৫৫ পৃষ্টায় লিখেছেন জাকারিয়া সাহেব যে আশরাফ আলী থানবী বলেন  যে ;- আবু সাইদ গান্গুহী হজরত নিজাম উদ্দিন বলখী (রহ) এর কাছে মুরিদ হওয়ার জন্য বল্খ গেলেন।  আর নিজামুদ্দিন সাহেব আবু সাইদ কে অভ্ভর্থনার জন্য অনেক দূর এগিয়ে গেলেন ও সসম্মানে নিয়ে এসে নিজের কুরসী তে বসতে দেন ও নিজে খাদেমের কুর্সিতে বসেন।  কিছুদিন পর যখন আবু সাইদ  চলে আসার অনুমতি চাইলেন তখন নিজামুদ্দিন সাহেব অনেক সর্ণ মুদ্রা হাদিয়া দিলেন।  তখন আবু সাইদ  বললেন যে আমার সর্ন প্রজন নাই।  আমার প্রয়োজন ওই সর্ণ যা আপনি আমাদের ওখান থেকে নিয়ে এসেছিলেন।  এই কথা সোনা মাত্র নিজামুদ্দিন সাহেবের চোখের রং বদলে যায় আর কড়া জবানে বলেন যে তা হলে যাও ওই আস্তাবলে গিয়ে বস আর শিকারী কুকুরের সেবা যত্ন কর।
আবু সাইদ  গান্গুহী তার পীরের কথায় কুত্তার খেদমত করেছেন।  আমরা আমাদের বুজুর্গদের খেদমত করলে তোমাদের গায়ে লাগে ? আগে মুশরিক এর ফতোয়া পীর পূজার ফতোয়া তর আলেম আবু সাইদ গান্গুহী রে লাগা আর তাকে মুশরিক বল.

 এর পর লিখেছেন যে দেওবন্দিদের এই আজিম আলেম কে কুত্তার গোসল,পরিস্কার করা, কুত্তার খানা পানি ,পরিচর্যার কাজ দেয়া হয়  . আর খাদেম কে হুকুম দেন যে একে সকালে আর সন্ধায় ২টা করে যবের রুটি দেবে খেতে।  এর কখনো গরুর গোবর তার মাথায় ঢেলে দিতে হুকুম করতেন মেথরানী কে।  কখনো কখনো নিজামুদ্দিন সাহেব ঘুরতে বের হলে আবু সাইদ এর হাতে কুত্তার রশি ধরিয়ে দিয়ে নিজে ঘোরার পিটে  বসে থাকতেন।  কখনো কখনো নিজামুদ্দিন সাহেবের বৈঠক খানয় আবু সাইদ গিয়ে বসলে নিজামুদ্দিন সাহেব তার দিকে ভ্রুক্ষেপ ও করতেন না।

আবু সাইদ  এমনি ভাবে অনার শায়খ এর খেদমত করেছেন।  আরো অনেক কথা বলা আছে আমি ওনেক  সংক্ষেপ করে লিখলাম।




বেহেস্তি যেবার ১ খ সাত নং পেজ এ  আশরাফ আলীর জীবনী তুলে ধরতে গিয়ে লিখেছেন যে আশরাফ আলী থানবী তার বাবার সাথে হজ করে আসার ৩ বছর পর নিজেকে তার মুর্শিদ হাজী এম্দাদুল্লাহ এর টানে কন্ট্রোল করতে না পেরে তিনি মুর্শিদের খেদমতে গিয়ে হাজির হন এবং ৬ মাস একটানা ওনার খেদমত করতে থাকেন।  আসার সময় হাজী সাহেব ওনার কিতাব খানা থানভী কে দিতে চাইলে থানভী জবাব দেন যে এগুলো তো সুধু খোলস মাত্র। আপনার কাছে কিছু থাকলে আমার সিনায় দিন।

এখন আশরাফ আলী থানবীর প্রতি ফতোয়া লাগা যে নিজেকে কন্ট্রোল করতে না পেরে হাজী ইমাদাদুল্লাহ এর খেদমতে হাজির হুএচিলেন ইন্ডিয়া এর আলী গড় থেকে মক্কা মোকার্রামায়।
এবং তিনি কিতাব না চেয়ে তার পীরের কাছ থেকে বেলায়াত চেয়েছেন।  আমরা চাইলে দোষ হয় কেন রে খবিসের দল দেওবন্দী ?

রশিদ আহমাদ গান্গুহী এর কিতাব (মহমুদুস সুলুক) এর ২০ নং পৃষ্টায় লিখেছেন যে একবার আমি থানা ভবনে হাজী ইমাদুল্লাহ সাহেবের খেদমতে ছিলাম।  প্রথমে ২ দিন থাকার কথা থাকলেও ১-২ করে ৪০ দিন থাকলাম।  খানা খাওয়ার জন্য আমার লজ্জা হচ্ছিল।  তাই চলে যেতে চাইলাম।  কিন্তু হাজী সাহেব অনুমতি না দিয়ে থেকে যেতে বললেন।  কিন্তু খানা খাওয়ার লজ্জায় আমি মরে যাচ্ছিলাম আর চিন্তা করছিলাম অন্য বেবস্থা করতে হবে খানা খাওয়ার জন্য।  হটাথ হাজী সাহেব বললেন আজ আমার সাথে খানা খেও।
দুপুরে খানা হাজী সাহেবের বাড়ি থেকে আসলো।  এক পাত্রে সুস্বাদু কোপ্তা অন্য পাত্রে সাধারন সালন।  হাজী সাহেব কোপ্তা আমার কাছ থেকে অনেক  অনেক দুরে রাখলেন আর সাধারণ সালন আমার কাছে রাখলেন।  এরই মধ্যে হাফেজ মোহাম্মদ জামিন সাহেব আসলেন খেতে আর বললেন যে কোপ্তা এত দুরে রেখেছেন যে রশিদ সাহেবের হাত এত দূর যাবে না।  একটু রশিদ সাহেবের দিকে এগিয়ে দিন।  জবাবে হাজী সাহেব বললেন আমার সাথে খাওয়াচ্ছি এটাই তো ওর সৌভাগ্য।  মন তো চাচ্ছিল মুচি ,মেথরের মত হাতের উল্টো দিকে রুটি ধরিয়ে দেই বলে আমার চেহরার প্রতি লক্ষ করলেন কোনো প্রতিক্রিয়া আছে নাকি।

রশিদ আহমাদ গান্গুহিকে খানা খেতে দিয়ে চামার ,মুচি,মেথরের দের সাথে যেমন আচরণ করে মানুষ এমন আচরণ করতে চেয়েছেন হাজী সাহেব। তো এত কিছু তারা সয্য করেছে।  আমরা পীরের কাছে গেলে তদের এত জলন হয় কেন রে ?

এ রকম অনেক দলিল আমি দিতে পারি। টাইপ করে সময় নষ্ট করতে চাই না। কিতাবের পেজ দিতে রাজি আছি তোমার সকল দেও রান্ডি দের কে।

আর কবর পুজারী বল আমাদের কে ? তোমাদের গুরু আশরাফ আলী থানভী তার কিতাব (আশরাফুল জওয়াব ) এ ৯৯ নং পৃষ্টার ১৩ নং প্রশ্ন ;-কবর বাসীর নিকট সাহায্য প্রার্থনা করা কি ? ইটা কি শিরক ?
এর জবাবে লিখেছেন যে শিরক তখন হয় যখন আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে ইবাদতের যোগ্য মনে করা হয়।  আমার মতে কেউ অলিদের কে ইবাদতের যোগ্য মনে করেন না।  সুধু আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য তাদের কাছে যেয়ে থাকেন।  তবে মাজারে সেজদা ,নাচ, গান শরীয়াত বিরুধী কাজ সব কিছুই হারাম। আমরা ও তাই বলি।  এর পর ১০১ নং পৃষ্টায়  লিখেছেন যে মাজারে কোনো বস্তু চাওয়া ঠিক নয়। তবে হা , সাহেবে নিসবাত আল্লাহর সাথে সম্পৃক্ত বেক্তি এখনো তাদের কাছ থেকে ফয়েজ ও বরকত লাভ করতে পারেন।

কিরে দেওবন্দী ? তুই কি তর আলেমের চেয়ে বেশি জানিস ? আর যদি বেশি  জেনে থাকিস তো থান্বির এমন আকিদার কারনে তাকে মুশরিক এর ফতোয়া মার।  আমরা যদি এমন আকিদা রাখার কারণে মুশরিক হি তা হলে তরা কেন হবি না ?

এর পর

আশরাফ আলী থান্বির কিতাব ইমদাদুল মুস্তাক এর পেজ নং ১১৩ তে লিখেন যে হজরত হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজের এ মক্কী যখন অসুস্থ হন তখন তিনি ওনার সাথের লোকদের কে বললেন যে আমাকে আমার দেশে নিয়ে চলো জান্জানা ৷ ওনাকে নিয়ে আসার সময় থানা ভবনের মসজিদের পাসে ওনার পালকি নামানো হল ৷ তখন তিনি আমাকে ডাকলেন আর বললেন যে আমি তোমাকে কিছু দিয়ে দিতে চাই . আমি ওনার কথা সুনে বুঝতে পারলাম যে তিনি চলে যাবেন আমাদেরকে ছেড়ে ৷ তাই তিনি এমন করে বলছেন

আমি কাদতে লাগলাম ৷ তিনি আমাকে বললেন যে আরে বোকা কাদেনা !!! ফকির কোনো দিন মরে না সুধু এক জীবন শেষ করে আর এক জীবন সুরু করে৷ কোনো ফকির জীবিত থাকলে যেমন তার কাছ থেকে উপকৃত হুয়া যায় ঠিক তেমন তার মরার পর ও তার কবরে যাওয়ার পর ও তার কাছ থেকে উপকৃত হওয়া যায় ৷

তর থানবী এই ইমদাদুল মুস্তাকে ইটা কি লিখে গেল রে ? কোবর থেকে নাকি ফয়েজ লাভ করা যায়।  তো তর থানবী দেখি মুশরিক প্রমান হয়। আর যদি থানবী মুশরিক প্রমান না হয় তো আমরা কি ভাবে কবর পুজারী হই রে বলদ ?

সবচেয়ে মজার কথা হচ্ছে যে আশরাফ আলীর জন্ম হয়েছে বুজুর্গ পূজার মাধ্যমে।

  বেহেস্তি যেবার ১  খ লেখক পরিচিতি তে লিখছে যে আশরাফ আলী থান্বির  মায়ের গর্ভে পুত্র সন্তান জন্মিলে মারা যেত. কোনো পুত্র সন্তান জীবিত থাকত না।  আর আশরাফ আলীর পিতা আব্দুল হোক মুন্সী কঠিন দুরা রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রযোনন ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন।  উক্ত বিষয় সেই সময় হাফেজ গোলাম মর্তুজা সাহেব পানিপথি কে খুলে বলেন।  তিনি ছিলেন মজযুব।  তিনি বললেন কে ওমর আর আলীর টানা টানি তে পুত্র সন্তান তোমার মারা যায়।  এর পর বললেন যে এঅব্র পুত্র সন্তান জন্ম নিলে আলীর কোলে তুলে দিও।  তিমি বলে দিলেন যে তোমার ২ টা পুত্র সন্তান জন্ম নিবে। ইনশাল্লাহ দুজনই বাচিয়া যাইবে।  একজনের নাম রাখিবে আশরাফ আলী আর একজন এর নাম রাখিবে আকবর আলী।  একজন আমার অনুসারী হইবে ,সে হবে হাফেজ ও আলেম।  আর একজন হবে দুনিয়া দাড়ি।

এখন বলরে দেও রান্দীর বাচ্চারা।  তোমাদের প্রতিটা কথার জবাব তোমাদের কিতাব থেকে দিলাম।  তোমরা বল যে কোনো বুজুর্গ কারো কোনো উপকার করতে পারে না।  এখন দেখি তোমাদের মুজাদ্দেদ আশরাফ আলীর পয়দা বুজুর্গের বদৌলতে।  আর সে বড় হয়ে কি হবে তা বলে দিলেন।  তো তোমাদের দাবি কোথায় থাকলো ?

আবার বেহেস্তি যেবার ১ম খ ৬ নং পৃষ্টায় লেখক পরিচিতি তে বলা হয়েছে যে ;- আল্লাহর ওলি গনের প্রতি হাকীমুল উম্মতের ভক্তি ও মুহাব্বাত ছিল অত্যান্ত গভীর। তিনি বলতেন আল্লাহর অলিগনের নামের বরকতে রুহ সজীব ও দিলের মাঝে নূর পয়দা হয়।  তিনি প্রায় বলতেন আমি দীনের পথে রিয়াজাত ও মজাহাদা করিনাই।  আল্লাহ যা যা কিছু দান করেছেন তা উস্তাদ ও বুযুর্গানের দোআ  ও আন্তরিক তায়াজ্জুর কারণে পেয়েছি।

এর নিচেই আবার উল্লেখ করেছেন যে  গোলাম মর্তুজা পানিপথির (বু আলী পানিপথী রহ এর খলিফা ) দোয়ার আদলে আশরাফ আলী থানবী জন্ম নেন।  গোলাম মর্তুজা সাহেব ওনাকে অত্যান্ত স্নেহ করতেন।

কিরে দেওবম্দী কুত্তার দল।  বুজুর্গ এর মাদ্ধমে তোমার থান্বির জন্ম ও সব কিছু বুজুর্গ দের কাছ থেকে পাওয়া তার কিতাব প্রমান দিচ্ছে।  আমরা বুজুর্গদের ইজ্জাত করি তো বুজুর্গ পূজা হয় ? তর বউ মানে আমার বউ ,আর আমার বউ তর খালা আম্মা ? খবিস এর দলেরা।

আর সামা এর বিসয় কথা বলছ ? ইয়িয়ায়ে উলুমুদ্দীন এমাম গাজালী সাহেবের লেখা। সামা অধ্যায় পরে দেখিও।  আর সামাহ বিষয় কথা বলার দম থাকলে আসিও পোস্ট এ।  তোমার পাছে কুত্তার লিঙ্গ দিয়ে বিদায় করব ইনশাল্লাহ।  এখন যদি বল যে গাজালী সাহেবের কথা গ্রহণ যোগ্য নয়।   তা হলে তোমার আলেম জাকারিয়া এর কিতাব (শরীয়াত ও তরিকত কা তালাজুম) এর 21 নং পেজ দেখো বলেছে যে আমরা মাদ্রাসায় ২ কলম পড়ুয়া বলে বেড়াই যে ইমাম গাজালী এর হাদিস ভুল হয়।  আমাদের এটা জানা নাই যে গাজালী সাহেবের ইলম ও আমাদের ইলম এর পার্থক্য করার মত ইলম ও আমাদের নাই।  তাই বলছি।  হস করে কথা বলীয়।  

এ নামধারী ওমর বিন আজিজ।  আসল ওমর বিন আজিজ তো এখন কবরে।  আর তুই কি তার পয়দা হারামজাদা ? কুত্তা কোথাকার তর আলেমদের কিতাব দিয়ে তর পাচায় বাশ দিলাম।  হিম্মত থাকলে আমার পোস্ট খন্ডন করিও।  আর খন্ডন তুই কি করবি ? খন্ডন করতে গেলে তর বাপ দাদাদের কে যে আগে নাংটা করতে হবে তোকে।
আল্লাহ হাফেজ


 সোহেল রানা